বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৫, ০৭:৪৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রমের প্রত্যাশা জবি শিক্ষক সমিতির

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষিতে তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে বলে মনে করছে জবি শিক্ষক সমিতি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে শিক্ষক সমিতি জানায়, গতকাল (১৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত স্টিয়ারিং কমিটির সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণ এবং বাণী ভবন ও শহীদ হাবিবুর রহমান হলের স্টিল স্ট্রাকচার নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিক্ষক সমিতি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। এ ছাড়া এটা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ফসল বলেও মনে করেন তারা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের দাবির ইতোমধ্যে মৌলিক দুটি দাবি পূরণ হয়েছে। তাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরে যাবে এমনটাই প্রত্যাশা করছে শিক্ষক সমিতি। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা অপরিহার্য বলে মনে করে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা এবং দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের দাবিতে তারা আন্দোলন করে যাচ্ছে। তাদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সবসময়েই সর্বাত্মক একাত্মতা প্রকাশ করে আসছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

বিবৃতিতে আরও, গতকালের সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণ ও আবাসনের কাজ শুরু হবে বলেও আশা করেন তারা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজয়ী হয়ে যা বললেন রিয়াজুল

সুখবর পেলেন বিএনপি নেত্রী রাহেনা

এবার সহযোগিতা চাইলেন আমজনতার তারেক

গোপালগঞ্জে শতাধিক আ.লীগ কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কবে নামছে বাংলাদেশ, কারা প্রতিপক্ষ—জানাল আইসিসি

এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যার সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

শীর্ষ ৩ পদে কত ভোট পেয়ে জিতল ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল

জকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়

জুলাইয়ে বীরত্ব : সম্মাননা পেল ১২শ আহত, শহীদ পরিবার ও সাংবাদিক

১০

পাকিস্তানের আকাশসীমায় অসুস্থ হওয়া বিমানের যাত্রীর মৃত্যু, তদন্তের মুখে পাইলট

১১

ফারহানের ফিফটিতে লঙ্কান দুর্গে পাকিস্তানের দাপুটে জয়

১২

আয় ও সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, মুখ খুললেন নাহিদ ইসলাম

১৩

৪৮৯ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে

১৪

ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যায় মামলা, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

১৫

কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল আবছারকে কারাদণ্ড

১৬

‘সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীরা বাড়ির বাইরে থাকতে পারবে না’

১৭

এবার আর্থিক সহায়তা চাইলেন হান্নান মাসউদ

১৮

‘জুলাই বার্তাবীর’ সম্মাননা পেলেন কালবেলার আমজাদ

১৯

দুই বন্ধুর একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, একসঙ্গেই মৃত্যু

২০
X