কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৩, ০৮:১০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

নীলফামারীতে বিলুপ্তির পথে শীতলপাটি তৈরির পাটিবেত

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে শীতলপাটি তৈরির মুর্তার একটি খেত। ছবি : কালবেলা
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে শীতলপাটি তৈরির মুর্তার একটি খেত। ছবি : কালবেলা

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে শীতলপাটি তৈরির মুর্তা বা পাটিবেত চাষ কমে গেছে। এতে কাঁচামালের অভাবে পাটির কারিগররা বিপাকে পড়ছেন। বেড়েছে দামও।

স্থানীয় ভাষায় এ পাটিবেত ‘মোতা’ নামে পরিচিত। এক সময় দেশের উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে নীলফামারী জেলার প্রায় সবখানেই এর চাষ হতো।

কিশোরগঞ্জ উপজেলায় এ মুর্তার চাষ হতো বেশি। বর্তমানে এ উপজেলায় এটি বিলুপ্তপ্রায়।

মোতা চাষি মো. মজিবর রহমান বলেন, ‘উত্তর বঙ্গত যে যে উপজেলায় নীলফামারীর মেয়ে-ছওয়া ছিল, সে সে উপজেলায় মোতার চাষ হয়েছিল। নীলফামারী জেলাত কয়োটা উপজেলাত মোতা আবাদ হছিল, যা চোখে পড়ার মতো বিশেষ করে কিশোরগঞ্জ থানাত সউগ ইউনিয়নে আবাদ হছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন আবাদ করতে খরচ ও পরিশ্রম বেশি হওয়ায় কমি গেইছে চাষাবাদ। ধরি নেন বাড়িত একশ মোতার শুটা থাকা মানে একশ মণ ঘরত বা মাচাত ধান থাকা। একান তেহাতা শপ বানাইলে যা টাকা হতো তা দিয়ে চাউল-ডাউলসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কেনা যেত। এখনকার মানুষ আলসিয়া হয়া গেইছে।’

ব্যবসায়ী রমজান আলি বলেন, ‘কিশোরগঞ্জ বাজারে মুর্তার কদর ছিল প্রচুর। অনেক দূর-দূরান্তর থেকে পাইকার এসে শীতলপাটির কাঁচামাল কিনে নিতেন। এসব সারা দেশে সরবরাহ করা হতো। এখন এ কৃষিপণ্য বিলুপ্তের পথে।’

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম বলেন, ‘আমরা শীতলপাটির মুর্তা চাষিদের প্রশিক্ষণ ও ভর্তুকির মাধ্যমে এর চাষাবাদ ধরে রাখার পদক্ষেপ নেব।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘যারা হস্তশিল্প হিসেবে শীতলপাটির মুর্তা চাষে আগ্রহী, তাদের তালিকা করে সহযোগিতা করা হবে।’

কালবেলা/এএএম/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিয়ের আশ্বাসে বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে মামলা

জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছরেও পূরণ হয়নি শ্রমিকের প্রত্যাশা: সাইফুল হক

অস্তিত্ব সংকটে পান্ডারখাল বাঁধ, হুমকির মুখে দেখার হাওরের বিস্তীর্ণ ফসলাদি

ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

ভারী বৃষ্টিতে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ফের দেশে বন্যার শঙ্কা

গণভোটের বিরুদ্ধে গিয়ে সংবিধান বাস্তবায়ন করছে বিএনপি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

নিহত মার্কিন সেনাদের মরদেহ গ্রহণ সবচেয়ে কঠিন কাজ: ট্রাম্প

জনপ্রতিনিধিরা জনগণের কল্যাণে কাজ করবে, লুটপাট করা তাদের দ্বায়িত্ব না: খোকন

আমেরিকানরা ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে নয়, দাবি ট্রাম্পের

‘যতবার হরমুজের জাহাজে হামলা ততবার ইরানের বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হবে’

১০

কারও কাছে মাথা নত করতে রাজনীতি করি না: খোরশেদ আলম

১১

ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মকবুল তিন দিনের রিমান্ডে

১২

মহিলা কলেজে চাকরি করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা

১৩

নারীকাণ্ডে বহিষ্কার এমপি নজরুলের বিষয়ে যে তথ্য জানালেন ইসি আনোয়ারুল

১৪

সৌদি আরবের ওপর হুতিদের নৌ অবরোধ, নিন্দা জানাল ঢাকা

১৫

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড

১৬

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

১৭

ফাইনালে কেমন ছিল রেফারিং? এবার মুখ খুললেন মেসিদের কোচ

১৮

‘বহিষ্কার’ আর ‘পদত্যাগ’ এক নয়, গাজী নজরুলকে নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার 

১৯

ভিডিওকাণ্ডে জামায়াত নেতা দল থেকে বহিষ্কার, শ্যামনগরে মিষ্টি বিতরণ

২০
X