

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ একে একরামুজ্জামানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বিএনপি।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
সৈয়দ একে একরামুজ্জামান বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন।
আরএকে সিরামিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) একরামুজ্জামান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী ছিলেন। তবে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সম্মানে ও তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি তার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ হান্নান।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কার্যকলাপের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সাবেক সদস্য এসএকে একরামুজ্জামানকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের প্রতিক্রিয়ায় সৈয়দ একে একরামুজ্জামান কালবেলাকে বলেন, ‘বিএনপিতে আমি ফেরত এসেছি, আমার তো আনন্দের শেষ নেই। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ দেশ, দেশের মানুষ এবং দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে পারার তৌফিক আল্লাহ দিয়েছেন। এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এমএ হান্নানের বিজয় যাতে ত্বরান্বিত হয়, সেজন্য এখন আমরা একসাথে কাজ করব। সাক্ষাতের সময় এটা তো আমি আমার লিডারকে (তারেক রহমান) বলেও এসেছি।’
মন্তব্য করুন