কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৪, ০৫:২৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘ড. ইউনূস আসামি, উনি এভাবে কথা বলতে পারেন না’

দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। ছবি : সংগৃহীত
দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। ছবি : সংগৃহীত

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। আইনের চোখে উনি অন্য ১০ জনের মতোই। তাই এভাবে তিনি কথা বলতে পারেন না।

বুধবার (১২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

দুদক আইনজীবী বলেন, ড. ইউনূসকে কেউ হয়রানি করছে না। তিনি তার কাজের জন্য বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন।

এর আগে, গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এরপর লোহার খাঁচার (কাঠগড়া) ভেতর দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান ইউনূস।

তিনি বলেন, অনেক হয়রানির মধ্যে আছি। আমরা সবাই মিলে আজ সারাক্ষণ খাঁচার মধ্যে ছিলাম। আদালতে শুনানি চলাকালে একজন নিরপরাধ নাগরিক একটি লোহার খাঁচার (কাঠগড়া) ভেতর গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়টি অত্যন্ত অপমানজনক।

ড. ইউনূসের মামলার প্রসঙ্গে দুদক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল বলেছেন, দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ আসামির সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। সর্বনিম্ন ১০ বছরের সাজা হতে পারে।

তিনি বলেন, এ ছাড়া মানি লন্ডারিংয়ের যে ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে, সেই ধারার অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১২ বছর এবং সর্বনিম্ন চার বছরের সাজা হবে। অন্যান্য ধারায়ও শাস্তির বিধান রয়েছে। এ বিষয়টি সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে, মামলা নিস্পত্তির পর আদালত পর্যালোচনা করবেন।

এদিকে ড. ইউনূসের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, হয়রানি করার উদ্দেশে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ গঠনের মতো কোনো উপাদান ছিল না মামলায়। আমরা এ অভিযোগ গঠন আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একদলীয় শাসনের চেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না : জামায়াত আমির

৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালিতে ফি মওকুফ করল ইরান  

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে পুলিশের ‘জরুরি বার্তা’

শাকিবের বাড়িতে গিয়ে ‘অস্বস্তিতে’ পড়েছিলেন মিষ্টি জান্নাত!

পবিত্র কাবার গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার চট্টগ্রামের মুখতার আলম

নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টসে বয়লার বিস্ফোরণ, আহত ১৫

রেনশো ঝড়ে বাংলাদেশকে বড় লক্ষ্য দিল অস্ট্রেলিয়া

২০১৮ সালে বিএনপি নেতাকে হামলার দায়ে আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ইউনিয়নের পর এবার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের নামে স্কুল নামকরণের প্রস্তাব

অন্ধকারের দরজা ভিপিএন : অপব্যবহার যেভাবে বিষিয়ে তুলছে সমাজ ও রাষ্ট্রকে

১০

সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা স্থগিত 

১১

ব্রাজিল নাকি হাইতি জিতবে কারা, জানাল সুপার কম্পিউটার

১২

খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, আটক ৪৯

১৩

সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে, বলেছিলেন পরীমণি

১৪

সবার আগে বিশ্বকাপের নকআউটে মেক্সিকো

১৫

সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ঝরল আরও ২ শিশুর প্রাণ

১৬

বাউফলে বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার চুরির হিড়িক

১৭

পাকিস্তানে হামলার দাবি আফগানিস্তানের

১৮

সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ

১৯

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী

২০
X