

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার ১৯ বছর পর স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন তিন আসামি।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা এ দণ্ডাদেশ দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম- মো. সোলায়মান (৪৭)। তিনি টাঙ্গাইল শহরের দিঘুলিয়া এলাকার আ. বারেকের ছেলে
টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান কবীর বলেন, ২০০৬ সালে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার শাহজানী গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর মেয়ে আয়শা বেগমকে (২০) বিয়ে করেন সোলায়মান।
তিনি আরও বলেন, এরপর স্ত্রীর গায়ের রং কালো হওয়ায় স্বামীর বাড়ির লোকজন আয়শাকে নির্যাতন করতে থাকে। এক পর্যায়ে বিগত ২০০৭ সালের ৫ মার্চ রাতে স্বামী সোলায়মান ছয় মাসের গর্ভবতী স্ত্রী আয়শাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালুটিয়া গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ে মরদেহ ফেলে রাখে।
মো. শাহজাহান কবীর বলেন, স্থানীয় লোকজন বাঁশঝাড়ে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরদিন ৬ মার্চ আয়শার মামা আদম আলী বাদি হয়ে স্বামী সোলায়মান, শ্বশুর আ. বারেক, ভাশুর ইউসুফ আলী ও শাশুড়িকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন।
পিপি বলেন, হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ ১৯ বছর পর সোমবার আসামি সোলায়মানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য তিন আসামিকে খালাস দেন আদালত। রায়ের সময় দণ্ডিত আসামি আদালতে হাজির ছিলেন না। তার অনুপস্থিতিতেই রায় পড়ে শোনান বিচারক।