

বাংলাদেশের পর আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গুঞ্জন উঠছে, বাংলাদেশকে অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়ায় বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি তো সরাসরি ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছেন যে, সরকার চাইলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান।
শুধু তাই নয়? আজ দল ঘোষণার পর পিসিবির হাই পারফরম্যান্স ডিরেক্টর ও পুরুষ জাতীয় দলের নির্বাচক কমিটির সদস্য আকিভ জাভেদও এই ইঙ্গিত দিয়ে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন।
এর মধ্যেই আবার পাকিস্তান প্রসঙ্গে নতুন খবর দিল জিও সুপার। দেশটির সংবাদমাধ্যমটির দাবি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাতেই বৈঠকে বসবেন পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভি। সূত্রটি জানিয়েছে, বৈঠকে তিনি ক্রিকেটারদের সঙ্গে দলীয় কৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন এবং টুর্নামেন্টের জন্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন।
এমন খবরের পর থেকেই দেশটির ক্রীড়ামোদীদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ আরও বহুগুণে বেড়ে গেছে। কেননা, এর আগে বাংলাদেশও ক্রিকেটারদের নিয়ে শেষবারের মতো বৈঠকে বসেছিল। ক্রিকেটার, বোর্ড কর্মকর্তা এবং ক্রীড়া উপদেষ্টার সেই বৈঠকের পরই যে ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ না খেলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। পাকিস্তান ক্রিকেটেও কী তাহলে এমন কিছু হতে চলেছে? তা নিয়েও জল্পনা-কল্পনার অন্ত নেই।
কেননা, বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে নেওয়ার পরই প্রতিবাদ করেন নাকভি। বাংলাদেশকে নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্তে পাকিস্তানের অবস্থান কী হবে– এমন প্রশ্নের জবাবে নাকভি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী (শেহবাজ শরিফ) এই মুহূর্তে দেশে নেই। তিনি দেশে ফিরলে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাব। বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। আমি আইসিসির বোর্ড সভাতেও একই কথা বলেছি। এমন হতে পারে না যে, এক দেশের জন্য একরকম সিদ্ধান্ত হবে আর অন্য দেশের জন্য সম্পূর্ণ উল্টো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘এ’ গ্রুপে আছে পাকিস্তান। গ্রুপে সালমান আলী আগাদের সঙ্গী ভারত, নামিবিয়া, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে খেলতে নামবে আফ্রিদি-বাবররা।
মন্তব্য করুন