সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম রোকেয়া হলে অনুষ্ঠিত হলো মায়াকুঞ্জ ব্লক ফিস্ট। এক দিনের এ আয়োজনের নানা উদযাপনে মেতে ছিলেন শিক্ষার্থীরা।
আগের রাতেই শিক্ষার্থীরা মেহেদি উৎসব উদযাপন করেন। ব্লকের নবীন-প্রবীণ সবাই একে অন্যের হাতে পরিয়েছিলেন মেহেদি। ব্লক ফিস্টের আগের এ রাত ছিল যেন চাঁদরাত। সবাই মিলে রাতের মধ্যেই ব্লকের দেয়ালে, দরজায় রং-বেরঙের ম্যুরাল করেছেন। আর ওই সময়ই শিক্ষার্থীরা ব্লকটির নাম দেন ‘মায়াকুঞ্জ’।
পুরো দেয়াল জুড়ে ছবি আঁকতে আঁকতে পেরিয়ে যায় রাত; কিন্তু ঘুম নেই কারও চোখে। ফিস্টের দিন ঠিক দুপুরের একটু আগে শুরু হয় রং খেলার আয়োজন। রং ছড়াছড়ির মুহূর্তগুলো নিশ্চিত রঙিন এক স্মৃতি হয়ে থাকবে সবার মনে।
দুপুরের খাবার সেরে খানিক বিশ্রামের পালা। এরপর সবাই শাড়ি পরে হাজির হন ব্রহ্মপুত্রের ধারে। নৌবিহারের আয়োজন ছিল সেখানে। তবে আচমকা ঝুম বৃষ্টিতে নৌভ্রমণ হয়ে যায় পণ্ড। আর সেটা পুষিয়ে দিতেই যেন সবাই মেতে উঠে বৃষ্টি উদযাপনে।
সন্ধ্যায়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নাচ, গান, আবৃত্তিসহ যে যার মতো করে ছড়িয়েছে প্রতিভার ছটা। ছিল মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা। ওই খেলার পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে ইতি ঘটে ব্লক ফিস্টের।
মায়াকুঞ্জ ব্লক ফিস্টে অংশ নেওয়া সুইটি দেবনাথ বলেছেন, ‘বছরে মাত্র একবার ব্লকে এমন আয়োজন হয়। ফিস্ট উপলক্ষে মায়াকুঞ্জবাসীরা এক হয়ে যে আনন্দ করেছি, তা আজীবন মনে থাকবে।’
মন্তব্য করুন