পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৪, ০২:০২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পঞ্চগড়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু

পঞ্চগড়ের শীতের সকাল। ছবি : কালবেলা
পঞ্চগড়ের শীতের সকাল। ছবি : কালবেলা

পঞ্চগড়ে চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ৬ থেকে ৮ এর মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের আভাস বলছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় দিনের তাপমাত্রা (সর্বোচ্চ তাপমাত্রা) রেকর্ড করা হয় ১৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তবে সন্ধার পর থেকে ঘনকুয়াশায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। রাতভর বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝরছিল। সাথে উত্তরের হিমশীতল বাতাসের কারণে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছিল।

সন্ধ্যার পর থেকে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শুরু হয় হিমেল বাতাস আর ঘনকুয়াশা। এতে অনুভূত হতে থাকে কনকনে শীত। মঙ্গলবার দিনভর উত্তরের হিমেল বাতাস থাকায় ছড়াতে পারেনি সূর্যের তীব্রতা। এতে কমে যায় দিনের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান। রাতভর টিপটিপ বৃষ্টির মতো ঝরেছে কুয়াশা। উত্তরের ঝিরিঝিরি হিমেল বাতাসের সঙ্গে কুয়াশা থাকায় শীতে কাবু হয়ে পড়ছে উত্তরের এই জনপদের মানুষ। দেখা মেলেনি সূর্যের। জেঁকে বসেছে শীত। শীতের দাপট বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

ঘনকুয়াশায় সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। কনকনে শীত অনুভূত হওয়ায় কাজে বেঘাত ঘটছে খেটে খাওয়া মানুষের। সকালবেলা ঠান্ডা বাতাসে কাবু হয়ে পড়া মানুষ গরম কাপড় পরে বের হওয়ার পাশাপাশি অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

এদিকে,হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমশীতল ঠান্ডা বাতাস ও শীতের কারণে বাড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন শীতজনিত রোগব্যাধি। জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোতে আউটডোরে ঠান্ডাজনিত রোগী বাড়তে শুরু করেছে। চিকিৎসার পাশাপাশি শীতজনিত রোগ থেকে নিরাময় থাকতে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছেন চিকিৎসকরা।

বুধবার ভোর থেকেও ঘণকুয়াশায় ঢেকে ছিল গোটা এলাকা। ঘনকুয়াশায় আর বাসাতের কারণে স্থবিরতা দেখা দেয় জনজীবনে। তবে সকাল ৮ পার পর দেখা মিলে সূর্যের। সূর্যের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ায় জনদূর্ভোগ কিছুটা কমে আসে। কিন্তু জীবীকার তাগিদে সকালে কাজে যোগ দেওয়া খেটে খাওয়া মানুষের দূর্ভোগ বেড়েছে। সীমাহীন কষ্টে রয়েছেন রিকশাভ্যানচালক ও কৃষি শ্রমিকরা। শীতের কারণে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ রিক্সাভ্যানে উঠতে চায় না। কনকনে শীতের কারণে দৈনন্দিন আয় কমে গেছে এসব শ্রমজীবী মানুষের।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ্ বলেন, তেঁতুলিয়ার আকাশের উপরিভাগে ঘন কুয়াশা থাকায় সূর্যের তাপ ভূপৃষ্ঠে পুরোপুরি আসছে না। এ জন্য বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। এ ছাড়া উত্তরের হিমেল বাতাস এই জনপদে শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এখন থেকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। জানুয়ারি মাসজুড়ে এই এলাকায় একই রকম আবহাওয়া থাকতে পারে বলে জানান তিনি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানে বিক্ষোভ কেন, সরকার কি পতনের মুখে?

ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে মার্কিন হামলার আশঙ্কায় কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হলেন নাজিমুদ্দিন

অস্ত্র ও হেরোইনসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার 

বিগ ব্যাশে আবারও রিশাদের জাদু

আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই : ট্রাম্প

৭ বছর পর নগরবাসীর জন্য খুলল ফার্মগেটের আনোয়ারা উদ্যান

এবার যুবদল কর্মীকে হত্যা

সহজ ম্যাচ জটিল করে শেষ বলে জয় চট্টগ্রামের

মার্কেট থেকে ফুটপাতে শীতের আমেজ, স্বস্তিতে বিক্রেতারাও

১০

হেঁটে অফিসে গেলেন তারেক রহমান

১১

খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত জকসুর ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের

১২

জকসু ও হল সংসদের নবনির্বাচিতদের নিয়ে প্রজ্ঞাপন

১৩

মুসাব্বিরের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সালাহউদ্দিন আহমদের বার্তা

১৪

ট্রাম্পকেও পতনের মুখে পড়তে হবে : হুঁশিয়ারি খামেনির

১৫

গুলির মুখে বুক পেতে দিচ্ছেন ইরানিরা, রক্তে লাল রাজপথ

১৬

সীমান্ত থেকে নয় রাউন্ড গুলিসহ দুই শুটারগান জব্দ

১৭

খালেদা জিয়ার ত্যাগের প্রতিদান হবে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা : ইশরাক

১৮

হাদিসহ সারা দেশে সংঘটিত টার্গেট কিলিংয়ের প্রতিবাদ

১৯

রমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অগ্নিদগ্ধ নারীর মৃত্যু

২০
X