জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

জবির প্রশাসনিক ভবনে তালা, টানা ৮ ঘণ্টা অবরুদ্ধ উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষ

জবির প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ছবি : কালবেলা
জবির প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ছবি : কালবেলা

বিশেষ বৃত্তির দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০তম ব্যাচের (২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শারমীন প্রশাসনিক ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত টানা ৮ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রয়েছেন তারা।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এদিন বিকেল ৩টার দিকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন। তিনি বলেন, ২০ ব্যাচ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম একটি গৌরবান্বিত ব্যাচ। প্রথম বর্ষে পুরান ঢাকার গিঞ্জি পরিবেশে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রথম কিস্তিতে যুক্ত করলে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি থেকে বঞ্চিত হবে। কারণ চলমান পাঁচটি ব্যাচ অনুযায়ী তারা (১৫ ব্যাচ) বৃত্তি পাবে না। কিন্তু যমুনার আন্দোলনে তাদের ভূমিকা অগ্রগণ্য ছিল।

তিনি আরও বলেন, আমার একার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো কিছু হবে না। এটা ১ মিনিটে নেওয়ার মতো সিদ্ধান্তও নয়। আমরা কমিটির সবার সঙ্গে আলোচনা করে যতদ্রুত সম্ভব এটা সমাধানের চেষ্টা করব।

এর আগে সকালে আবাসন ভাতার দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভবনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি কলাভবন, শহীদ সাজিদ ভবন ও বিজ্ঞান অনুষদের সামনে দিয়ে প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।

কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল ‘২০ ব্যাচের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত, মানি না মানব না’, ‘বৈষম্যের সিদ্ধান্ত, মানি না মানব না’, ‘১, ২, ৩, ৪ বৃত্তি মোদের অধিকার’, ‘বৃত্তি মোদের অধিকার, বৈষম্যের সাধ্য কার’, ‘বৃত্তি আমার অধিকার, না দেওয়ার সাধ্য কার?’ এবং ‘জকসু ও প্রশাসন, দুই দেহ এক মন’।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ২০ ব্যাচের একটি প্রতিনিধিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে ইনস্টিটিউট অব মডার্ন ল্যাংগুয়েজ বিভাগের শিক্ষার্থী রাব্বি জানান, আমাদের একটি প্রতিনিধিদল কোষাধ্যক্ষ ম্যাডামের সঙ্গে আলোচনা করছে। লিখিত ছাড়া আমরা এখান থেকে যাব না।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডিজিটাল মাধ্যমেও নারী-শিশুরা নিরাপদ নয় : নিপুণ রায় 

বকেয়া পৌরকরে ১৫ শতাংশ সারচার্জ মওকুফের ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

উত্তরা মটরসে চাকরি, বেতন ৪০ হাজার টাকা

অভিজ্ঞতা ছাড়াই ২০ জনকে নিয়োগ দেবে মিনিস্টার, এখনই আবেদন করুন

১১ রানে হারল বাংলাদেশ

বালুমহাল ইজারা বাতিলের দাবিতে এনসিপি নেতার আবেদন

বিশ্বকাপ টিকিট নিয়ে অনিয়ম করছে যুক্তরাষ্ট্র : ইরান

৬৬ জনকে চাকরি দেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, এসএসএসি পাসেই আবেদন

লাল কার্ড দেখলেই ফ্রি পিৎজা

যুবদল নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল

১০

ঢাকার দুই সিটির প্রশাসক সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন: আসিফ

১১

রিকশায় যাওয়ার পথে জজ বান্ধবীর কথা স্মরণ করে অভিজ্ঞতা জানালেন মাহমুদা মিতু

১২

আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান ইরানের

১৩

যাত্রাবাড়ীতে ১৬ হাজার ইয়াবাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কুখ্যাত মাদককারবারি গ্রেপ্তার

১৪

সীমান্তের ৮ পয়েন্ট দিয়ে শতাধিক নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা

১৫

অর্থবছর হিসেবে জুন-জুলাইকে পরিবর্তনের দাবি বিরোধীদলের

১৬

আ.লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার 

১৭

হাইকোর্টে জামিনের পর জেলগেটে ফের আটক আ.লীগ নেতা

১৮

মেসির হ্যাটট্রিকের এই দিনে ব্রাজিলকে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা

১৯

পদ্মার চরে আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার

২০
X