

তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ২০১৮ সালের পর এটিই কোনো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রথম চীন সফর। তার সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রায় ৬০ জন প্রভাবশালী ব্রিটিশ ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধি। এ সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে স্টারমারের বৈঠকের কথা রয়েছে।
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেই স্টারমার বলেছেন, ‘মুক্তমনা হতে আমরা সংকল্পবদ্ধ। তবে জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে একাগ্রচিত্ত।’
চীনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ঝিমিয়ে পড়া সম্পর্ককে নতুন করে চাঙা করাই কিয়ার স্টারমারের লক্ষ্য। চীনের সঙ্গে উন্নত সম্পর্ক স্থাপন করতে পারলে ব্রিটিশ জনগণ ও ব্যবসায়ীরা সরাসরি উপকৃত হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। স্টারমার বলেন, ‘আমাদের প্রতিনিধিদলে যুক্তরাজ্যের বহু কোম্পানির সিইওরা (প্রধান নির্বাহী) রয়েছেন, এটাই প্রমাণ করে যে, আমাদের জন্য অনেক সুযোগ রয়েছে। এই সুযোগ যুক্তরাজ্যের জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে।’
বুধবার বেইজিং পৌঁছানোর পর তিনি বলেন, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো স্থবির হয়ে থাকা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে ব্রিটিশ নাগরিকদের পকেটে আরও অর্থ আনা এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে চীন সফর নিয়ে খোদ যুক্তরাজ্যেই সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উইঘুর মুসলিম ও অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর দমন-পীড়নের কারণে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ আছে চীনের বিরুদ্ধে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি খিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন, যেখানে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তার স্পর্শকাতর বিষয়গুলোও আলোচনায় আসবে।
মন্তব্য করুন