

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় এলে চাঁদাবাজদের পুনর্বাসনের পথে না গিয়ে তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। যাতে তারা অপরাধ থেকে সরে এসে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। এই জনসভার আয়োজন করা হয় জামায়াত মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত মেহেরপুর-১ আসনের প্রার্থী তাজ উদ্দিন খান এবং মেহেরপুর-২ আসনের প্রার্থী নাজমুল হুদার পক্ষে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মেহেরপুর একটি ছোট জেলা হওয়া সত্ত্বেও এখানেও চাঁদাবাজির বিস্তার ঘটেছে। জনগণের রায়ে সরকার গঠন করতে পারলে এসব মানুষের দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে এবং তাদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ভোটের মাধ্যমে জনগণের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি ভোটারদের ভোটকেন্দ্র সুরক্ষিত রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটাধিকার রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
গত পাঁচ দশকের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, এই সময়ের মধ্যে দেশে ন্যায়বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এর ফলে তরুণ সমাজ মাদক ও অপরাধের দিকে ঝুঁকছে। তিনি দাবি করেন, দায়িত্ব পেলে তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি গর্ব করার মতো রাষ্ট্র গড়ে তোলা হবে।
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী দুর্নীতিতে জড়াবে না এবং কোনো ধরনের দুর্নীতিকেও প্রশ্রয় দেবে না। জনগণ ইতোমধ্যে তাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বেকার ভাতা প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভাতা দিয়ে বেকারত্ব কমে না; বরং কর্মসংস্থানই এর স্থায়ী সমাধান। তাই জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ভাতার পরিবর্তে কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
জনসভা শেষে কেন্দ্রীয় জামায়াত আমির মেহেরপুর জেলার দুটি আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ তুলে দেন এবং ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
মন্তব্য করুন