কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৮ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান সূত্রপাত ও পটভূমি

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান সূত্রপাত ও পটভূমি

সূত্রপাতটা ঘটেছে হঠাৎ করেই, অনেকটা যেন অপ্রত্যাশিতভাবেই। ভেতরে ভেতরে অবশ্য প্রস্তুতি চলছিল। সে প্রস্তুতির প্রধান উপাদান একদিকে জনগণের অসন্তোষ এবং বিপরীত দিকে সরকারের নিপীড়ন। ১৯৬৮-এর ফেব্রুয়ারিতে আইয়ুব খান অসুস্থ হয়ে পড়েন, গুজব রটেছিল যে তিনি আর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে নাও উঠতে পারেন। ওদিকে কুম্ভ যত শূন্য হয়, তার আওয়াজ বাড়বার যে নিয়ম, তারই স্বাভাবিক অনুসরণে আইয়ুব শাসনের গৌরবগাথা প্রচারে ঢাকঢোল বাজনার মচ্ছব শুরু হয়ে গিয়েছিল। আইয়ুব ক্ষমতা জবরদখল করেছেন ১৯৫৮ সালের অক্টোবরে, সেই ‘বিপ্লবে’র দশক পূর্তি পালনের জন্য মহা হুলুস্থুল পড়ে যায়। সংবাদপত্রে, বেতারে, টেলিভিশনে অনবরত উন্নয়নের জয়গান শোনা যাচ্ছে, সরকারি পয়সা খরচের ঢল নেমেছে। বাবুর তুলনায় পারিষদদের গলার স্বর উঁচু হয়েছে। ‘লৌহমানব’ ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান সাহেবের ছবি সকাল-সন্ধ্যা-রাতে দেখতে দেখতে মানুষ ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে পড়েছে; নানারকমের গুজব ও রসিকতা চালু হয়েছে। আইয়ুবের শাসনামলে উন্নতি যে হয়নি তা নয়, নানা ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটেছে। বিশেষভাবে রাস্তাঘাটে, দালান-কোঠায়, যোগাযোগ ব্যবস্থায়, যা লোকে দেখেছে। পরিসংখ্যান বলল, মাথাপিছু আয় বেড়েছে কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এসব বৃদ্ধির কোনো ফল পায়নি। কারণ, যত হয়েছে উন্নতি, তত বেড়েছে বৈষম্য; যেমন আঞ্চলিক তেমনি ব্যক্তিগত। পাল্লা দিয়ে। উন্নয়নের দশক যখন উদযাপিত হচ্ছিল, তখন তো পূর্ববঙ্গের কোথাও কোথাও দুর্ভিক্ষই চলছিল। ১৯৫৫-৬০ সালের পঞ্চমবার্ষিকী পরিকল্পনাধীন উন্নতিতে পূর্ব-পশ্চিমে বৈষম্য বেড়ে যায়, ১৯৬১-৬৫ পরিকল্পনায় সেটা কমানো হবে এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা কার্যকর হয়নি।

ওদিকে জিনিসপত্রের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। যুবকরা কাতর হয়ে পড়েছে কর্মসংস্থানের স্বল্পতায়। গ্রামাঞ্চলে বিডি মেম্বার, চেয়ারম্যান ও টাউটদের দৌরাত্ম্য দুঃসহ হয়ে উঠছিল। পুলিশ ও আমলাদের উৎপাত বৃদ্ধি অব্যাহত ছিল। বিশেষভাবে অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েছে ছাত্ররা। শিক্ষা কমিশনের সুপারিশে শিক্ষাকে ব্যয়বহুল এবং শিক্ষার সুযোগকে সংকুচিত করার সরকারি নীতি ছিল হতাশাজনক। বিশেষভাবে বিএ পাসের জন্য শিক্ষাসময় দুই বছরের জায়গায় তিন বছর করাটা ছিল অপ্রত্যাশিত ও দুঃসহ এক আঘাত। তরুণ ছাত্রদের মধ্যে রাজনৈতিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল। তাদের অগ্রজরা রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন করেছে, চুয়ান্নতে যুক্তফ্রন্টের জয়ের জন্য সভা-সমাবেশে যোগ দিয়েছে, প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন করেছে, অথচ সামরিক শাসন এসে তাদের গৃহবন্দি করে অরাজনৈতিক প্রাণীতে পরিণত করার চেষ্টায় ছিল। ছাত্ররা আন্দোলন শুরু করে দেয় ১৯৬২ সালের শুরুতেই। বিশেষ ঘটনা হয়ে এসেছিল হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর গ্রেপ্তারে। তিনি গ্রেপ্তার হলেন ৩০ জানুয়ারি রাতে, করাচিতে। প্রতিক্রিয়ায় ঢাকার ছাত্ররা তপ্ত হয়ে ওঠে, তারা এমনিতেই আন্দোলনের কথা ভাবছিল। সোহরাওয়ার্দীর গ্রেপ্তারের ঘটনা উত্তাপকে বিস্ফোরণের দিকে এগিয়ে দিল। এতে আওয়ামীপন্থি ছাত্রলীগ এবং বামপন্থি বিভক্ত দুই ছাত্র ইউনিয়ন একসঙ্গে হয়। পেছনে কাজ করেছিল ছাত্রদের মাধ্যমে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন শুরু করার ব্যাপারে শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে মণি সিংহের একাধিক বৈঠকের উপনীত সিদ্ধান্ত।

