জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১১:২৭ এএম
আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১১:২৯ এএম
অনলাইন সংস্করণ
জকসু নির্বাচন

একই পদে শিবির-ছাত্রদল প্যানেল থেকে দুই জুলাই যোদ্ধা

বাঁ দিক থেকে নূর নবী ও অনিক কুমার দাস। ছবি : কালবেলা
বাঁ দিক থেকে নূর নবী ও অনিক কুমার দাস। ছবি : কালবেলা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-তে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জুলাই আন্দোলনের দুই সক্রিয় যোদ্ধা। শিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল থেকে এ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জুলাইয়ে কারা নির্যাতিত নূর নবী, আর ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান’ প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ অনিক কুমার দাস।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুই প্যানেল থেকেই তারা মনোনয়নপত্র জমা দেন।

মনোনয়ন জমা শেষে নূর নবী বলেন, আজকের জকসু নির্বাচনের পেছনে মূল চাবিকাঠি হলো ২৪-এর ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান। ৫ আগস্ট না হলে জকসু তো দূরের কথা—আমরাই হয়তো বেঁচে থাকতাম না। মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রবিষয়ক এই পদে ছাত্রদল প্যানেল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, সেই অনিক কুমার দাস-ও আমার সহযোদ্ধা। আমি গ্রেপ্তার হওয়ার তিন দিন আগে আমার চোখের সামনে গুলিবিদ্ধ হয় অনিক। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। এ পদে যেই বিজয়ী হই না কেন, সেটি আমাদের দুজনেরই বিজয় হবে। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরে ক্যাম্পাসে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার।

মনোনয়ন জমা শেষে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচন করা জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ অনিক কুমার দাস বলেন, এই পদের জন্য আমরা দুজনই যোগ্য। নূর নবী ভাই অথবা আমি-যেই বিজয়ী হই, সেটি আমাদের উভয়েরই বিজয় হবে। আমরা দুজনেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করব। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসের পাশাপাশি ২৪-এর জুলাইয়ের স্পিরিট ও ইতিহাস সংরক্ষণে কাজ করব।

নূর নবী ও অনিক কুমার দাস দুজনই জুলাই অভ্যুত্থানে সম্মুখসারির যোদ্ধা ছিলেন। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ঢাকার সিএমএম কোর্ট প্রাঙ্গণে আওয়ামী যুবলীগের নেতাদের গুলিতে অনিক কুমার দাসসহ চারজন আহত হন। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে অনিক ও ফেরদৌস শেখ এবার জকসু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ফেরদৌস শেখ সমাজসেবা সম্পাদক পদে ছাত্রশক্তি-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

অন্যদিকে, ২৪-এর ১৯ জুলাই আন্দোলনরত নূর নবীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট থেকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি। দুই দিন গুম করে রাখার পর ২১ জুলাই তাকে শাহবাগ থানার নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তিন দিনের রিমান্ড শেষে ২৫ জুলাই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। রিমান্ডে তার দুই হাত ভেঙে দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন ধরনের শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফোনের চার্জিং পোর্টে এই ৫টি জিনিস কখনোই লাগাবেন না

৫ দফা দাবিতে বারির শ্রমিকদের বিক্ষোভ 

গণভোট নিয়ে মাদরাসা শিক্ষকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বিএনপির ১৮ নেতাকর্মী বহিষ্কার

ফোনের ইন্টারনেট স্লো, সহজ ৯ কৌশলে হুহু করে বাড়বে স্পিড

মধ্যপ্রাচ্যে বহুদিনব্যাপী বিমান মহড়ার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

গণসংযোগকালে জামায়াতের নারী কর্মীর মাথায় কোপ

জামায়াতে ইসলামী নিয়ে যুবদল নেতার বিস্ফোরক অভিযোগ

তাসমিয়া কসমেটিকসের পরিবেশক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ডাকসুর ‘নাগরিক সেবা’ নিয়ে বিতর্ক, চাপ প্রয়োগ করে কক্ষ বরাদ্দের অভিযোগ 

১০

ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ / এস আলম-পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরু

১১

মাদক কারবার নিয়ে সংঘর্ষ, অস্ত্র ও মাদকসহ নারী গ্রেপ্তার

১২

এবার চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেল শিশু

১৩

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারত মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না : রিজওয়ানা

১৪

ক্রিকেট দলকে ‘না’ তবে শুটিং দলকে ভারতে যেতে অনুমতি দিল সরকার

১৫

জবিতে ‘আইকিউএসি সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণ কৌশল’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

১৬

জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ

১৭

নির্বাচনের সার্বিক খোঁজখবর রাখবে যুক্তরাষ্ট্র : ইসি সচিব

১৮

সেতু নির্মাণে অনিয়ম, অভিযানে গেল দুদক

১৯

ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিলেন ৩ দলের ১৫ নেতাকর্মী

২০
X