ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২৫, ০৮:৩২ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার উন্নয়নে বাউবির উদ্যোগ

তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার উন্নয়নে বাউবির উদ্যোগ

তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ—যারা বাংলাদেশে হিজড়া নামে পরিচিত, তারা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্র, সমাজ ও শিক্ষাব্যবস্থায় পিছিয়ে রয়েছে। এর ফলে তারা যেমন বঞ্চনা, নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে, ঠিক তেমনি তাদের মধ্যে অপরাধমূলক নানা কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার‌ও প্রবণতা বেড়ে চলেছে। ফলে ভুক্তভোগী হচ্ছে সমাজের অনেকেই। তাদের কাছে জীবন মানেই এক অনুচ্চারিত কষ্ট, শুধুই অস্তিত্ব নিয়ে বেঁচে থাকা। জীবনের শুরু ও শেষ সমাজের প্রান্তিক কোণে। চারদিকে অন্ধকার আর অনিশ্চয়তা। একদিকে প্রবঞ্চনা আর অন্যদিকে নিজের হীনম্মন্যতা—এ নিয়ে জীবন পার করে দিতে হয়। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই তারা কখনো হয় হিংস্র, কখনো হয়ে ওঠে প্রতারক। আবার সামাজিক মানুষ হিসেবে তাদের পাশে ঠেলে অন্যদের এগিয়ে যাওয়াও বৈষম্যমূলক।

মানবাধিকারের মৌলিক নীতিতে, প্রতিটি মানুষের শিক্ষা, সম্মান ও জীবনমান উন্নয়নের সমান সুযোগ থাকার কথা, যেখানে কখনো বৈষম্যের সামান্যতম কোনো রেশমাত্র না থাকে। অথচ বর্তমান বাস্তবতায় এর ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হয়। তাই বাংলাদেশের শিক্ষার মহাসড়কে তাদের যুক্ত করাটা এখন সময়ের দাবি। এ ক্ষেত্রে সব থেকে টেকসই ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)। যেহেতু এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস ও কারিকুলামের পরিসর বৃহত্তম ক্ষেত্রে আবর্তিত। দেশের কেন্দ্র থেকে প্রান্ত পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থায় এ প্রতিষ্ঠান সমাজের সর্বস্তরে দারুণ পজিটিভ প্রভাব বিরাজ করে চলছে।

প্রচলিত শিক্ষার ধারার সঙ্গে জীবনমুখী শিক্ষার একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। শুধু বইভিত্তিক জ্ঞান বা পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর না করে বাস্তব জীবনের প্রয়োজন, দক্ষতা অর্জন এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে। এ শিক্ষা পদ্ধতি ব্যক্তির সামাজিক, পারিবারিক ও পেশাগত জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। মানুষকে করে তোলে চিন্তাশীল, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল। একজন প্রকৃত নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য যে গুণাবলি প্রয়োজন, তা অর্জনে জীবনমুখী শিক্ষা একটি স্বীকৃত কার্যকর পন্থা। অন্যদিকে, গণশিক্ষার মাধ্যমে সমাজের সব স্তরের মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রচলিত ধারার জ্ঞানভিত্তিক একটি শিক্ষা কাঠামোও তৈরি করার সম্ভাবনা গ্রহণ করা যায়; যেখানে নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম, সনদ ও পাস-ফেল প্রথার মাধ্যমে মূল্যায়ন‌ করাও যথেষ্ট কার্যকরী হতে পারে।

এই দুই শিক্ষাধারার আলোচনায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) প্রথম থেকেই কাজ করে চলেছে। শিক্ষাকে সব মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠান তার কার্যক্রমে ক্রমাগত নিত্যনতুন উদ্ভাবনী কার্যক্রম যুক্ত করে চলছে। এ ব্যাপক শিক্ষা উদ্যোগের এক বা একাধিক বিষয়ে সহজেই সংযুক্ত হতে পারে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরাও। সীমিত সময় ও খরচে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে শিক্ষাসেবা পৌঁছে দিতে বাউবির যে বিকল্প পাঠদান কৌশল, তা যে কোনো জনগোষ্ঠীর জন্য সময়োপযোগী এবং কার্যকর বলে প্রমাণিত। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে যদি শিক্ষার আওতায় আনতে হয় তবে শুরুতেই পাস-ফেল নির্ভর শিক্ষা নয়, বরং প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে জীবনমুখী শিক্ষার বিকাশ ঘটাতে হবে। এগুলো যদি বাস্তব জীবনে দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করা যায় তবেই তা তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের শিক্ষার প্রকৃত আলোয় নিয়ে আসবে।

