গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দুই কলেজশিক্ষকের কাছে ডাকযোগে এলো কাফনের কাপড়

দুই শিক্ষককে ডাকযোগে পাঠানো কাফনের কাপড়। ছবি : কালবেলা
দুই শিক্ষককে ডাকযোগে পাঠানো কাফনের কাপড়। ছবি : কালবেলা

নাটোরের গুরুদাসপুরে রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের দুই শিক্ষককে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠানো হয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে কলেজ চলাকালীন পার্সেল দুটি খোলার পর কাফনের কাপড় বেরিয়ে এলে শিক্ষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাপড়গুলো জব্দ করে।

ভুক্তভোগী দুই শিক্ষক হলেন, ওই কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন এবং ইসলাম শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সামাদ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় পোস্ট অফিসের এক কর্মী ওই দুই শিক্ষকের নামে আসা দুটি পার্সেল কলেজে নিয়ে আসেন। রোববার কলেজে এসে শিক্ষকরা পার্সেল দুটি নিয়ে প্যাকেট খুলতেই দেখা যায়, ভেতরে ভাঁজ করা নতুন কাফনের কাপড়। প্রতিটি পার্সেলের ভেতরে চার খণ্ড করে কাফনের কাপড় রাখা ছিল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষকরা আতঙ্কিত হয়ে সহকর্মীদের বিষয়টি জানান এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে খবর দেন।

কলেজের অফিস সহকারী দিল রুবা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে পোস্ট অফিসের পিয়ন এসে বড় সাইজের দুটি খাম দিয়ে যান। আনোয়ার হোসেনের প্যাকেটে প্রেরক হিসেবে উল্লেখ ছিল লিখন হোসেনের নাম। অপরদিকে, আব্দুস সামাদের পার্সেলের প্রেরকের জায়গায় জনি আহমেদের নাম লেখা রয়েছে। দুজনের ক্ষেত্রেই প্রেরকদের ঠিকানা হিসেবে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রভাষক আনোয়ার হোসেন কালবেলাকে বলেন, বৃহস্পতিবার খামটি এলেও কলেজের ফোন পেয়ে রোববার সকালেই খামটি করি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে ভেবে খামটি খুলেই দেখি কাফনের কাপড়। তবে প্রেরককে আমি চিনি না।

সহকারী অধ্যপক আব্দুস সামাদ কালবেলাকে বলেন, আমার নামে পাঠানো খামের কথা সহকর্মী আনোয়ার হোসেন প্রথমে অবগত করেন। আমি এসে খামটি খুলেই কাফনের কাপড় দেখতে পাই। তবে প্রেরককে আমি চিনি না। আমার কারো সাথে শত্রুতা নেই। বিষয়টি নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করব।

অধ্যক্ষ মাহতাব উদ্দিন কালবেলাকে বলেন, কলেজের দুই শিক্ষকের নামে পাঠানো কাফনের কাপড়ের বিষয়টি আমি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী দুই শিক্ষক আমাকে অবগত করেনি। তাই এ বিষয়ে তিনি কথা বলতে নারাজ। তবে তিনি শঙ্কিত হয়েছেন।

গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. মন্জুরুল আলম কালবেলাকে বলেন, কাফনের কাপড় আসার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। খবর পাওয়ার পরপরই কলেজে গিয়ে কাফনের কাপড়গুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে পুলিশ কাজ করছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন নিয়ে বিস্ফোরক তনয় শাস্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

৭৩ ভোট পেয়ে পরিচালক পদে জয়ী তামিম ইকবাল

বিএমডিএর ৮৬তম পরিচালনা বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের তুরুপের তাস হতে পারেন এন্দ্রিক

মোজতবা খামেনির জন্য ‘বিশেষ চিঠি’ নিয়ে ইরানে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যে কারণে চুক্তির দ্বারপ্রান্তে গিয়েও বারবার ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

কমলো জেট ফুয়েলের দাম

রাজধানীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ছিনতাই

নোয়াখালীতে আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ

১০

ছাঁটাই শ্রমিকদের পুনর্বহালের দাবি ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের

১১

স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে স্বামীর আত্মহত্যা

১২

সংসদে তোফায়েল আহমেদসহ সাবেক ১৬ এমপি-মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব

১৩

সিগারেট খেতে বাঁধা দেওয়ায় খুন

১৪

ইউরোপজুড়ে জিপিএস সংকেত বিঘ্নিত করছে রুশ স্যাটেলাইট

১৫

আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ

১৬

শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত ককরোচ পার্টির আন্দোলন চলবে

১৭

জাতীয় সংসদে পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী ঘোষণা

১৮

ইরানের জব্দকৃত সম্পদ নিয়ে নতুন পরিকল্পনা সাজাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

১৯

১০ বছরের শিশুকে ‘ধর্ষণ’, অভিযুক্তকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ

২০
X