ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০২:৩৫ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ব্যাটিং ব্যর্থতার আরও একটি হার

ব্যাটিং ব্যর্থতার আরও একটি হার

ব্যাটিং ব্যর্থতায় মোড়ানো আরও একটি হারের গল্প। পাল্লেকেলে থেকে লাহোর হয়ে এবার প্রেমাদাসা—ব্যাটিংয়ে উন্নতিটাই শুধু হলো না। মাঠ বদলেছে, বদলায়নি বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা। এবার শ্রীলঙ্কার কাছে ২১ রানে হেরে এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলে ওঠার আশা আরও নিভে গেল। কাগজে-কলমে সুযোগ থাকলেও এমন পারফরম্যান্সের পর হয়তো আশার প্রদীপ নিভে যাওয়ারই কথা। এত জঘন্য ব্যাটিং প্রদর্শনীর পর বিশ্বকাপ নিয়ে আবারও নতুন করে ভাবতে হতে পারে টিম ম্যানেজমেন্টকে।

কলম্বোতে গতকাল ২৫৮ রান তাড়ায় ১১ বল বাকি রেখেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮২ রান করেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উইকেটে থাকতে না পারায় সেটিও গিয়েছে বৃথা। ম্যাচের পর এ ব্যাটারের প্রশংসা করেছেন অধিনায়ক সাকিবও, ‘সে সত্যিই ভালো খেলেছে। এখানে এলপিএলে খেলেছিল, সে আত্মবিশ্বাসটা নিয়ে এসেছে। সে যদি আরেকটু বড় ইনিংস খেলতে পারত!’ অধিনায়কের আফসোস হওয়াটাই তো স্বাভাবিক। হৃদয় মাঠে থাকলে হয়তো ম্যাচ জেতাতে পারতেন তিনি। কিন্তু টপঅর্ডার থেকে যে ব্যর্থতার ছবি শুরুতেই দলকে চেপে দিয়েছে, তাতে এ ম্যাচ থেকে বাংলাদেশ ছিটকে গেছে মুশফিকুর রহিমের বিদায়ের পরই।

উদ্বোধনী জুটিতে ৫৫ রানের ইনিংস। মেকশিপ ওপেনার মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোহাম্মদ নাঈমের এ জুটি যতটা স্বস্তির, তার পরের কয়েক ওভার আরও বেশি অস্বস্তির। লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শাকানার শর্ট বল পুল করতে গিয়ে ব্যাটে-বলে ঠিকভাবে সংযোগ করতে পারেননি মিরাজ। মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ব্যক্তিগত ২৮ রানে। কিছুক্ষণ যেতেই একই বোলারকে খেলতে গিয়ে ভুল করে বসেন আরেক ওপেনার নাঈম। দাসুন নিজেও হয়তো ভাবতে পারেননি শর্ট বলটা এভাবে তুলে দেবেন বাংলাদেশ ওপেনার। পুল করতে গিয়ে ৪৬ বলে মাত্র ২১ রান করা এই ব্যাটার বন্দি হন কিপারের গ্লাভসে। তিনে আসা লিটন দাস ও চারে আসা অধিনায়ক সাকিব, দুজনই ব্যর্থ। ২৮ রানের ব্যবধানে নেই ৪ উইকেট।

তীব্র চাপে আশার আলো দেখান মুশফিক-হৃদয়। ভালোই এগোচ্ছিলেন তারা। ৭৩ রানের জুটি হতেই মুশফিকের উইকেট উপহার দেওয়া। আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর আর ওভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি কেউই। শেষ দিকে নাসুম আর হাসান শুধু ব্যবধানটুকুই কমিয়েছেন, জেতাতে পারেননি।

অথচ একই পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কাকে দারুণভাবে লড়াইয়ের পথ দেখিয়েছিলেন সাদিরা সামারাবিক্রমারা। একপাশে থেকে সতীর্থদের নিয়ে দারুণভাবে দলকে আড়াইশর পুঁজি এনে দেন তিনি। জেতার জন্য এটাই যথেষ্ট ছিল তাদের।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কোথাও যেতে হবে না, বাড়িতেই পৌঁছে যাবে: ডা. জাহিদ

সুন্দরবনে ‘দুলাভাই বাহিনী’র সঙ্গে কোস্ট গার্ডের গোলাগুলি, নিহত ১

বিশ্বকাপে আর্জেন্টাইন কোচদের জাদু চলছেই

চার বছর পর আবারও প্রেক্ষাগৃহে ‘হাওয়া’

হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল

চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ৪ জনের মৃত্যু

মাদক থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে সামাজিক আন্দোলন জরুরি: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ আজাদ

সাবেক এমপি আশিকা সুলতানা তিন দিনের রিমান্ডে 

বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ

কোনো মূল্য দিয়ে ইরানের সঙ্গে চুক্তি করবে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও

১০

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ 

১১

‘হ্যারি কেইনের ওপর জাদু করা’ কে এই নানা কওয়াকু?

১২

যে ‘ভুল’ থেকেই কিংবদন্তি হয়ে উঠেছে ১০ নম্বর জার্সি, জানলে অবাক হবেন

১৩

নারায়ণগঞ্জে দুগ্রুপের সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ২০

১৪

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের একান্ত বৈঠক

১৫

যে কারণে ইসরায়েলিদের সঙ্গে ছবি তোলেনি লেবাননের প্রতিনিধিরা

১৬

১৫ দফা যৌথ ঘোষণা / তিস্তা প্রকল্পে সহায়তা দেবে চীন

১৭

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ

১৮

মারা গেলেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তারিক তাফু

১৯

ওমরাহ পালনে সৌদিতে ভাবনা, কাবা শরিফ দেখে আবেগঘন বার্তা

২০
X