

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপির দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।বালুর লোড-আনলোড ঘাট দখলকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ ঘটেছে বলে খবর।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ে শিমরাইল এলাকায় কাঁচপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় দুদফা সংঘর্ষ হয়।
জানা যায়, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের লোকজন ঘাট দখল করতে গেলে সংঘর্ষ হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে র্যাব-১১ এর একটি টিম। এসময় ঘটনাস্থলে থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বিপ্লব নামে একজনকে আটক করেছে র্যাব।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিপন সরকার বলেন, বহুল আলোচিত সাত খুন মামলার আসামি নূর হোসেনের ছোট ভাই নূরুদ্দিন ও তার ভাতিজা বাদলের সন্ত্রাসী বাহিনীর সঙ্গে যোগসাজশ করে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ তার ভাই রাসেল মাহমুদকে দিয়ে নদীর পাড়ের পাথর-বালুর ঘাট দখল করতে এসেছিল। আমরা বাধা দিলে দেশীয় অস্ত্রসহ আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ ও তার ভাই রাসেল মাহমুদর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তাদের ব্যবহৃত মোবাইলফোনে একাধিকবার কল করলে তারা রিসিভ করেননি।
নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিউটি-এর যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকারিভাবে বিআইডব্লিউটিএর ইজাদার মাহমুদুল হাসান পালিন। তার করা একটি মামলা চলামান থাকায় নতুন করে কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঘাট পরিচালনার জন্য পলিনের মনোনীত ব্যক্তি মাসে মাসে পে-অর্ডারের মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব জমা দিয়ে ঘাট চালাচ্ছে। রাসেল মাহমুদকে পলিন তার প্রতিনিধি মনোনীত করেছে। তিনি এসে পে-অর্ডার জমা দিয়েছেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, নদীর পাড়ের পাথর-বালুর ঘাট নিয়ে দু্ই পক্ষের মধ্যে মারামারি হওয়ার খবর পেয়েছি। এ ঘটনায় একপক্ষ অভিযোগ করেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।