১৯৬১ সালের ডিসেম্বরের দিকে আইয়ুব খানের কৌশলগুলো শেষ হয়ে আসছিল। প্রথমেই তিনি দুর্নীতি দমন করবেন বলে হৈচৈ বাধিয়েছিলেন। তারপর উন্নয়ন শুরু করেন। তার ক্ষমতা গ্রহণের বৈধতা দানের প্রশ্ন ছিল। তিনি ঘোষণা দিলেন যে, পাকিস্তানের জন্য পশ্চিমা ধরনের গণতন্ত্র কাজ দেবে না। তাই এখানে নতুন ধরনের গণতন্ত্র চালু করা চাই। ১৯৫৬ সালের সংবিধানের এক ইউনিট ও পূর্ব-পশ্চিম দুই অঞ্চলের ভেতর সংখ্যাসাম্য অটুট দেখে তিনি চালু করলেন নতুন এক ‘গণতান্ত্রিক’ ব্যবস্থা। নাম দিলেন বুনিয়াদি গণতন্ত্র। এ ব্যবস্থায় জনগণ যে ভোট দিতে পারবে না তা নয়; তবে তারা ভোট দিয়ে বুনিয়াদি গণতন্ত্রীদের নির্বাচিত করবে, নির্বাচিতরা ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করবে এবং উচ্চতর পর্যায়ে যতগুলো পরিষদ থাকবে, প্রাদেশিক ও জাতীয়, সবগুলোর জন্য নির্বাচকমণ্ডলী হিসেবে কাজ করবে। রাষ্ট্রব্যবস্থা হবে প্রেসিডেন্সিয়াল এবং প্রেসিডেন্টও এদের ভোটেই নির্বাচিত হবেন। বুনিয়াদি গণতন্ত্রীদের সংখ্যা হবে ৮০ হাজার; পূর্ব-পশ্চিমে সমান-সমান ভাগ, ৪০ হাজার-৪০ হাজার। ব্রিটিশ আমলে ইউনিয়ন বোর্ড ছিল, সে জায়গায় ইউনিয়ন পরিষদ বসানো হলো, অনেক বেশি ক্ষমতা দিয়ে। বুনিয়াদি গণতন্ত্রীরাই হলো শাসনব্যবস্থার মূল বুনিয়াদ। সব স্তরের প্রতিনিধিদের নির্বাচন ক্ষমতা এদের হাতে থাকল। জনগণের কাছে নির্বাচিতদের কারোরই কোনো জবাবদিহি রইল না। ইউনিয়ন পরিষদকে রাজস্ব আদায় ও ব্যয় করার ক্ষমতাও দেওয়া হলো।

আমেরিকানরা আইয়ুব খানের মধ্যে প্রকৃত বন্ধুর সন্ধান পেয়ে গিয়েছিল; তারা সামরিক এবং উন্নয়ন উভয় খাতে প্রচুর অর্থ সরবরাহ শুরু করল এবং উন্নয়নের টাকার একাংশ স্থানীয় পরিষদগুলোকে দেওয়া হলো। খয়রাতি মার্কিনি গম বেচার টাকা থেকেও তারা কিছুটা অংশ পেত। ওয়ার্কস প্রোগ্রাম নামে গ্রামে একটা কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল। সবকিছু মিলিয়ে দেশে একটা ঠিকাদারি ব্যবস্থা চালু হয়ে গেল। ব্রিটিশরা নিজেদের প্রয়োজনে বিশ্বস্ত জমিদার তৈরি করেছিল। আইয়ুব খান বিশ্বস্ত বুনিয়াদি গণতন্ত্রী তৈরি করতে চাইলেন। কিন্তু তার ওই স্থানীয় পরিষদগুলো যে অবাধ স্বাধীনতা পেয়ে গেল তা নয়, সব পর্যায়েই নিয়ন্ত্রণ রইল আমলাদের হাতে। আইয়ুব শাসনের মূল মন্ত্রটিই ছিল রাষ্ট্রকে আরও বেশি আমলাতান্ত্রিক ও পুঁজিবাদী করা।

