কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা দাদাগিরির সমালোচনা করল চীন ও রাশিয়া

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা দাদাগিরি ও বিশ্বজুড়ে সামরিক অভিযানের সমালোচনা করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বুধবার (২০ মে) রাশিয়া ও চীন যৌথ এক বিবৃতিতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে এবং এর মাধ্যমে গত ছয় মাসে ইরান ও ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিন উল্লেখ করেছেন যে, অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ সামরিক হামলা। এসব হামলার প্রস্তুতি নেওয়ার আড়াল হিসেবে ভণ্ডামিপূর্ণভাবে আলোচনার ব্যবহার, সার্বভৌম রাষ্ট্রের নেতাদের হত্যাকাণ্ড, বিভিন্ন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করা, শাসন পরিবর্তনের উসকানি এবং জাতীয় নেতাদের প্রকাশ্য অপহরণ করে বিচারের মুখোমুখি করা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

তাদের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালা, আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নিয়মগুলোকে গুরুতরভাবে লঙ্ঘন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গড়ে ওঠা বিশ্বব্যবস্থার ভিত্তির অপূরণীয় ক্ষতি করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদকালে বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে শি ও পুতিন নিজেদের ক্রমশ একটি নতুন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার অগ্রদূত হিসেবে উপস্থাপন করছেন।

এদিকে চীন ও রাশিয়া বাণিজ্য, প্রযুক্তি, মেধাস্বত্ব এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ২০টিরও বেশি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

সমঝোতায় স্বাক্ষরের পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, চীন ও রাশিয়ার সম্পর্ক ক্রমশ উন্নত হয়েছে এবং তা এখন সর্বোচ্চ স্তরের সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারিত্বে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, দুই দেশ সমান মর্যাদার ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্মানের সঙ্গে একে অপরের সঙ্গে আচরণ করেছে। তার দাবি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এখন একটি নতুন সূচনা বিন্দুতে পৌঁছেছে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার রক্ষা এবং সব ধরনের একতরফা দাদাগিরি ও ইতিহাসকে উল্টে দেওয়ার প্রচেষ্টা বিরোধিতা করতে চীন ও রাশিয়াকে দৃঢ়ভাবে দায়িত্বশীল বৃহৎ শক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করতে হবে।

সূত্র : বিবিসি

কালবেলা
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পল্লবীতে জলাবদ্ধ এলাকায় টানা চতুর্থ দিনের মতো বিএনপি নেতার খাবার বিতরণ

ফাইনালের দায়িত্ব পাওয়া রেফারির সিদ্ধান্তে ‘পেনাল্টি’ পেয়েছিলেন মেসি

মনপুরায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ 

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

নৌভ্রমণে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে দুই যুবকের মৃত্যু

নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের পরিচয়

জেলেনস্কির বিরুদ্ধে ইউক্রেনজুড়ে বিক্ষোভ

দেশের ১৩ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

ফিক্সিংয়ের অভিযোগে সাকিবের দলের মালিক গ্রেপ্তার

বলিউডে আসছে জম্বি মহাযুদ্ধ, শেষ হাসি কে হাসবেন

১০

কানাডায় ভয়াবহ দাবানল, ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ

১১

সংবিধান সংস্কার নয় সংশোধন করতে চাই: মির্জা ফখরুল

১২

বেলুচিস্তানে পাক বাহিনী ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে সংঘর্ষ, নিহত ৩

১৩

বিদ্রোহীদের ২০৫ যুদ্ধযান ধ্বংসের দাবি সুদান সেনাবাহিনীর

১৪

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, অপেক্ষায় অভিভাবকরা

১৫

অবৈধভাবে বসবাসরত প্রবাসীদের সুখবর দিল ইতালি

১৬

লেবাননে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি গড়ছে ইসরায়েল

১৭

রোমে রেড অ্যালার্ট জারি, তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি ছোঁয়ার আশঙ্কা

১৮

ছয় মাসে তুরস্কের আকাশপথ ব্যবহার করেছে ১১ লাখের বেশি ফ্লাইট

১৯

ডেমরা পুলিশ লাইন্সে কনস্টেবলের আত্মহত্যা

২০
X