কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৫, ১০:১৮ এএম
আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৫, ০১:৩৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম নিয়ে রিভিউয়ের রায় হচ্ছে না আজ

হাইকোর্ট ভবন। ছবি : সংগৃহীত
হাইকোর্ট ভবন। ছবি : সংগৃহীত

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স (পদমর্যাদাক্রম) বিষয়ে আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন সংক্রান্ত রায় বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ঘোষণা হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর মা মারা যাওয়ায় তিনি বর্তমানে ছুটিতে থাকায় রায় ঘোষণায় বিলম্ব হচ্ছে।

জানা গেছে, এই মামলার রায় দেওয়ার কথা ছিল বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর। এর আগে বুধবার (৬ আগস্ট) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ রায়ের জন্য ৭ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।

আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে, গত ৩০ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগ রায়ের জন্য ৬ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন। তবে পরে বুধবার (৬ আগস্ট) সর্বোচ্চ আদালত রায়ের জন্য এক দিন পিছিয়ে ৭ আগস্ট নির্ধারণ করেন।

রিভিউ শুনানিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার সালাহ উদ্দিন দোলন। বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে রিভিউ আবেদনের শুনানি করেন ব্যারিস্টার নিহাদ কবির ও অ্যাডভোকেট প্রবীর নিয়োগী।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম এবং ব্যারিস্টার এম. আবদুল কাইয়ূম। এ ছাড়া ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ‘রুলস অব বিজনেস’-এর আওতায় ১৯৮৬ সালে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স (পদমর্যাদাক্রম) তৈরি করে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তা জারি করা হয়। পরবর্তী সময় এতে সংশোধন আনা হয়। তবে, এই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে সাংবিধানিক পদ এবং সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত ও সংজ্ঞায়িত বিভিন্ন পদ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিচে রাখা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে ২০০৬ সালে হাইকোর্টে রিট করেন বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মো. আতাউর রহমান।

২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আট দফা নির্দেশনাসহ ১৯৮৬ সালের (সংশোধিত) ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সকে অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে। সে আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

ওই মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া আট দফা নির্দেশনার কিছু অংশ সংশোধন করে আপিল বিভাগ তিনটি মূল নির্দেশনা প্রদান করে। সেগুলো হলো—১. যেহেতু সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন, তাই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে কোনো বিরোধ দেখা দিলে সাংবিধানিক পদধারীরাই অগ্রাধিকার পাবেন; ২. বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে জেলা ও সমমানের জজগণ সরকারে সচিবদের সঙ্গে একই পদমর্যাদায়, অর্থাৎ ১৬ নম্বরে অবস্থান করবেন; ৩. জেলা জজদের পরবর্তী ক্রমিকে, অর্থাৎ ১৭ নম্বরে, অবস্থান করবেন অতিরিক্ত সচিবরা।

একপর্যায়ে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। পরে রিভিউ আবেদনে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরাও পক্ষভুক্ত হন।

কালবেলা/এমএইচ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

থানচি থেকে তিন্দুমুখ পর্যন্ত নৌপথে চলাচল বন্ধ ঘোষণা

বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি নূরুদ্দিন, সম্পাদক মোমিন

ড্রেসিংরুমে বিশেষ পুরস্কার চালু করল ভারত, প্রথম জিতলেন কে?

তাঁতীবাজারে জগন্নাথ জিউর মন্দিরের উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত

ভাড়া বাসায় মিলল সিরীয় বংশোদ্ভূত দ্বৈত নাগরিকের মরদেহ

আনোয়ারায় ছেলের হাতে বাবা-মা খুন

ভিডিও বার্তায় এমপির ‘চোখ উপড়ে ফেলার’ হুমকি  

কুষ্টিয়ায় সাবেক মেয়রের ওপর সন্ত্রাসী হামলা 

গাছ লাগানোর চেয়ে রক্ষা করাই কঠিন: ভূমিমন্ত্রী

আর্জেন্টিনায় চুরির শিকার উরুগুইয়ান ফুটবলারের মরদেহ উদ্ধার, নেমে এলো শোকের ছায়া

১০

প্রকাশ্যে সংঘটিত অপরাধ অস্বীকারের বিষয়ে ইসলাম কী বলে?

১১

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে দলীয় পর্যায়ে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত: মির্জা ফখরুল

১২

রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি

১৩

কিশোরগঞ্জে একদিনে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ৫ জনের

১৪

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর সংস্কার হলো সেই জলাবদ্ধ সড়ক 

১৫

চট্টগ্রামে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২

১৬

বরিশালে নারী ইউপি সদস্যের আত্মহত্যা

১৭

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় জানালেন আইনমন্ত্রী

১৮

সমর্থকদের দিপকে বললেন, ‘আমাকে নায়ক বানাবেন না’

১৯

পে স্কেল নিয়ে দুঃসংবাদ!

২০
X