

শেরপুর-৩ আসনে ইশতেহার মঞ্চে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হওয়ার ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে থেকে পুরান ঢাকার তাতিবাজার ঘুরে বিশ্বজিৎ চত্বরের সামনে এসে প্রতিবাদী বক্তব্যের মাধ্যমে বিক্ষোভ সমাবেশটি শেষ হয়।
এসময় জকসুর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন, শুধুমাত্র ভিন্নমতের কারণে একজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা মনে করেছিলাম ১২ ফ্রেব্রয়ারি নির্বাচন হবে কোনোপ্রকার রক্তপাত ছাড়া। কিন্তু তারা এ দেশে রক্তের রাজনীতি শুরু করেছে। তারা চায় এদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি কায়েম করতে। কিন্তু এদেশের ছাত্ররা এই রাজনীতি তাদের করতে দেবে না। আমরা মনে করেছিলাম তাদের রাজনীতিতে পরিবর্তন হবে, কিন্তু আমরা তার উল্টোটা দেখতে পেলাম।
ছাত্র শক্তির জবি শাখার সদস্য সচিব শাহিন মিয়া বলেন, আমরা দেখেছি বাংলার আকাশে এক সন্ত্রাসী সংগঠনের পয়দা হয়েছে। এদের রুখতে হলে আমাদের একতাবদ্ধ হতে হবে। আমরা হুঁশিয়ারি করে বলতে চাই আপনারা যে রাজনীতিতে আছেন তা থেকে সরে আসুন। নতুন রাজনীতি শুরু করুন। না হলে আপনারা প্রত্যাখ্যাত হবেন।
শিবির নেতা সোহাগ আহমেদ বলেন, আমরা দেখেছি শেরপুর উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দেখেছি আমাদের মা-বোনদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কোন পদক্ষেপ নেয়নি বলে এমন হচ্ছে। যে দলের নেতারা তৃণমূলকে কন্ট্রোল করতে পারে না তারা কিভাবে দেশ কন্ট্রোল করবে।
জবি শাখা ছাত্রশক্তির নেতা শেখ ফেরদৌস বলেন, এখনো সময় আছে জনগণের পালস বুঝে রাজনীতি করুন অন্যথায় ছিটকে যাবেন। প্রশাসনকে বলতে চাই যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।
মন্তব্য করুন