সিলেট ব্যুরো
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৩, ০৭:৪৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ছয় দিন পর সিলেটের স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু

সিলেট স্থলবন্দর। ছবি : সংগৃহীত
সিলেট স্থলবন্দর। ছবি : সংগৃহীত

শুল্ক কর ও আমদানি শুল্ক বাড়ানোর প্রতিবাদে সিলেটের সব স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশন দিয়ে পাথর ও চুনা পাথর টানা ছয় দিন বন্ধ থাকার পর আমদানি শুরু হয়েছে।

সোমবার (২১ আগস্ট) ভারত থেকে পাথর আমদানি শুরু হয়।

কাস্টমস এক্সাইজ ভ্যাট কমিশনারেট সিলেটের উপকমিশনার সোলাইমান হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বোল্ডার ও চুনাপাথরে আমদানিতে টন প্রতি ১ থেকে দেড় ডলার বাড়ানোর প্রস্তাবনা ছিল। কিন্তু ব্যবসায়ীরা তাতে রাজি হননি। তারা পাথর আমদানি বন্ধ রাখেন। ২০ আগস্ট ব্যবসায়ীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এক ডলারের কম অর্থাৎ ৭৫ সেন্ট করে টন প্রতি রাজস্ব বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে সম্মত হয়ে ব্যবসায়ীরা সোমবার থেকে শুষ্ক বন্দর দিয়ে পাথর-চুনাপাথর আমদানি শুরু করেছেন। তবে কয়লা কিংবা অন্য কোনো পণ্য আমদানি নিয়ে কোনো ধরনের ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়নি।

তিনি বলেন, প্রায় দুই বছর আগে বোল্ডার ও চুনাপাথরে আমদানিতে টন প্রতি যথাক্রমে ১১ ও সাড়ে ১১ ডলার ধার্য ছিল। এছাড়া ৭ থেকে ৮ বছর আগে বোল্ডার ও চুনাপাথর আমদানিতে টন প্রতি রাজস্ব ছিল ৯ ও সাড়ে ৯ ডলার।

ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানি শুল্ক ও কাস্টমস ডিউটি বৃদ্ধির প্রতিবাদে ১৬ আগস্ট থেকে সিলেট বিভাগের সব স্থলবন্দর ও শুল্কস্টেশন দিয়ে পাথর ও চুনাপাথর আমদানি বন্ধ রাখা হয়।

জানা যায়, শুল্ক বাড়ানো নিয়ে কয়েকদিন ধরেই স্থলবন্দর ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমদানিকারকদের বাদানুবাদ চলছে। ব্যবসায়ীরা বাড়তি শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানালেও কাস্টমস কর্মকর্তারা এতে রাজি হননি। অবশ্য ২০ আগস্ট উভয় পক্ষের বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়ায় আমদানি সচল হয়।

ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, এমনিতেই ব্যবসার অবস্থা খারাপ। তার ওপর টন প্রতি দুই ডলার করে কাস্টমস ডিউটি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। কাস্টমসের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে চুনাপাথরের ডিউটি (ইমপোর্ট অ্যাসেসমেন্ট রেট) সাড়ে ১১ ডলার থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ১২ ডলার এবং বড় পাথরের (বোল্ডার) রেট ১১ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৩ ডলার করার কথা জানানো হয়েছিল। এর ফলে প্রতি ট্রাকে ব্যয় ১২শ’ থেকে ১৩শ’ টাকা বেড়ে যাওয়ায় ব্যাবসায়ীদের পক্ষ থেকে আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাই সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত বোল্ডার ও চুনাপাথর আমদানি বন্ধ রাখা হয়েছিল।

সিলেট বিভাগে তামাবিল স্থলবন্দর ছাড়া আরও ১২টি শুল্ক স্টেশন রয়েছে। এগুলো দিয়ে মূলত চুনাপাথর ও বোল্ডার আমদানি করা হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অবসর সুবিধা বোর্ডে অনিষ্পন্ন আছে ৬৭ হাজার আবেদন: শিক্ষামন্ত্রী

৪ বছরেও শেষ হয়নি সেতু নির্মাণ কাজ

ফাইনালের আগে দেখা যাবে মেসি-রোনালদোর দ্বৈরথ? কী বলছে সমীকরণ

বেশি দামে বিক্রির লোভে ছাগলের মুখে পাইপ, ভিডিওতে তোলপাড়

১৩২ শতক জমির লাউ-কুমড়া গাছ কাটল দুর্বৃত্তরা

এমটিবির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে একেএম তারেকের যোগদান

পে-স্কেলে সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনায় বেসরকারিরাও

বিশ্বকাপের মাঝেই সন্তান হারানোর শোক! দেশের স্বার্থে দল ছেড়ে পরিবারে ফিরলেন না গ্যাকপো

৮২ লাখ টাকা চিকিৎসা ব্যয়ের ব্যাখ্যা দিলেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা

যুবদল নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল

১০

উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতার ভিত কাঁপিয়ে দিতে পারে যে ‘রক্তসূত্র’

১১

বিধবা নারীর ঘর থেকে গভীর রাতে ইমাম আটক

১২

লো সেলসোর ফ্রি কিকের পেছনে কলকাঠি নেড়েছিলেন মার্টিনেজ

১৩

পুকুরে ভাসছিল মরদেহ, তরুণীকে খুঁটিতে বাঁধলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন

১৪

গুলশানে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি গ্রেপ্তার

১৫

ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃত ১৪০০ ছাড়াল, উদ্ধার চলছেই

১৬

দুই দল গ্রামবাসীর মাঝে তুমুল সংঘর্ষে আহত ২০

১৭

ছেলের কুড়ালের আঘাতে প্রাণ গেল বাবার

১৮

আন্তর্জাতিক বজ্রপাত নিরাপত্তা দিবস আজ

১৯

চূড়ান্ত হলো ২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউটের লাইন-আপ

২০
X