

নারী তার স্বামীকে ভালোবাসেন অন্তর বিলিয়ে। নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে। তাই জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে, প্রতিটি জায়গায় স্বামীর উপস্থিতি কামনা করেন তারা। স্বামীকে ভালোবাসার অংশ হিসেবে অনেক স্ত্রী নিজের নামের সঙ্গে স্বামীর নাম-পদবীও যুক্ত করেন। তারা অনুভব করেন, ‘নিজের নামের সঙ্গে স্বামীর নাম যুক্ত থাকাটাও তার উপস্থিতির পরিচয়।’ এ ক্ষেত্রে অনেকেই জানতে চান, এভাবে স্বামীর নাম-পদবী যুক্ত করা ইসলামি শরিয়তে বৈধ কি না।
এ বিষয়ে একটি প্রশ্নের আলোকে জনপ্রিয় ইসলামিক অ্যাপ মুসলিম বাংলায় উত্তর দিয়েছেন রাজধানীর দারুর রাশাদ (মিরপুর) মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস শায়খ উমায়ের কোব্বাদী। তিনি বলেছেন, ‘নিজের নামের সঙ্গে স্বামীর নাম-পদবি ব্যবহার করে স্বামীর নামকে নিজের নামের অংশ বানিয়ে ফেলা পাশ্চাত্য সংস্কৃতি, যা ইসলাম সমর্থন করে না। ইসলামের দৃষ্টিতে এটা অযৌক্তিক ও নাজায়েজ।’
‘কেননা, আল্লাহ তায়ালা বলেন, তাদেরকে তাদের পিতৃ-পরিচয়ে ডাকো, আল্লাহর কাছে এটাই অধিক ইনসাফপূর্ণ।’ (সুরা আহজাব: ০৫)
উমায়ের কোব্বাদি বলেন, ‘দেখুন উল্লিখিত আয়াতে পিতা কর্তৃক প্রদত্ত নাম ঠিক রাখার জন্য আল্লাহ তায়ালা আমাদের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন।’
এদিকে হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের বাবা ছাড়া অন্যের পরিচয়ে পরিচয় দেয় অথবা যদি কোনো দাস তার মুনিবকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে মুনিব বানায়, তার ওপর আল্লাহর, ফেরেশতা ও সমগ্র মানব জাতির লা’নত বর্ষিত হবে। কেয়ামত দিবসে আল্লাহ তার কোনো ফরজ কিংবা নফল (ইবাদত) কবুল করবেন না।’ (মুসলিম: ১৩৭০)