কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:১৬ এএম
আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:২৬ এএম
অনলাইন সংস্করণ

সর্বনিম্ন এলসি নিষ্পত্তি সেপ্টেম্বরে

চট্টগ্রাম পোর্ট। ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রাম পোর্ট। ছবি : সংগৃহীত

আমদানি-রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় ডলার ব্যাংকগুলো দিতে না পারায় ব্যবসায়ীরা লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) বা ঋণপত্র খুলতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। দিন দিন এই সংকট তীব্রতর হচ্ছে। ফলে সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সেপ্টেম্বরে সর্বনিম্ন এলসি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এলসি খোলার পরিমাণও আগস্টের তুলনায় প্রায় ১৬.১% কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এলসি সেটেলমেন্ট বা আমদানি পেমেন্ট সেপ্টেম্বরে ছিল ৪.৩৭ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২০ সালের অক্টোবরের পর থেকে সর্বনিম্ন। সেপ্টেম্বরে ব্যাংকগুলো ৪.৬৯ বিলিয়ন ডলারের এলসি খুলেছে, যা আগস্টে ছিল ৫.৫৯ বিলিয়ন ডলার। জুলাই-আগস্ট মাসে ভোগ্যপণ্যের এলসি খোলা কমেছে ৩৯.২৫ শতাংশ।

রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর এলসি খোলার সক্ষমতা কমে যাচ্ছে উল্লেখ করে একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, আমাদের ডলারের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্সপ্রবাহ ছিল স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৫০০-৬০০ মিলিয়ন ডলার কম। এর ফলস্বরূপ আমরা সহজে এলসি খুলছি না।

সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পেমেন্টের চাপ কমাতে গত এক বছর ধরে ব্যাংকগুলো এলসি খোলা কমিয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশের অর্থনীতিতে ভবিষ্যতে কী ঘটতে পারে তার একটা আভাস আমদানি এলসি খোলার পরিমাণ দেখলেই পাওয়া যাবে। ডলারের সংকটের কারণে ক্যাপিটাল মেশিনারি, মধ্যবর্তী পণ্যের জন্য এলসি খোলার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ভবিষ্যতে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হবে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই।

আরেক ব্যাংকার বলেন, জুলাই ও আগস্টে ব্যাংকগুলোর ডলারের তারল্য ভালো ছিল। সেপ্টেম্বরে তারল্য কিছুটা কমেছে, তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় তা ভালো। ব্যাংকগুলো এখন এলসি খোলার ব্যাপারে খুবই সতর্ক। তার মতে, আগামী দিনে ডলারের অবস্থা কেমন হবে তা বোঝা যাচ্ছে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, এখন আমরা ২৭০ দিন বা নয় মাসের জন্য ডিফার্ড এলসি খুলতেও দেখছি। এই এলসিগুলোর পেমেন্ট ১০ থেকে সাড়ে ১০ মাস পরে করতে হয়। দেরিতে পরিশোধের কারণে আলাদাভাবে ডলারে সুদ দিতে হয় এবং সুদের ওপর ২০% ট্যাক্স এনবিআরকে দিতে হয়। এই খরচটাও আলাদাভাবে পণ্যের দামের সঙ্গে যোগ হবে।

এদিকে বিশ্বব্যাপী সুদের হার বাড়ছে। বর্তমান বাজেটে সুদের অর্থ প্রদানের ওপর আরোপিত ২০% ‘উইথহোল্ডিং ট্যাক্স’ বিদেশি ঋণকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলেছে। ঋণের খরচ প্রায় ১১% বেড়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাতক্ষীরায় ‘মাদকবিরোধী সপ্তাহ’ ঘোষণা খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির

আন্দোলনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার নিয়োগপ্রত্যাশীর

লন্ডনে ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রামের মেজবান

স্ত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় প্রাণ গেল স্বামীর

চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের ২ সহযোগী গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

এইচএসসি’র কারণে কুড়িগ্রামে ৭ দিনের লোডশেডিং স্থগিত

হাওরাঞ্চলে এক মাসে শিক্ষার মানোন্নয়ন না হলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ববি

অস্ত্রের আস্তানায় র‍্যাবের হানা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৫

সৌদি আরবের তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরাক থেকে ড্রোন হামলা

শুধু সরকার পরিবর্তনের জন্য জুলাই বিপ্লব হয়নি : গোলাম পরওয়ার

১০

দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২

১১

লক্ষ্মীপুর / ‘টাকার বিনিময়ে’ প্রবাসীদের দিয়ে যুবদলের কমিটি, ১৬ নেতার পদত্যাগ

১২

বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

বিশ্বকাপ পরবর্তী স্নায়ুযুদ্ধ / স্পেনের ওপর প্রতিশোধ নিল আর্জেন্টিনা

১৪

বাংলাদেশ মাদ্রাসা সংরক্ষণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

১৫

দাবি নিষ্পত্তিতে গতি আনতে না পারলে বিমা খাতে আস্থা ফিরবে না

১৬

সড়কে প্রাণ গেল দুই বোনসহ ৩ জনের

১৭

বিজ্ঞাপন চুক্তির প্রলোভনে ডেকে নিয়ে অভিনেত্রীকে শারীরিক নির্যাতন!

১৮

ঢাবিতে ছাত্রীহলের ‘হয়রানিমূলক’ নিয়ম প্রত্যাহারের দাবি

১৯

২০৩০ বিশ্বকাপ কোথায়, সরাসরি কয়টি দেশ খেলবে?

২০
X