মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৪:৫৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

প্রায় দেড়শ বছরের দুষ্প্রাপ্য গাছ, কাটছে না পরিবারের মায়া

দেড়শ বছরের শ্বেতচন্দন গাছ। ছবি : কালবেলা
দেড়শ বছরের শ্বেতচন্দন গাছ। ছবি : কালবেলা

যশোরের মনিরামপুরে প্রায় দেড়শ বছরের দুষ্প্রাপ্য শ্বেতচন্দন গাছ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কর্তৃপক্ষ। কোনো কাজে না এলেও পরিবারের ঐতিহ্য রক্ষায় নিয়ম করে দিতে হচ্ছে পাহারা।

শ্বেতচন্দনের বোটানিক্যাল নাম স্যান্টালুম এ্যালবাম। শ্বেতচন্দনের আদিবাস ভারতে হলেও শ্রীলঙ্কাতেও পাওয়া যায়। ভারতের কর্ণাটক, তামিলনাড়ুসহ কয়েকটি জায়গায় এই গাছের অস্তিত্ব দেখা যায়।

গাছটি মনিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া ইউনিয়নের পীরবাড়ি খ্যাত কাশীপুর সিদ্দীকীয়া আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে রয়েছে। প্রায় দেড়শ বছর আগে এ গাছটি পীরবাড়ির একজন পূর্বপুরুষ ভারত থেকে নিয়ে এসে এই মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে রোপণ করেন।

জানা যায়, শ্বেত বা সাদা, লাল ও পিত এই তিন ধরনের চন্দন গাছের মধ্যে শ্বেতচন্দন গাছ অতি মূল্যবান। গাছটির কাঠ প্রসাধনী সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহার হয়। এই গাছের মূলত পাকা বা পরিপক্ব (কাঠ) অংশটি ব্যবহৃত হয়। এ গাছের মধ্য ভাগ থেকে এক ধরনের তেল উৎপাদন হয়, যা খুবই মূল্যবান।

পীরবাড়ির বর্তমান পীরজাদা হাফিজুর রহমান জানান, শত বছর আগে তার দাদা মরহুম আব্দুস সবুর ভারতের কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় পড়তে যান। তিনি ভারত থেকে এই গাছের চারা এনে মাদ্রাসায় রোপণ করেন। তখনো কেউ জানতেন না এটি কী গাছ? দাদা প্রয়াত হওয়ার অনেক পরে জানতে পারেন এটি শ্বেতচন্দন গাছ। প্রায় দেড়শ বছর বয়স হলেও গাছটি উচ্চতায় ১৮ মিটার।

তিনি আরও জানান, বছর দশেক আগে কয়েকজন অপরিচিত লোক এসে এই গাছটি ৫ লাখ টাকায় কেনার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু গাছটিতে পূর্বপুরুষের হাতের ছোঁয়া থাকায় পারিবারিক ঐতিহ্য হিসেবে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে জানতে পারেন গাছটি চুরি হতে পারে। তারপর থেকে নজরে রাখা হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জব্দ করা সুপারট্যাংকার ছেড়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র

নির্বাচন থেকে সততা পালিয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল

দুটি আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক চায় না জামায়াত

পৈতৃক ভিটায় ফিরছেন তারেক রহমান, সন্তানকে বরণে প্রস্তুত বগুড়া

সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকার বেতন বৃদ্ধি নিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন

জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

রাজশাহীতে পৌঁছেছেন তারেক রহমান

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে: ফারিয়া

বাসে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু জামায়াতের

বিএনপির জনসভায় জনস্রোত, মিছিল-স্লোগানে উত্তাল রাজশাহী

১০

রণবীর সিংয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর, অভিযোগ গুরুতর

১১

অবৈধ অস্ত্রসহ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

১২

সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো সুপার বোর্ড পার্টনার্স ফেস্টিভ্যাল

১৩

কঠিন শর্তের বেড়াজালে দীপিকা; ‘কল্কি’র সিক্যুয়েলে থাকছেন সাই পল্লবী!

১৪

আলজাজিরাকে ডা. শফিক / নারীরা কখনো জামায়াতের প্রধান হতে পারবেন না

১৫

নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে প্রশাসন ব্যর্থ : খেলাফত মজলিস

১৬

পঞ্চগড়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ

১৭

জাহাজ বিল্ডিংয়ে জঙ্গি নাটক / শেখ হাসিনাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

১৮

জাতিসংঘের কার্যালয় গুঁড়িয়ে দিল ইসরায়েল, ১১ দেশের নিন্দা

১৯

জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

২০
X