কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

শীতকালে ফ্রিজের তাপমাত্রা কত রাখবেন?

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

শীতের সময় বাইরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় রেফ্রিজারেটরও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঠান্ডা হয়ে থাকে। অনেকেই গ্রীষ্মে যেমন সেটিং রাখেন, শীতেও সেইভাবেই ফ্রিজ চালান।

কিন্তু এতে খাবার অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে, এমনকি জমেও যেতে পারে। শুধু তাই নয়, ভুল তাপমাত্রা সেটিংয়ের কারণে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎও খরচ হয়। তাই শীতের জন্য ফ্রিজের সঠিক তাপমাত্রা সেট করা খুব জরুরি।

শীতে কোন তাপমাত্রা সবচেয়ে উপযুক্ত?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা ২–৩ ডিগ্রি অথবা ৩–৪ ডিগ্রি রাখা সবচেয়ে ভালো। এতে খাবার অনেকক্ষণ তাজা থাকে ও অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে জমে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। এ ছাড়া বিদ্যুতের অপচয়ও হয় না।

আধুনিক রেফ্রিজারেটরে সাধারণত ১ থেকে ৭ পর্যন্ত একটি ডায়াল বা ডিজিটাল কন্ট্রোল থাকে। সংখ্যাটি যত বড় হবে, ঠান্ডা তত বেশি হবে।

গ্রীষ্মে সাধারণত ৪ বা ৫-এ রাখতে হয়, কিন্তু শীতে ২ বা ৩ নম্বর সেট করাই যথেষ্ট। ডিজিটাল ফ্রিজ হলে সরাসরি ৩-৪°C-এ সেট করতে পারবেন।

কেন শীতে কম কুলিং সেটিং দরকার?

শীতে আশেপাশের তাপমাত্রাই কম থাকে। ফলে,

- ফ্রিজের কম্প্রেসার কম কাজ করে

- খাবার অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমে

- বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়

- ফ্রিজের ওপর চাপ কম পড়ায় এর আয়ুও বাড়ে

ফ্রিজের ভালো রাখার অতিরিক্ত টিপস

শুধু তাপমাত্রা ঠিক রাখলেই হবে না, আরও কিছু ছোট অভ্যাস রেফ্রিজারেটরের পারফরম্যান্স ভালো রাখে। সপ্তাহে কয়েক ঘণ্টা ফ্রিজ বন্ধ রাখা দরকার, এতে কম্প্রেসার রিল্যাক্স করার সুযোগ পায়, ফলে ফ্রিজ আরও কার্যকরভাবে কাজ করে।

ডিফ্রস্ট করা

সিঙ্গেল-ডোর বা ডাইরেক্ট-কুলড রেফ্রিজারেটরে প্রতি ১৫–২০ দিনে ডিফ্রস্ট করা জরুরি। বরফ জমে থাকলে ঠান্ডা স্বাভাবিকভাবে ছড়াতে পারে না, তাই ফ্রিজ অকারণে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে।

সঠিক লোড বজায় রাখা

ফ্রিজে অতিরিক্ত জিনিস রাখলে বায়ু চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। আবার খুব ফাঁকা থাকলেও ঠান্ডা ধরে রাখতে বেশি শক্তি লাগে। মাঝারি পরিমাণে জিনিস রাখা সবচেয়ে ভালো।

দরজা কম খোলা

বারবার দরজা খুললে ঠান্ডা বেরিয়ে যায় এবং কম্প্রেসার বেশি কাজ করতে হয়। এতে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়।

শীতকালে ফ্রিজের কুলিং সেটিং সামান্য কমিয়ে, মাঝে মাঝে ডিফ্রস্ট করে এবং সপ্তাহে খানিক সময় বন্ধ রাখলে রেফ্রিজারেটর অনেক বেশি দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে। খাবারও থাকে তাজা, বিদ্যুৎও সাশ্রয় হয় এবং ফ্রিজের আয়ুও বেড়ে যায়।

সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশ ইস্যুতে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বর্জনের বিপক্ষে ওয়াসিম আকরাম

জবিতে এআই ও বিজনেস ইনকিউবেশন ফাইনাল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

অক্সফোর্ডের গবেষণা / তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

ইসরায়েলি হামলায় টিভি উপস্থাপক নিহত

তিন রুটে ৭ ঘণ্টা ধরে বন্ধ ট্রেন চলাচল, শিডিউল বিপর্যয়ে ভোগান্তি

সাদ্দামের মায়ের প্রশ্ন, ‘এই জামিন দিয়ে কী হবে’

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটে ৯২ শতাংশ ফেল

বিশ্বকাপ ইস্যুতে পাকিস্তানের বড় সিদ্ধান্ত, শতকোটি টাকা ক্ষতির মুখে আইসিসি!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডাক পেতে পারে বাংলাদেশ!

তারেক রহমানের জনসভাস্থলে নিরাপত্তা জোরদার

১০

দাম বৃদ্ধির পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু

১১

এবার নির্বাচনের জন্য টাকা চাইলেন জোনায়েদ সাকি

১২

আপনি কি জাজমেন্টাল? জেনে নিন

১৩

বাংলাদেশিসহ ৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিল স্পেন

১৪

বিএনপিতে যোগ দিলেন পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী

১৫

নির্বাচনে কতদিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা 

১৬

আ.লীগের আমরা আগে বন্ধু ছিলাম, এখনো আছি : জাপা প্রার্থী 

১৭

বিদেশি বিনিয়োগ আনলে মিলবে নগদ প্রণোদনা

১৮

২২ বছর পর আজ ময়মনসিংহে যাচ্ছেন তারেক রহমান

১৯

ইন্টারভিউয়ের প্রথম ১০ সেকেন্ডে যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন

২০
X