কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৫, ১১:২৩ এএম
অনলাইন সংস্করণ

‘জামায়াত-শিবিরকে কাজে লাগানো শেষ’

মো. রাশেদ খাঁন। পুরোনো ছবি
মো. রাশেদ খাঁন। পুরোনো ছবি

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের জন্য আন্দোলন সফল হওয়ার পরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা জামায়াত-শিবিরের তকমা থেকে বের হতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন। জামায়াত-শিবিরকে কাজে লাগানো শেষে এখন তাদেরকে পাকিস্তানপন্থি বলে চালিয়ে দাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (১২ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

পোস্টে তিনি লেখেন, আ.লীগ নিষিদ্ধের কর্মসূচিতে যমুনা বা শাহবাগ ঘেরাওয়ে সর্বশক্তি নিয়ে উপস্থিত ছিল জামায়াত-শিবির। জাশি ও এনসিপির নেতাদের একসঙ্গে বসে ও দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। অন্যান্য ইসলামিক দলেরও ভালো সাপোর্ট ছিল। আমার ধারণা যমুনা ও শাহবাগে ঘেরাওয়ে ৬০ শতাংশ বিভিন্ন ইসলামিক দলের নেতাকর্মী ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল। আরও বেশিও হতে পারে। মূলত তারা উপস্থিত না হলে আন্দোলনটা জমতো না।

তিনি লেখেন, তবে আন্দোলন আংশিক সফল হওয়ার পরে কেন যেন এনসিপির নেতারা জামায়াত-শিবিরের তকমা থেকে বের হতে চাচ্ছে। কিন্তু সরাসরি এনসিপির কমিটিতেই শিবিরের বেশসংখ্যক নেতা আছে। যারা বিরুদ্ধে বলছে, তাদের কেউ কেউ শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিল। যাই হোক, এখন রাজনীতি করতে গেলে তাদের প্রগতিশীল হয়ে উঠতেই হবে!

তিনি আরও লেখেন, কোনো কোনো মহল থেকে অভিযোগ আসছে, শাহবাগের প্রতিশোধ নিয়েছে জামায়াত শিবির! আমি সেভাবে বলতে চাইনা, কারণ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের জোরালো দাবি জনগণের পক্ষ থেকে আছে। তাদের প্রশ্ন, যমুনার আন্দোলন কেন শাহবাগে গেলো?!

পোস্টের সবশেষে রাশেদ লেখেন, জামায়াত-শিবিরকে কাজে লাগানো শেষ, এখন তাদেরকে পাকিস্তানপন্থি বলে চালিয়ে দাও... এবারের ঘটনা থেকে জাশির যদি ন্যূনতম শিক্ষা হয়, তবে ডাক দিলেই আর আগের মত দৌড় দিবে না। আর যদি তারা মনে করে, চড় মেরে ক্ষমা চাইলেও সব ক্ষমা করে দেওয়া যায়, তবে আবার ডাক আসলে, তারা আবার জনশক্তি নিয়ে হাজির হয়ে যাবে! আর যদি তাদের রাজনীতির উদ্দেশ্যই হয়, অন্যের আহ্বানে জনশক্তি সরবরাহ করা। তবে এক্ষেত্রে আমার কোন মন্তব্য নেই।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এনসিপির ২ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

কাশ্মীরে বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২৪, অচল জনজীবন

অস্ট্রিয়া ম্যাচের আগে আরেকটি দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা

চার জেলায় বন্যার আভাস

পারমাণবিক অস্ত্রের পথ ছিল ওবামার ইরান চুক্তি

সুস্থ থাকতে যোগব্যায়ামকে অভ্যাসে পরিণত করা উচিত: সিসিক প্রশাসক

ধর্মীয় অবমাননা ঠেকাতে জগন্নাথ হল সংসদের ৬ দাবি

যুদ্ধবিরতির পরও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১৬

‘এবারের বাজেট জনবান্ধব, নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি’

২ ম্যাচ শেষেই নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে ব্রাজিলের ৩ খেলোয়াড়!

১০

বেতন বাড়ছে সরকারি চাকরিজীবীদের, আরও যেসব সুবিধা পাবেন

১১

জামায়াত নেতাকর্মীদের সমাজের কল্যাণে বিলিয়ে দিতে হবে: ডা. তাহের

১২

আমি বস হতে চাইনি, শুধু মজা করেছিলাম: ট্রাম্প

১৩

ফাঁকা বাসায় শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবেশী সুমন গ্রেপ্তার

১৪

বিএনপির তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আ.লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি : মির্জা ফখরুল

১৫

চাঁদপুর জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

১৬

বাবার লাশ দাফনে সন্তানদের বাধা

১৭

ইসরায়েলকে লেবাননে হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে বাধ্য করতে হবে: ইরান

১৮

বাজেটে চামুদরিয়া ওয়াই টাইপ সেতু বরাদ্দের জোর দাবি

১৯

সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি দিদার, সম্পাদক ডালিম

২০
X