কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ন্যূনতম ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় সনদ চায় জেএসডি

জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জেএসডির নেতারা। ছবি : কালবেলা
জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জেএসডির নেতারা। ছবি : কালবেলা

রাজনৈতিক দলগুলোর ন্যূনতম ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় সনদ করা দরকার বলে মনে করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি। দলটির দাবি, এই সনদ আগামী প্রজন্মের জন্য দলিল হিসেবে কাজ করবে।

রোববার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।

স্বপনের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন- দলের কেন্দ্রীয় নেতা তানিয়া রব, সিরাজ মিয়া, সানোয়ার হোসেন তালুকদার, কেএম জাবির, তৌহিদ হোসেন, কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, হেলালুজ্জামান। অন্যদিকে ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বে আলোচনায় কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখারুজ্জামানসহ অন্যরা অংশ নেন।

জেএসডি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬টি প্রস্তাবের মধ্যে ১১৯টিতে একমত, ১৭টিতে দ্বিমত, ২৭টিতে আংশিকভাবে একমত এবং ৩টিতে মতামত নেই বলে লিখিতভাবে জানিয়েছে।

সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে পুরোনো ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার শঙ্কা থাকবে জানিয়ে শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, বিদ্যমান রাজনৈতিক বন্দোবস্তের ওপর দাঁড়িয়ে নতুন রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা সম্ভব নয়। শাসন ব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার অনিবার্য। ফ্যাসিবাদী শাসক ফ্যাসিবাদী শাসনের মধ্যদিয়ে মানুষের সব অধিকার হরণ, জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন, আয়নাঘর প্রতিষ্ঠাসহ রাষ্ট্রের সব কাঠামোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রের সব কাঠামো ভেঙে পড়েছে। এ বিদ্যমান ব্যবস্থার ওপর দাঁড়িয়ে এটিকে পুনর্বিন্যাস করা ছাড়া নতুন ক্ষমতায়নের দিকে গেলে পুরোনো ব্যবস্থা ফিরে আসার আশঙ্কা থাকবে।

জাতীয় সনদ তৈরির উদ্যোগকে যৌক্তিক ও কার্যকর মন্তব্য করে তিনি বলেন, জাতীয় সনদ তৈরির জন্য যে কাজগুলো হয়েছে; তা আজ, আগামীকাল ও প্রজন্মের জন্য ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। আমরা যেটুকু ঐকমত্য তৈরি করব, সেটি হবেই। কিন্তু আগামী প্রজন্ম রাষ্ট্রকে পুনর্নির্মাণ করার জন্য নতুন ধারণা তৈরি করার ক্ষেত্রে সহায়তা নিতে পারবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক অনুষ্ঠিত

পল্লবীতে শহীদ মিরাজ ও শুভর পরিবারের পাশে আমিনুল হক

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, শতাধিক কর্মকর্তাকে হত্যা

‘হলফনামা ঠিকমতো যাচাই হলে শেখ হাসিনার প্রার্থিতা বাতিল হতো’

গোল্ডেন গ্লোবসের মনোনয়ন ঘোষণা

গণভোটের ব্যাপক প্রচারণা চালাতে নানা পদক্ষেপ ইসির

গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচারণা চালাবে সরকার : প্রেস সচিব

৫৭ জনকে নিয়োগে দেবে বিমান বাংলাদেশ

এইচএসসি পাসেই চাকরি দিচ্ছে লাজ ফার্মা

মনোনয়ন বৈধ হওয়ার খবরে যা বলেলন মান্না

১০

মিনিস্টার গ্রুপের কর্মকর্তার মৃত্যুতে ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন নয় : হাইকোর্টের রুল

১১

জোহরান মামদানির ওপর চড়াও ভারত সরকার

১২

বহিষ্কৃত ৮ নেতাকে ফেরাল বিএনপি

১৩

ফসলি জমি কেটে খাল খনন

১৪

ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য যেসব খাবার খাবেন

১৫

বিএনপির এক নেতা বহিষ্কার

১৬

শান্ত-ওয়াসিমের ব্যাটে রাজশাহীর কাছে পাত্তাই পেল না রংপুর

১৭

পরিবারসহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পালানোর গুঞ্জন, বিক্ষোভে নতুন মাত্রা

১৮

সরকার কোনো দলকে বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে না : প্রেস সচিব

১৯

বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ইসরায়েলে হাই অ্যালার্ট জারি

২০
X