জীবনমুখী শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজের মধ্যে গভীর একটি সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে সামাজিক সম্পর্ক, সহানুভূতি ও দায়বদ্ধতা গড়ে ওঠে। তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিরা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞানের মাধ্যমে তাদের সামাজিক জীবনকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়ের যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়াকে আরও সহজ করে তুলতে পারবে। আর এভাবেই প্রতিশ্রুতিশীল জাতি গঠনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে তারা একই সঙ্গে গণশিক্ষা ও জীবনমুখী শিক্ষাকে সম্পূরক হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। জীবনমুখী শিক্ষার মূল লক্ষ্য হলো ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন, যা বইয়ের বাইরের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে অর্জিত হয়। যেমন—যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধান, দলবদ্ধভাবে কাজ করা, নেতৃত্বের গুণাবলি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইত্যাদি। তাই তৃতীয় লিঙ্গের সামাজিক পরিসরে প্রতিষ্ঠায় এ শিক্ষার বিকল্প নেই।

দীর্ঘদিন ধরেই বাউবি দূরশিক্ষণের মাধ্যমে প্রান্তিক, শ্রমজীবী ও গ্রামীণ জনগণ এবং নিরক্ষরদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। এর একাধিক প্রোগ্রাম সবার জন্য উপযুক্ত শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে জেন্ডার মেইনস্ট্রিমিং ও নারী শিক্ষার অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে। এর মাধ্যমে দেশের শিক্ষা খাতে এক আশাব্যঞ্জক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। ২০১৮ সালে বাউবির ওপেন স্কুল কমনওয়েলথ অব লার্নিং (COL)-এর সহায়তায় ‘জেন্ডার মেইনস্ট্রিমিং ও জেন্ডার পলিসি উন্নয়ন’ শীর্ষক কর্মশালা আয়োজন করেছিল। এর মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে জেন্ডার-সংবেদনশীলতা গড়ে তোলার একটি নীতিগত কাঠামো তৈরি হয়। যদিও এ নীতিমালায় সরাসরি তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর কথা উল্লিখিত হয়নি, সেখানে তাদের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রয়েছে ‘আদার্স ক্যাটাগরি’ হিসেবে।

২০১৩ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ সরকার হিজড়া জনগোষ্ঠীকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। পরবর্তীতে ২০১৪ এর ২৬ জানুয়ারি এ স্বীকৃতি গেজেটে প্রকাশিত হয়। এ ঘোষণা শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছিল না, এটি ছিল এক প্রান্তিক ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে সামাজিক স্বীকৃতি এবং মর্যাদার জায়গা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। তবে এক দশকেরও বেশি পেরোনোর পরও প্রশ্ন উঠেছে—এ স্বীকৃতি বাস্তব ক্ষেত্রে এমন কী পরিবর্তন এনেছে?

স্বীকৃতি প্রদানের সময় বলা হয়েছিল, হিজড়াদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার মাধ্যমে যোগ্য করে তোলা হবে এবং সেই অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। বাস্তবে দেখা গেছে, সেই প্রতিশ্রুতি অনেকটাই আলোর মুখ দেখেনি। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের দায়িত্বশীল সংস্থাগুলো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। একদিকে রাষ্ট্রের ক্ষমতা কাঠামো আরও কেন্দ্রীভূত হয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার যেমন—ভোট, খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিনিয়ত সংকুচিত হয়েছে। এ বাস্তবতায় তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী আরও বেশি উপেক্ষিত হয়েছে, তাদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের প্রশ্ন বারবার প্রান্তিকেই থেকে গেছে।

এএ অবস্থায় বাউবি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। দেশব্যাপী প্রতিষ্ঠানটির ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং ৬০টিরও বেশি সক্রিয় উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত হিজড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ পাঠক্রম, কারিগরি প্রশিক্ষণ, জীবনমুখী শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারে। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরা যেহেতু সামাজিক বৈষম্য ও অপমানের কারণে প্রথাগত শিক্ষাব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারে না, তাই বাউবির ওপেন অ্যান্ড ডিস্ট্যান্স লার্নিং (ODL) মডেল একটি বিকল্প দরজা খুলে দিতে পারে। শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত না থেকেও তারা বাড়িতে বসে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে, যা সামাজিক লজ্জা ও নিরাপত্তা সংকট থেকেও তাদের মুক্তি দেবে। বাউবি চাইলে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার একটি অংশ হিসেবে হিজড়াদের জন্য নির্দিষ্ট ভর্তি কোটা, উপবৃত্তি, শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণের কোর্স চালু করতে পারে।