১৯৬০ সালের জানুয়ারিতে বুনিয়াদি গণতন্ত্রীদের প্রথম নির্বাচন হয়। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে, আইয়ুব খান শতকরা ৯৫.৬ ভাগ আস্থা ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে গেলেন। প্রেসিডেন্ট হয়ে একটা সংবিধান জারি করলেন। সংবিধানের অধীনে প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় পরিষদের নির্বাচন হয়ে গেল। রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ছিল, তবু কিন্তু দেখা গেল নির্দলীয়ভাবে রাজনৈতিক লোকেরা অংশ নিয়েছেন এবং অনেকেই জিতে এসেছেন। মুসলিম লীগ দলের সরদার বাহাদুর খান হলেন বিরোধী দলের নেতা; ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন আইয়ুব খানের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা। দ্বিতীয়বার বুনিয়াদি গণতন্ত্রের নির্বাচন হয় ১৯৬৪-তে। এরপর ১৯৬৫-এর জানুয়ারিতে আইয়ুব খান আবারও প্রেসিডেন্ট হলেন। তবে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলো। সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছিল মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর ভগ্নি ফাতেমা জিন্নাহকে। ফাতেমা জিন্নাহর নাম প্রস্তাব করেছিলেন মওলানা ভাসানী। একজন নারীকে এ মনোনয়ন দেওয়াতে বিরোধীদলীয় জোটের অন্তর্ভুক্ত জামায়াতে ইসলামী প্রথমে অসম্মতি জানালেও, পরে অনুকূল শরিয়তি ব্যাখ্যা সংগ্রহ করে প্রস্তাবটি মেনে নেয়।

নির্বাচনে তো ভোট দেবেন শুধু ৮০ হাজার বুনিয়াদি গণতন্ত্রী; তবু প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রবল হবে এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। কারণ, জনমত আইয়ুবের পক্ষে ছিল না; বিরোধী দলগুলোও একাট্টা হয়েছিল; এর চাপ বুনিয়াদি গণতন্ত্রীদের ওপর গিয়ে পড়ছিল। আইয়ুবের পক্ষেও প্রচার-প্রচারণার কোনো প্রকার অভাব ঘটেনি। টেলিভিশন ছিল না, নির্বাচনের আগে টেলিভিশন চালু করা হলো এবং টেলিভিশনকে ব্যবহার করা শুরু হলো আইয়ুব শাহির গুণগান প্রচারকে জোরদার করার কাজে। প্রেস ট্রাস্ট গঠন করে উভয় পাকিস্তানে নতুন কয়েকটি দৈনিক পত্রিকা বের করা হলো। আর প্রশাসনকে ব্যবহার করা তো চলছিলই। তবে তার মাত্রা বাড়ল। সরকারের পক্ষ থেকে রটিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, বিরোধী দল ক্ষমতা পেলে প্রথম চোটেই বুনিয়াদি গণতন্ত্র ব্যবস্থা ভেঙে দেবে; ক্ষমতা হারানোর ওই শঙ্কা বুনিয়াদি গণতন্ত্রীদের ওপর গিয়ে পড়েছিল বৈকি। তবে সবকিছুর সারমর্ম দাঁড়াল এই যে, আইয়ুবই জিতলেন। পশ্চিমে তো বটেই, পূর্বেও জিতে গেলেন; দেখা গেল পূর্বে ফাতেমা জিন্নাহ পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪৩৪ ভোট, বিপরীতে আইয়ুব খানের প্রাপ্তি ২১ হাজার ১২। তবে আইয়ুব ঢাকা ও করাচিতে পরাজিত হয়েছিলেন।

সবটাই ছিল একটা কৃত্রিম ব্যবস্থা। ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া। জনসম্মতির দরকার পড়েনি। সেনাপ্রধান জোর করে ক্ষমতা দখল করেছেন এবং বলপ্রয়োগ করেই শাসন করছিলেন। জোরটা ছিল একাধিক জায়গায়। দেশের ভেতরে সামরিক বাহিনী, আমলাতন্ত্র ও ব্যবসায়ী মহল। কনভেনশন মুসলিম লীগ নাম দিয়ে তিনি মুসলিম লীগকেও জবরদখল করে নিয়েছিলেন। রাজনীতিকদের প্রথমে আটক করে, পরে মামলা দিয়ে জনপ্রতিনিধি হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করে, কাউকে কাউকে দলে টেনে নিয়ে এবং বুনিয়াদি গণতন্ত্রীদের তৈরি করে নিজের শক্তিবৃদ্ধি করার চেষ্টা করেছেন। দেশের বাইরে ছিল সাম্রাজ্যবাদীদের সমর্থন, বিশেষ করে আমেরিকার সমর্থন। কিন্তু কোনো কিছুই তাকে শেষ রক্ষা দিতে পারল না। মানুষ যখন ক্ষেপে গেল, তখন যে সেনাবাহিনী ছিল তার শক্তির আসল উৎস তার কর্তারাও আর তার সঙ্গে রইল না। রক্তপাত না ঘটিয়ে এসেছিলেন, খেলা শেষে বিনা রক্তপাতেই চলে গেলেন।

