বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। পরে রাতেই আবার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় ফেরেন তিনি।
পরে ফিরোজার সামনে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ম্যাডামের মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে জরুরি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, আবার বাসায় ফিরে এসেছেন তিনি। মানসিক ও শারীরিকভাবে তিনি স্থিতিশীল আছেন।
এ সময় বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন, শায়রুল কবির খান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম জাহাঙ্গীর, মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দিন জুয়েল, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রাত ৭টা ৪০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে রওনা হয়ে রাত ৮টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেন খালেদা জিয়া। সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাত ১১টায় বাসার উদ্দেশে রওনা হয়ে রাত পৌনে ১২টার দিকে বাসায় পৌঁছান তিনি।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন। এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ডের অধীনে খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন আছেন।
সর্বশেষ গত ২৩ জুলাই রাতে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে শারীরিক কিছু জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান খালেদা জিয়া। পরে রাতেই আবার বাসায় ফেরেন তিনি।
চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন। টানা ১৭ দিন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৫ জানুয়ারি বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসায় যান তিনি। দীর্ঘ চার মাস পর দুই পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শামিলা রহমানসহ গত ৬ মে লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন খালেদা জিয়া।
মন্তব্য করুন