

দেশের জাতীয় পত্রিকা এবং শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিতে সফলভাবে সম্পন্ন হলো ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠান।
বুধবার (১০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলী এবং গতিশীল জনসংযোগ (পিআর) বিভাগের ব্যবস্থাপনায় এ সৌহার্দ্যপূর্ণ আড্ডার আয়োজন করা হয়।
রূপনগর ক্যাম্পাসের বিল্ডিং-২ এর ১০ম তলার মিটিং রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপাচার্যসহ বিইউবিটির রেজিস্ট্রার এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের মর্যাদা ও গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দেন।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল ক্যাম্পাস সাংবাদিক এবং বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক প্রাণবন্ত আলোচনা। উপস্থিত সাংবাদিকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষা, উন্নত গবেষণা ও সমসাময়িক শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গঠনমূলক বিষয়ে তাদের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
মতবিনিময়কালে উপস্থিত সাংবাদিকরা উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিইউবিটির সামগ্রিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে, সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক সাফল্য, ইনোভেশন (উদ্ভাবন) এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও গবেষণার ক্ষেত্রে যে যুগান্তকারী ও দৃশ্যমান অগ্রগতি সাধন করেছে তা মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের আলোচনায় বিশেষভাবে আলোকপাত করা হয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা একমত পোষণ করেন যে, মানসম্মত শিক্ষা ও নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে বিইউবিটি বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলী উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রায় এবং তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আমাদের প্রিয় দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং ক্যাম্পাস সাংবাদিকতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে বিইউবিটির জনসংযোগ টিম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে পিআর বিভাগের উপ-পরিচালক জিনাত জোয়ার্দার রিপা আমন্ত্রিত সব অতিথিদের ধন্যবাদ জানান এবং উল্লেখ করেন যে, সবার সক্রিয় অংশগ্রহণই পুরো আয়োজনটিকে অর্থপূর্ণ এবং দারুণভাবে সাফল্যমণ্ডিত করে তুলেছে।