কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:০৭ পিএম
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:২৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘স্বামীকে দুলাভাই’ ডাকা সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী বহিষ্কার

মিম খাতুন ওরফে আফসানা মিম। ছবি : সংগৃহীত
মিম খাতুন ওরফে আফসানা মিম। ছবি : সংগৃহীত

প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার পাবনা জেলা যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি আফসানা মিম ওরফে মিমকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আরেফা খানম শেফালী ও সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর ফেরদৌস কনা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের পাবনা পৌর শাখার ‘সহসভাপতি’ আফসানা মিমকে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যক্রমের দায়ে সংগঠন থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হলো।

বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পাবনা জেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মিম খাতুন ওরফে আফসানা মিম ও তার স্বামী ওবায়দুল্লাহর বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেন মনিরুজ্জামান ওরফে বাবু নামে এক ব্যবসায়ী। তিনি পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা হাটপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে। পেশায় তিনি ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী। বর্তমানে রাজধানীর শাহজানপুরে বসবাস করেন। গুলশান-২ এ তার এবিএস নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ফেসবুকের মাধ্যমে মিমের সঙ্গে পরিচয় হয় ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী বাবুর। এর কিছুদিন পর ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে দুলাভাই হিসেবে তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন মিম। পরে পাবনা শহরের রবিউল মার্কেটে ব্যবসার কথা বলে ও সেই ব্যবসায় অংশীদার রাখার আশ্বাসে বিভিন্ন সময়ে বাবুর কাছ থেকে ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৫৯০ টাকা ধার নেন মিম ও ওবায়দুল্লাহ। গেল বছরের ২ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা উল্লিখিত এই টাকা ধার নেন।

এজাহারে মামলার বাদী বাবু আরও উল্লেখ করেন, বিশ্বাসের কারণে দলিল ছাড়া লেনদেন হলেও পরে দলিল করতে চাইলে মিম ও ওবায়দুল্লাহ টালবাহানা শুরু করেন। সর্বশেষ গত ১৬ ফেব্রুয়ারি টাকা ফেরত চাইলে তারা পাওনা টাকা ফেরত দেবেন না জানিয়ে মনিরুজ্জামান ওরফে বাবুকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে মামলার বাদী জানতে পারেন দুলাভাই বলে পরিচয় দিলেও মূলত মিমের চতুর্থ স্বামী ওবায়দুল্লাহ। তারা দুজন মিলে পরিকল্পিতভাবে তাকে প্রতারণার জালে ফেলেন। এর আগেও অনেকের সঙ্গে এমনটা করেছে তারা। পরে উপায় না পেয়ে একপর্যায়ে পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে মিম ও ওবায়দুল্লাহর বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করেন ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান ওরফে বাবু। সেই মামলায় বুধবার তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হকের আদালতে হাজির করলে মিম ও ওবায়দুল্লাহর একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইসলামের প্রায়োগিক বিধান জনসম্মুখে তুলে ধরতে হবে : ইবি ভিসি

দীর্ঘদিন পর পাবনায় ফিরলেন গুমের শিকার সাবেক ছাত্রদল নেতা তুষার

৪০ বছর ইমামতির পর রাজকীয় বিদায়

চ্যাম্পিয়ন হওয়াই বাংলাদেশের লক্ষ্য 

নানা কৌশলে নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা চলছে : নাহিদ

চিকিৎসা শেষে আবারও জেলে ফিরলেন ইমরান খান

বিএনপি-জামায়াতের তুমুল সংঘর্ষ

সেন্টমার্টিনে পর্যটক ভ্রমণ বন্ধ ঘোষণা, কবে চালু হবে?

রেলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দিল রেলপথ মন্ত্রণালয়

এবারের নির্বাচনে পরিবর্তন চেয়েছে মানুষ : গোলাম পরওয়ার

১০

কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে প্রমাণ দিতে চাই : আবু আশফাক

১১

উৎপাদন ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে নতুন দিগন্তে ইসিএল

১২

বাণিজ্য মেলায় ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি

১৩

সব ধর্মের মানুষ প্রাপ্য অধিকার পাবে : জামায়াত আমির

১৪

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে : এ্যানি

১৫

স্বর্ণের দাম কমছে যে কারণে  

১৬

প্রিন্স মাহমুদ সুরকার / ‘পুরস্কার পাওয়াটা চমকের মতো লাগছে’

১৭

বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল ২ জনের

১৮

বিবিসি বিশ্লেষণ / জাইমা রহমানকে সামনে আনা বিএনপির কৌশলগত বদল

১৯

ডাকসু নেতা সর্বমিত্র চাকমাকে আইনি নোটিশ

২০
X