

নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখা এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রে একটি সুবিধাভোগী গোষ্ঠী আছে, যারা নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে চায়। ভণ্ডুল করতে চায়। তাদের হাতে কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না। আমাদের আরও আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকা উচিত। দেশের সার্বজনীন স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে এবং কোনো প্রার্থী বা দলের ক্ষুদ্র স্বার্থে উত্তেজনা সৃষ্টি করা উচিত নয়।’
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকা-১০ আসনে নির্বাচনী প্রচারণাকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রবিউল আলম বলেন, ‘আমি ৩৩ বছর ধরে এই এলাকায় রাজনীতি করছি। সেই কারণে জনগণ আমাকে তাদের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে বেছে নিয়েছে। ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার দায়িত্ব জনগণ নিজেই নিয়েছে। তারা উৎসাহিত, সরব, সোচ্চার এবং নিজেরা প্রচারণায় অংশ নিচ্ছে। দল-মত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরে জনগণের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া থাকবে। জনগণের সমস্যা আমার সমস্যা। এভাবে দীর্ঘদিনের আন্ডারস্ট্যান্ডিং তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ মনে করে, তারা কোনো নেতা নয়, বরং তাদের পাশে একজন মানুষ পেয়েছে। যিনি তাদের বুঝতে পারেন।’
নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে রবি বলেন, ‘আমি পার্টিসিপেশন চাই, নারী-পুরুষ সবাইকে। তাদের অভিপ্রায় ব্যক্ত করার সুযোগ থাকা উচিত। রাজনীতিবিদরা জনগণের চিন্তাভাবনা গ্রহণ করবে। এটাই জবাবদিহিতা এবং দায়িত্বপ্রমাণ।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ ঠিক রাখতে আমাদের দায়িত্ব আছে। আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। দেশে সব অঞ্চলে রাজনৈতিক দলেরও সচেতন থাকা উচিত। এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ, বিচ্ছিন্ন ঘটনা সীমিত।’
রবিউল আলম রবি বলেন, ‘আমরা জনগণকে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিতে চাই। জনগণ যে রায় দেবে, তা গ্রহণযোগ্য। বিজয়ীকে অভিনন্দন, পরাজিত প্রার্থী আগামীতে আরও শক্তিশালী হয়ে আসবেন। জনগণ ভালো অপশন বেছে নেবে। এটাই গণতান্ত্রিক ধারা। এটি প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।’
মন্তব্য করুন