কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৫, ১২:০৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আগামী মাসেই বিলীন হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের এককালের বৃহত্তর হ্রদ

উর্মিয়া হ্রদ। ছবি :সংগৃহীত
উর্মিয়া হ্রদ। ছবি :সংগৃহীত

বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে উত্তর-পশ্চিম ইরানের উর্মিয়া হ্রদ গ্রীষ্মের শেষ নাগাদ সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাবে। ইরানের পরিবেশ বিভাগের সামুদ্রিক ও জলাভূমি বিষয়ক উপকমিশনার আহমেদরেজা লাহিজানজাদেহ তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের এককালের বৃহত্তর হ্রদ ছিল এটি।

আহমেদরেজা বলেন, ২০২৫ সালের ১ আগস্ট হ্রদের পানির স্তর ছিল ১,২৬৯.৭৪ মিটার। এর আয়তন ৫৮১ বর্গকিলোমিটারে সংকুচিত হয়ে গেছে। এর ধারণক্ষমতা প্রায় অর্ধ বিলিয়ন ঘনমিটারে নেমে এসেছে।

আইআরজিসি অনুমোদিত তাসনিম নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এটি গত বছরের তুলনায় তীব্র ও অভূতপূর্ব হ্রাস নির্দেশ করে।

কর্মকর্তা বলেন, জলপ্রবাহের অভাবের অর্থ শরৎকালে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না এবং হ্রদটি পুনরুজ্জীবিত করা গেলেও এটি ১৯৯৫ সালের আদর্শ অবস্থায় ফিরে আসবে না। এটি ৩২ বিলিয়ন ঘনমিটার জল ধারণ করতে সক্ষম ছিল।

দুই দশক ধরে বারবার সরকারি প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও দীর্ঘস্থায়ী স্বল্প তহবিল, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং দুর্বল বাস্তবায়নের কারণে হ্রদের পুনরুজ্জীবন পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে।

লাহিজানজাদেহ বলেন, হ্রদের বর্তমান সংকটের পেছনে খরা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ। কিছু শহরে পানীয় জলের ঘাটতিও রয়েছে।

গত সপ্তাহে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াটার ইনস্টিটিউটের প্রধান সতর্ক করে বলেন, হ্রদটি প্রত্যাবর্তনের অযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং জলাশয়ের ধারণক্ষমতার বাইরে কৃষিজমি সম্প্রসারণকে এর জন্য দায়ী করছেন তিনি।

চলতি বছর দেশের ৯০ শতাংশেরও বেশি অংশ খরার সম্মুখীন হচ্ছে। বৃষ্টিপাত হ্রাস পাচ্ছে এবং প্রাকৃতিক পানির মজুত হ্রাস পাচ্ছে।

উর্মিয়া হ্রদ এবং জায়ানদেহ রুদ নদীর মতো প্রধান জলাশয় শুকিয়ে যাওয়া ইরানের অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সংকটকে ভয়াবহ রূপ দিতে পারে। দেশটিতে পানির সংকট দেখা দিলে তা মোকাবিলা করা প্রায় অসম্ভব। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ সুপেয় পানির সংকটে নাস্তানাবুদ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জার্মানিতে ভেঙে পড়লো উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ার

আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজ, জবাব না দিলে লাইসেন্স বাতিল

ভৈরবে রেলপথ অবরোধ, ৫ ট্রেন আটকা

৬ দফা দাবিতে চমেক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মানববন্ধন, শনিবার থেকে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি

সিএন্ডএফ ভবনেই মিলবে চসিকের ট্রেড লাইসেন্স, বুথ স্থাপনের নির্দেশ মেয়রের

নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে ২ ভাইয়ের মৃত্যু

নানার বাড়ি থেকে ফেরার পথে নিখোঁজ, খালে মিলল মরদেহ

দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ১, একাধিক বাড়িঘরে আগুন

কারাগারে আইভীকে গান শোনাতেন মমতাজ, যে গান না গাইতে অনুরোধ

পাকিস্তানের সিরিজ জয়

১০

ইউক্রেন ছাড় দিলে সমঝোতায় প্রস্তুত রাশিয়া : পুতিন

১১

ডাচদের হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ বাংলাদেশের

১২

আফগানিস্তানকেও রুখে দিল বাংলাদেশ

১৩

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি নাগরিক

১৪

পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ

১৫

যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হলেন নির্যাতিত নেতা সাজিদ হাসান বাবু

১৬

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তথ্য পেয়ে চুক্তি ও ঋণপত্র বাতিল, ফেরত যাচ্ছে ‘এমটি মেমেই’

১৭

ছবি প্রকাশ করলেন রাশেদ খান / সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের

১৮

বজ্রপাতে সারা দেশে প্রাণ গেল ১২ জনের

১৯

অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবি এনসিপির

২০
X