

অধ্যাপক মো. সায়েদুর রহমানকে আবারও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী হিসেবে (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায়) তাকে ফের নিয়োগ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বিশেষ সহকারী পদে থাকাকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সায়েদুর রহমান সম্প্রতি পদত্যাগপত্র জমা দিলে গত ৩০ ডিসেম্বর তা গৃহীত হয়। পদত্যাগের পর আবার কেন একই পদে নিয়োগ দেওয়া হলো বা তিনি কেন ফিরলেন এমন প্রশ্ন উঠেছে।
তবে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান। বিবিসি বাংলাকে তিনি জানিয়েছেন, চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় পদত্যাগ করেছিলেন।
বিবিসি বাংলাকে সায়েদুর রহমান বলেন, ‘রিটায়ারমেন্ট প্রসেসের অংশ হিসেবে এটা করতে হয়েছে। আবার একই পদে নিযুক্ত হয়ে একই দায়িত্ব পালন করব। সবার দোয়া এবং সহযোগিতা চাই।’
বুধবার সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘আজ আমার চাকরিজীবনের শেষ দিন।
অবসর গ্রহণের নিমিত্তে বিশেষ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চেয়ে প্রদত্ত আমার পদত্যাগপত্র গতকাল গৃহীত হয়েছে।’
গত বছরের নভেম্বরে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তিনজনকে বিশেষ সহকারী নিয়োগ দিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এই তিন বিশেষ সহকারী স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাদের সহযোগিতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এ জন্য তাদের ওই সব মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল।
এর মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খোদা বকশ চৌধুরী।
গত ২৪ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলামও কয়েক মাস আগেই পদত্যাগ করেন।
আর স্বাস্থ্যের দায়িত্ব পাওয়া বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সায়েদুর রহমান সম্প্রতি পদত্যাগপত্র জমা দিলে গত ৩০ ডিসেম্বর তা গৃহীত হয়।
মন্তব্য করুন