কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৫, ০১:৪৬ পিএম
আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২৫, ০১:৫৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে হবে গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের কাজ 

গণভবন। ছবি : সংগৃহীত
গণভবন। ছবি : সংগৃহীত

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের স্মৃতি তুলে ধরবে সরকার। শহীদদের স্মারক এবং বিগত সরকারের নিপীড়নের বিভিন্ন ঘটনা জনগণের সামনে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় এ বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে জাদুঘর রূপান্তরের কাজ শেষ করতে ‘সিভিল’ এবং ‘ই/এম’ অংশের নির্মাণ ও সংস্কার কার্যক্রম সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সম্পন্ন করার অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি। এই কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১১ কোটি ১৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অনুমোদিত হয়। আগামী ৫ আগস্ট এই জাদুঘরের উদ্বোধন করা হতে পারে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাদুঘরের ই/এম অংশের নির্মাণ বা সংস্কার কাজ শেষ করা সম্ভব নয় বলে এটি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মেসার্স শুভ্রা ট্রেডার্স-কে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গণপূর্ত বিভাগ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ কোটি ৮২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

জাদুঘরের ‘ই/এম’ অংশ বলতে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল উপাদান বোঝানো হয়, যার মধ্যে ইলেকট্রিক তার, সুইচসহ নানা ধরনের বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, ‘সিভিল’ অংশ বলতে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ব্যতীত অবশিষ্ট নির্মাণ কাঠামো বোঝায়। ফলে ‘ই/এম’ ও ‘সিভিল’- এই দুই অংশ মিলিয়ে জাদুঘরের পুরো কাঠামোই অন্তর্ভুক্ত হয়।

জাদুঘরের ই/এম অংশ নির্মাণ বা সংস্কার কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার জন্য বৈঠকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি তা অনুমোদন দিয়েছে।

বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আরেকটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে জাদুঘরের সিভিল অংশের কাজও সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘দি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড’-কে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গণপূর্ত বিভাগ এই সিদ্ধান্ত নেয়। এ কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০ কোটি ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে বাংলাদেশের একজন

অজুর পর প্রস্রাবের ফোঁটা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন

আসিফ মাহমুদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে : নাছির

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে আসিফ-নাহিদ

মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ জাপা নেতা রাঙ্গার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা 

বগুড়া-১ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যিনি

রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে নগর সরকার অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব 

পার্লামেন্ট ভেঙে নির্বাচনের ঘোষণা জাপানের

বাংলাদেশ ইস্যুতে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বয়কট নিয়ে ‘চাঞ্চল্যকর’ তথ্য

নির্বাচনী দায়িত্বে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, থাকছে সিসিটিভি-বডি ক্যামেরা

১০

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরের আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন

১১

ভারতে না খেলে বিপিএলে!

১২

খালেদা জিয়ার বার্তা জাতিকে ঐক্যের পথে ডাকে : জোনায়েদ সাকি

১৩

বক্তব্য দেওয়ার সময় জেলা জামায়াত আমিরের মৃত্যু

১৪

ছোটবেলায় অনেক পাজি ছিলেন, কেয়া পায়েলকে নিয়ে ভক্তের মন্তব্য

১৫

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অ্যাম্বুলেন্সে ভয়াবহ আগুন

১৬

বিসিবিকে কি সময় বেঁধে দিয়েছে আইসিসি, জানা গেল আসল তথ্য

১৭

পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন অর্থ উপদেষ্টা

১৮

তারেক রহমান সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়বেন : হাবিব 

১৯

রাজনীতি হওয়া উচিত দেশের মানুষের জন্য : তারেক রহমান

২০
X