মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

শীতকালে ফ্রিজের তাপমাত্রা কত রাখবেন?

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

শীতের সময় বাইরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় রেফ্রিজারেটরও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঠান্ডা হয়ে থাকে। অনেকেই গ্রীষ্মে যেমন সেটিং রাখেন, শীতেও সেইভাবেই ফ্রিজ চালান।

কিন্তু এতে খাবার অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে, এমনকি জমেও যেতে পারে। শুধু তাই নয়, ভুল তাপমাত্রা সেটিংয়ের কারণে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎও খরচ হয়। তাই শীতের জন্য ফ্রিজের সঠিক তাপমাত্রা সেট করা খুব জরুরি।

শীতে কোন তাপমাত্রা সবচেয়ে উপযুক্ত?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা ২–৩ ডিগ্রি অথবা ৩–৪ ডিগ্রি রাখা সবচেয়ে ভালো। এতে খাবার অনেকক্ষণ তাজা থাকে ও অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে জমে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। এ ছাড়া বিদ্যুতের অপচয়ও হয় না।

আধুনিক রেফ্রিজারেটরে সাধারণত ১ থেকে ৭ পর্যন্ত একটি ডায়াল বা ডিজিটাল কন্ট্রোল থাকে। সংখ্যাটি যত বড় হবে, ঠান্ডা তত বেশি হবে।

গ্রীষ্মে সাধারণত ৪ বা ৫-এ রাখতে হয়, কিন্তু শীতে ২ বা ৩ নম্বর সেট করাই যথেষ্ট। ডিজিটাল ফ্রিজ হলে সরাসরি ৩-৪°C-এ সেট করতে পারবেন।

কেন শীতে কম কুলিং সেটিং দরকার?

শীতে আশেপাশের তাপমাত্রাই কম থাকে। ফলে,

- ফ্রিজের কম্প্রেসার কম কাজ করে

- খাবার অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমে

- বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়

- ফ্রিজের ওপর চাপ কম পড়ায় এর আয়ুও বাড়ে

ফ্রিজের ভালো রাখার অতিরিক্ত টিপস

শুধু তাপমাত্রা ঠিক রাখলেই হবে না, আরও কিছু ছোট অভ্যাস রেফ্রিজারেটরের পারফরম্যান্স ভালো রাখে। সপ্তাহে কয়েক ঘণ্টা ফ্রিজ বন্ধ রাখা দরকার, এতে কম্প্রেসার রিল্যাক্স করার সুযোগ পায়, ফলে ফ্রিজ আরও কার্যকরভাবে কাজ করে।

ডিফ্রস্ট করা

সিঙ্গেল-ডোর বা ডাইরেক্ট-কুলড রেফ্রিজারেটরে প্রতি ১৫–২০ দিনে ডিফ্রস্ট করা জরুরি। বরফ জমে থাকলে ঠান্ডা স্বাভাবিকভাবে ছড়াতে পারে না, তাই ফ্রিজ অকারণে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে।

সঠিক লোড বজায় রাখা

ফ্রিজে অতিরিক্ত জিনিস রাখলে বায়ু চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। আবার খুব ফাঁকা থাকলেও ঠান্ডা ধরে রাখতে বেশি শক্তি লাগে। মাঝারি পরিমাণে জিনিস রাখা সবচেয়ে ভালো।

দরজা কম খোলা

বারবার দরজা খুললে ঠান্ডা বেরিয়ে যায় এবং কম্প্রেসার বেশি কাজ করতে হয়। এতে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়।

শীতকালে ফ্রিজের কুলিং সেটিং সামান্য কমিয়ে, মাঝে মাঝে ডিফ্রস্ট করে এবং সপ্তাহে খানিক সময় বন্ধ রাখলে রেফ্রিজারেটর অনেক বেশি দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে। খাবারও থাকে তাজা, বিদ্যুৎও সাশ্রয় হয় এবং ফ্রিজের আয়ুও বেড়ে যায়।

সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৩৪ তলার ফ্ল্যাট কেনার পর জানতে পারলেন ভবনটিই ৩২ তলা

চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্প

পদত্যাগী মন্ত্রীর বাসায় খিচুড়ি, প্রতিমন্ত্রীর সভা শেষে বিরিয়ানি দিয়ে আপ্যায়ন

বাজেটে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : মির্জা ফখরুল 

মৌচাকে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল খুন

মহানগর যুবদল নেতা বহিষ্কার

নুরজাহান বেগমের মৃত্যু : সমাজের এক নির্মম আয়না

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতা সোহেল রানাকে স্থায়ী বহিষ্কার 

পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হলেন প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান

তনু হত্যা  / ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ ২ আসামির বিরুদ্ধে 

১০

নাগরিকসেবায় অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

১১

হোয়াটসঅ্যাপে ইসরায়েলের সাইবার হামলা, মামলা করবে মেটা

১২

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

১৩

আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ট্রেনিং সেন্টার / ৬ দিনব্যাপী ফাউন্ডেশন কোর্সের দ্বিতীয় পর্ব শুরু

১৪

এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী

১৫

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য : হালাল পণ্যে বড় সম্ভাবনা

১৬

ছেলের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা

১৭

মুক্তির আগেই সাফল্যের দুয়ারে ‘ককটেল ২’

১৮

ইসরায়েলে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেনি যুক্তরাষ্ট্র

১৯

নারী-পুরুষের বৈষম্য কমিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার : মঈন খান

২০
X