

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপ-রেজিস্ট্রারের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর জাল করে তথ্য পাচারের অভিযোগে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মো. আমজাদ হোসেনকে ডিনের দায়িত্ব থেকে অপসারণ, তদন্ত কমিটি গঠন ও ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তিনি ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।
শনিবার (০৩ জানুয়ারি) যবিপ্রবি রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব স্বাক্ষরিত পৃথক ৩টি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যবিপ্রবি কর্মকর্তা উপ-রেজিস্ট্রার মো. তহিদুল ইসলামের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে তথ্য পাচার করে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মো. আমজাদ হোসেন। এ ঘটনায় উপ-রেজিস্ট্রারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে যবিপ্রবির এনএফটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুককে আহ্বায়ক, শরীর চর্চা শিক্ষা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শাহেদুর রহমানকে সদস্য সচিব ও ডিনস কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. কোরবান আলীকে সদস্য করা হয়েছে।
এ ছাড়া পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত ডিন ড. মো. আমজাদ হোসেনকে ০৩ জানুয়ারি থেকে ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হলো। একই সঙ্গে তাকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও অবস্থান না করার জন্য বলা হয়। তদন্ত চলাকালীন সময়ে উক্ত অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইইই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইঞ্জি. ইমরান খান।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর অন্যের নাম ব্যবহার করে যশোর কেন্দ্রীয় পোস্ট অফিসে তথ্য পাঠাতে গিয়ে ধরা পড়েন ড. মো. আমজাদ হোসেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী উপ-রেজিস্টার তার বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
মন্তব্য করুন