কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৬, ১০:১৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক হলেন আব্দুল আওয়াল

ড. এস এম আব্দুল আওয়াল। ছবি : সংগৃহীত
ড. এস এম আব্দুল আওয়াল। ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যবিষয়ক (এসডিজি) মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ভিসি ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়ালকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

রোববার (১৫ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ৮টা ১৯ মিনিটে বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়ালকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে যেটি আগে ঘটে, ততদিন পর্যন্ত সরকারের সচিব পদমর্যাদা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন। এ নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

প্রসঙ্গত, ড. এস এম আব্দুল আওয়াল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিন থেকে ২০০৪ সালে স্নাতক, ২০০৯ সালে বেলজিয়ামের ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অব লিউভেন থেকে আণবিক জীব বিজ্ঞানে মাস্টার্স এবং ২০১৫ সালে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার্চিল কলেজ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।

এ ছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে-এ দুই বছর পোস্ট ডক্টরাল গবেষক হিসেবে কাজ করেন। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলে কর্তৃক আয়োজিত Beahrs Environmental Leadership প্রোগ্রামের একজন outstanding অ্যালামনাই হিসেবে নির্বাচিত হন।

পরবর্তীতে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটিতে দুই বছর রিসার্চ সাইনটিস্ট হিসেবে জিন (অ্যালিল) অনুসন্ধান প্রকল্পে কাজ করেন। তিনি এই প্রকল্পে কম্পিউটেশনাল বায়োলজি ও ডাটা সায়েন্স পদ্ধতি ব্যবহার করে জোয়ারের (sorghum) উচ্চ ফলনশীল ও খরা-সহনশীল একটি জাত উদ্ভাবনে ভূমিকা রাখেন। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল আফ্রিকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি খেলাফত আন্দোলনের

সকাল ৯টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

বিভেদ ভুলে এক কাতারে অপু-বুবলী

বিএনপি দেশ ও মানুষের স্বার্থে কাজ করে : প্রধানমন্ত্রী

হুইপ অপুর কাছে ছাউনি চাইল পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী

নিরব-পরীমণির গোলাপ নিয়ে নয়া পরিকল্পনা

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি

ব্রাজিলের ম্যাচের দিনে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের শোভাযাত্রা

শম্পার নতুন গান ‘প্রেমের বিজ্ঞাপন’

গাইবান্ধায় রামমূর্তি নির্মাণ স্থগিত : বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্বেগ

১০

জেনেভা ক্যাম্পের শীর্ষ মাদক কারবারি মনু গ্রেপ্তার

১১

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ৮৮ বছর ধরে অপরাজিত ব্রাজিল

১২

ব্রাজিল সমর্থকদের আনন্দ মিছিল রূপ নিল বিষাদে

১৩

ইরানে শান্তিচুক্তি পরিস্থিতি নিয়ে রাশিয়া ও চীনের প্রতিনিধিদের বৈঠক 

১৪

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশ  / স্কুলে যাতায়াতে শিক্ষার্থীদের জন্য নৌকার ব্যবস্থা করলেন সংসদ সদস্য

১৫

‘ভবিষ্যতে সফল হতে প্রযুক্তিগত দক্ষতার বিকল্প নেই’

১৬

রুহুল আমীন রাজুর গল্প : লাশ কাটা ঘর   

১৭

গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর করল বিএসএফ

১৮

তিন পজিশন নিয়ে স্কালোনির সংশয়, কেমন হবে আর্জেন্টিনার একাদশ

১৯

তাবলিগ জামাতের বয়ান নিয়ে দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষ

২০
X