

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) এর পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহর ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামি জামিনে মুক্তি পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) চট্টগ্রাম জেলা আদালত অভিযুক্ত জালাল উদ্দিন মুন্নাকে জামিন দেন। এর আগে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) হাটহাজারী মাদ্রাসা এলাকার পাশ থেকে মুন্নাকে আটক করেছিল পুলিশ।
জানা যায়, ঘটনায় আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হলেও এখনো প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া মুন্না প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলেও একদিনের মাথায় তাকে জামিন দেয় আদালত।
একটি জিজ্ঞাসাবাদের এই ভিডিওতে মুন্না বলেন, ‘ঘটনাস্থলে আমরা দুজন ছিলাম আমি ও আরিফ। চাকসু সম্পাদককে দেখে আমরা ঘুসি দিই এবং সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করি। আমরা কোনো অস্ত্র ব্যবহার করিনি, হাত দিয়েই মারি। ঘষা লাগার কারণে রক্ত বের হয়ে থাকতে পারে।’
চাকসুর আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ফজলে রাব্বি তাওহিদ বলেন, ‘অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি দেওয়ার পরও কীভাবে জামিন পেল, তা বোধগম্য নয়। পুলিশ আদালতে যথাযথভাবে তথ্য উপস্থাপন করেনি এমনকি স্বীকারোক্তির বিষয়টাও আদালতে জানায়নি। প্রধান আসামিকেও এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। স্টেট হিসেবে আমরা পুলিশ এবং প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রাখছি এবং দ্রুত গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছি।’
অন্যদিকে, হাটহাজারী থানার ওসি জাহিদুর রহমান বলেন, ‘জামিন দেওয়ার বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার। আমরা প্রয়োজনীয় সব প্রমাণ ও স্বীকারোক্তি আদালতে উপস্থাপন করেছি। চাকসুর অভিযোগ সঠিক নয়।’