শুধু স্বীকৃতি দিয়ে নয়, কার্যকর উদ্যোগ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমেই হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনের গুণগত পরিবর্তন সম্ভব। বাউবি যদি এ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি আলাদা শিক্ষাবহ পরিকল্পনা গ্রহণ করে, তবে সেটি দেশের শিক্ষা ও মানবাধিকার খাতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি হবে প্রকৃত অর্থে ‘কাউকে পেছনে ফেলে না রাখার’ রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকারের বাস্তব রূপ। বাউবির আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোকে ব্যবহার করে হিজড়াদের জন্য সচেতনতামূলক কর্মশালা, শিক্ষা সম্পর্কিত পরামর্শ সেবা এবং শিক্ষায় অংশগ্রহণের বিষয়ে ক্যাম্পেইন চালানো যেতে পারে। পাশাপাশি হিজড়াদের জন্য স্বতন্ত্র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, ভর্তি কোটা ও বিনামূল্যে পাঠ্যসামগ্রী বিতরণ করলে তাদের অংশগ্রহণের হার বাড়বে। বাউবির সামাজিক বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামে তৃতীয় লিঙ্গ সংক্রান্ত বিষয়াবলি অন্তর্ভুক্ত করা, কিংবা হিজড়াদের জীবনসংগ্রাম, সংস্কৃতি ও অধিকারের ওপর ভিত্তি করে আলাদা কোর্স চালু করাও একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হতে পারে। একই সঙ্গে দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ, যেমন—হাতের কাজ, আইটি শিক্ষা, কারিগরি ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ তাদের আত্মনির্ভরশীল হতে সাহায্য করবে।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে হিজড়াদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, প্রাথমিক স্তরে পাঠ্যবইয়ে লিঙ্গবৈচিত্র্য অন্তর্ভুক্তকরণ এবং শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম শুরু করার কথা থাকলেও সেখানে আশানুরূপ কোনো অগ্রগতি চোখে পড়েনি। তবে এসব জাতীয় উদ্যোগের সঙ্গে বাউবি কার্যকরভাবে যুক্ত হলে একাধিক দৃষ্টান্তমূলক সফলতা অর্জিত হতে পারে। এজন্য প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক সহযোগিতা ও সামাজিক জবাবদিহি। বাউবি বর্তমান চাহিদাকে সামনে রেখে দেশের সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু করতে যাচ্ছে ‘ব্লেন্ডেড টিভেট প্রোগ্রাম’। এর মাধ্যমে সনদনির্ভর শিক্ষার বিপরীতে কর্মমুখী শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। এ প্রোগ্রামে হিজড়াদের দারুণভাবে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, এ জনগোষ্ঠীর শিক্ষা অধিকার প্রতিষ্ঠা শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়; এটি মানবিক মর্যাদা এবং শ্রদ্ধার প্রকাশ, জাতীয় উন্নয়নের অংশ এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের শর্ত। বাউবির বহুমাত্রিক সক্ষমতা, নীতিগত কাঠামো ও উদার শিক্ষার দৃষ্টিভঙ্গি তৃতীয় লিঙ্গ শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সুযোগ করে দিয়েছে।

লেখকদ্বয়: উপাচার্য, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

এবং ট্রেজারার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মালয়েশিয়ার ৬৮তম স্বাধীনতা উদযাপনে নানা আয়োজন

‘প্রধান উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের চেতনার বিরোধী শক্তি হয়ে গেছেন’

ট্রাম্পের রক্তচক্ষুকে পাত্তা না দিয়ে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়াচ্ছে ভারত

ট্রাক ও অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ১

বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটুকু

প্রশাসনের গাফিলতিতে মধ্যরাতে মেয়েদের হল বন্ধ থাকে : জিএস পদপ্রার্থী জেরিন 

চুরির ভোটে জিতেই কি মোদি প্রধানমন্ত্রী? জোরালো হচ্ছে অভিযোগ

আর্জেন্টিনা খেলবে র‌্যাঙ্কিংয়ের ১৫৭তম দলের বিপক্ষে, জেনে নিন সময়সূচি

দুই বাচ্চার মা বলায় দেবের ওপর চটলেন শুভশ্রী

আশুলিয়ায় ছিনতাই চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

১০

সংবিধানের বই উঁচু করে অধ্যাপক কার্জন বললেন, মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে

১১

সাবমেরিন ক্যাবলে ত্রুটি, ৪ দিন ধরে অন্ধকারে ১৭ ইউনিয়ন

১২

চাঁদাবাজির অভিযোগে ৬ জনের নামে মামলা বিএনপি নেতার

১৩

বিচার, সংস্কার, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ চাই : রাশেদ প্রধান 

১৪

৮ বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস 

১৫

শ্যামনগর যুবদলের নতুন আহ্বায়ক শেখ নাজমুল হক

১৬

বাবাকে হত্যার তিন দিন আগেই কবর খোঁড়েন ছেলে

১৭

নির্বাচন না হলে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে : মির্জা ফখরুল

১৮

লোকালয়ে ঘুরছে বাঘ, বিজিবির সতর্কবার্তা

১৯

যে তিন নায়িকা নিয়ে কাজ করতে চান যিশু

২০
X