যাই হোক, নির্বাচনে জিতে আইয়ুব খান উৎফুল্ল হয়েছিলেন। তার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। জুলফিকার আলি ভুট্টো তখন তার অতিউৎসাহী পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভুট্টো অদম্য জাতীয়তাবাদী, প্রয়োজনে ঘাস খাবেন তবুও হাজার বছর ধরে হলেও ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন—এটাই তার ঘোষিত নীতি; তিনি তার প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানকে যুদ্ধে উৎসাহিত করলেন, উৎসাহ অবশ্য আইয়ুব খানের নিজেরও ছিল; ফলে দেখা গেল ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত যুদ্ধ বেধে গেছে। সেই যুদ্ধে পাকিস্তান সুবিধা করতে পারেনি। পরিণামে পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষ, যারা আক্রান্ত হয়েছিল, অসন্তুষ্ট হয়ে পড়ল। সেনাবাহিনীর ভেতরেও এক ধরনের অসন্তোষ দেখা দিল। পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ দেখল তারা একেবারেই অরক্ষিত, ভারত ইচ্ছে করলেই আক্রমণ করতে পারত, কিন্তু তারা তা করেনি বলেই ক্ষয়ক্ষতি ঘটেনি। বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বসল লাহোরে, ১৯৬৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে। ওই সম্মেলনের বিষয়-নির্বাচনী কমিটিতে শেখ মুজিবুর রহমান তার ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করলেন। স্বভাবতই তা গৃহীত হয়নি।

ছয় দফা উত্থাপন করাকে আইয়ুব খান একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করলেন। ক্রমবর্ধমান জনঅসন্তোষের মুখে তার জন্য একটি অভ্যন্তরীণ শত্রু প্রয়োজন ছিল, যাকে দেখিয়ে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষ ও সেনাবাহিনীকে একাট্টা হয়ে তার পেছনে দাঁড়াবার জন্য ডাক দিতে পারেন। শেখ মুজিব ও ছয় দফাকে তিনি সেই শত্রু হিসেবে দাঁড় করালেন। বললেন, ছয় দফা জাতীয় সংহতি বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র মাত্র এবং হুঙ্কার দিলেন যে, এ ধরনের তৎপরতা বরদাশত করা হবে না। আইয়ুববিরোধী পশ্চিম পাকিস্তানি নেতারাও ছয় দফাকে তাদের স্বার্থের বিরোধী হিসেবেই দেখলেন এবং প্রায় সবাই এর জোর বিরোধিতা করলেন। এতে করে পূর্ব ও পশ্চিমের দূরত্বটা আরও পরিষ্কার হলো।

লেখক: ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আরাও এক আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত প্রার্থী

গভীর রাতে বিসিবি সভাপতি বুলবুলের দেশ ছাড়ার গুঞ্জন!

ডাকসু নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য : দুঃখ প্রকাশ সেই জামায়াত নেতার

আর্সেনালকে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগ জমিয়ে তুলল ম্যানইউ

তৌহিদ হোসেন ও ইসহাক দারের ফোনালাপ

ইয়ামালের অসাধারণ গোলে আবারও লা লিগার শীর্ষে বার্সা

ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে, দাবি তার ভাইয়ের

কিশোরদের কানে ধরে ওঠবস বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন ডাকসুর সর্বমিত্র

বাগেরহাটের ডিসি-এসপিকে ফোন করে হুমকি

বিএনপির জনসভার ১৮টি মাইক, ৫ কয়েল তার চুরি

১০

দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই বিএনপির রাজনীতি : রিজভী

১১

সিরাজগঞ্জে বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

১২

তারেক রহমানই বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে পারবেন :  সালাম

১৩

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ঢামেকে শোক বই, উদ্বোধন করলেন ড্যাব সভাপতি 

১৪

শাকিবের গ্রিন কার্ড পাওয়ার ‘গোপন’ খবর ফাঁস করলেন অমিত হাসান

১৫

ইসিকে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছ ভোট গণনা নিশ্চিত করতে হবে : রবিউল

১৬

ঢাবির মাঠে খেলতে আসায় কানে ধরালেন ডাকসুর সর্বমিত্র

১৭

সোমবার গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

১৮

তারেক রহমানের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : মঈন খান

১৯

মাদুরোকে গ্রেপ্তারে মার্কিন অভিযানের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

২০
X