কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৪, ০১:৪২ এএম
অনলাইন সংস্করণ

‘শহীদ আসাদ গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরোনো ছবি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরোনো ছবি

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদ আসাদ এ দেশের গণতন্ত্রপ্রেমী, মুক্তিকামী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন, তাদের অবদান আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। আমি মনে করি, শহীদের আত্মত্যাগ কখনও বৃথা যাবে না।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এই দিনটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৬৯ সালের এদিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় চলমান মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ছাত্র মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে নিহত হন। এভাবে আরও অনেক প্রাণ ঝড়ে যায় এবং আহত হন।

তিনি বলেন, পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যমূলক আচরণ, নির্যাতন এবং দমন-পীড়নে বাংলার মানুষ যখন দিশেহারা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ছয়-দফা তখন বাঙালির মুক্তির দিশারী হিসেবে আবির্ভূত হয়। ছয়-দফা হয়ে ওঠে বাঙালির প্রাণের দাবি।

শেখ হাসিনা বলেন, ছয়-দফার পক্ষে প্রবল জনমতের জোয়ার দেখে আতঙ্কিত সামরিক জান্তা আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে, যা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে সমধিক পরিচিত। বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঘোষিত ছয়-দফা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পরিণত হন নিপীড়িত ও নির্যাতিত বাঙালির মুক্তির মূর্ত প্রতীকে।

তিনি বলেন, কারাগারে আটক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মুক্তির দাবিতে গর্জে উঠে সারা বাংলার মানুষ। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় ছাত্র-জনতার চলমান মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে আসাদুজ্জামান শহীদ হন এবং অনেকে আহত হন। শহীদ আসাদের এই আত্মত্যাগ চলমান আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণিপেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে। সেদিনের সেই আন্দোলন পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। জনতার কঠিন রুদ্ররোষ ও গণআন্দোলনের চাপের মুখে পাকিস্তানি স্বৈরসরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের।

তিনি শহীদ আসাদসহ বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে বৈঠক শেষ, এলো নতুন সিদ্ধান্ত

বকুলের হাতে জিম্মি শৈলকুপা হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স সেবা

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য প্রায় দেড় কোটি ইউরো সহায়তার ঘোষণা ইইউ’র

ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু : হাসপাতালের বিরুদ্ধে মামলা

প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের ২৭% নগদ লভ্যাংশ এবং ৩% বোনাস শেয়ার ঘোষণা

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরকে নিয়ে সংসদে বক্তব্য, এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

রোনালদোদের গ্যালারিজুড়ে ‘মেসি, মেসি’ গর্জন!

ব্যারিস্টার সুমনের দুই মামলার জামিন স্থগিত

কক্সবাজারে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার অভিনেতা জোভান

দক্ষিণ কোরিয়া দলের ক্যাম্পের কাছে সন্দেহজনক ড্রোন 

১০

চুক্তি না মানলে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১১

হত্যার শিকার শিশু নন্দিনীর পরিবারের পাশে ত্রাণমন্ত্রী

১২

উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে যমুনা সেতু ও সাসেক-২ প্রকল্পে সেতু সচিব

১৩

ইউনুস-নুরজাহানের বিচার চেয়ে নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল; ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪

১৪

উচ্চশিক্ষার সুযোগ, ‘ইউরোপ অ্যাপ্লিকেশন ডে’ শুরু

১৫

সৌদিতে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যু

১৬

৩০ মামলার আসামি কালা মাসুদ গ্রেপ্তার

১৭

আইসিএবি কফি টেবল বুক : লিগ্যাসি ইন মোশনের মোড়ক উন্মোচন

১৮

সিএমএইচ থেকে বাসায় ফিরলেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১৯

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

২০
X