

স্থায়ী প্যাভিলিয়নে বসেছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসর। এবারের আসরে গৃহিণীদের নজর ক্রোকারিজ পণ্যের স্টলে। ব্যাপক চাহিদাও বেড়েছে ক্রোকারিজ পণ্যের।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ছুটির দিনে মেলায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কিয়াম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ, দিল্লি অ্যালুমিনিয়াম, ওয়েলবার্গ, সিঙ্গার, নোভানা, নোয়া, নোভা, মিয়াকু, ইতালিয়ান ডিজনি নামের কয়েকটি স্টল বরাদ্দ নিয়েছে ক্রোকারিজ পণ্যের। প্রায় প্রতিটি স্টলে পা ফেলার জায়গা নেই বললেই চলে।
গৃহিণীরা চাহিদা মতো পণ্য কিনছেন, আবার কেউ ঘুরে ঘুরে দেখছেন পছন্দের পণ্য। আবার স্টলগুলোতে পণ্যভেদে ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় দেওয়া হয়েছে। সে হিসেবে ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে ক্রোকারিজ পণ্যের।
নাছিমা খানম বলেন, বাসাবাড়িতে প্রয়োজনীয় ক্রোকারিজ পণ্য কিনেছি। বাইরের থেকে মেলায় দাম একটু বেশিই মনে হচ্ছে। তবে সব মিলিয়ে ভালো লেগেছে মেলায় এসে।
গুতিয়াবো এলাকার গৃহিণী স্বর্ণা আক্তার বলেন, এ নিয়ে এবারের মেলায় দুবার আসা হয়েছে। আজকে ক্রোকারিজ পণ্য চাহিদা মতো কিনলাম। প্রচুর মানুষ রয়েছে ক্রোকারিজের দোকানে।
গোলাকান্দাইল এলাকার মানসুরা বেগম বলেন, পরিবারের সঙ্গে এসেছি মেলায়। চাহিদামতো কিছু পণ্য কিনেছি। গৃহস্থালি কিছু দরকারি জিনিস ক্রয় করেছি। শেষের দিকে আবার আসব ভাবছি।
দিল্লি অ্যালুমিনিয়ামের পরিচালক জীবন দাস বলেন, শুরু থেকেই আমাদের পণ্যের চাহিদা ছিল ভালো। ছুটির দিনে প্রচুর ক্রেতা-দর্শনার্থী ভিড় জমিয়েছেন। বেচাকেনা ভালো হচ্ছে।
ইতালিয়ান ডিজনির বিক্রয়কর্মী জামাল মিয়া বলেন, আমাদের স্টলে মোট ১০ জন কাজ করছেন। শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনে দুপুরের খাবার রাতে খেতে হয়। বেচাকেনা ভালো হলে মানসিকতাও ভালো থাকে।
মিয়াকু ক্রোকারিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুমিনুল কালবেলাকে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ এবারের আসরে বেচাকেনায় মুগ্ধ আমরা। আমাদের একটা টার্গেট ছিল মাসব্যাপী এ মেলায়। টার্গেট আগেই পূরণ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবির সচিব ও বাণিজ্য মেলার পরিচালক তরফদার সোহেল রহমান কালবেলাকে বলেন, ছুটির দিনে প্রচুর ক্রেতা-দর্শনার্থী সমাগম হচ্ছে। ব্যবসায়ী ও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।
মন্তব্য করুন