সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৪, ০৫:১৫ পিএম
আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২৪, ০৫:৪৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবনে গোলপাতা আহরণ শুরু

সুন্দরবনে গোলপাতা আহরণ শুরু। ছবি : কালবেলা
সুন্দরবনে গোলপাতা আহরণ শুরু। ছবি : কালবেলা

পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের অন্যতম অর্থকরী বৃক্ষ গোলপাতা। প্রতিবছর এই পাতা কাটা ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন সাড়ে ৪শ বাওয়ালি। তবে গোলপাতা সংগ্রহ করতে হয় বন বিভাগের বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী। এবার ২৮ জানুয়ারি সকাল থেকে গোলপাতা আহরণ শুরু করেছে জেলেরা। চলবে ৩১ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) সকালে বনবিভাগ থেকে অনুমতি নিয়ে সুন্দরবনে যান বাওয়ালিরা।

১৩ বছর ধরে গোলপাতা আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করা বাওয়ালি হুমায়ুন কবির বলেন, গোলপাতা কাটতে যাওয়ার জন্য নৌকা, বাস, দড়ি ও ধারালো দা-ছুরি তৈরি করেছি। বন বিভাগের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে যাচ্ছি সুন্দরবনে।

সুন্দরবন এলাকার বাওয়ালি সাগর হোসেন বলেন, প্রতিবছর গোলপাতা আহরণের আগে নৌকা মেরামত করা লাগে। গোলপাতা আগের মতো এখন আর চলে না। ভালো দামও পাওয়া যায় না। সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালাতেও কষ্ট হয়। তারপরও পেশা টিকিয়ে রাখতে প্রতিবছর গোলপাতা কাটতে যাই।

এছাড়া গোলপাতা আহরণের জন্য নৌকাগুলো একটি বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়। এর কারণে গোলপাতা আহরণের মৌসুম শেষ হয়ে গেলে, নৌকাটিকে ফেলে রাখতে হয়। আর ফেলে রাখার কারণে প্রতিবছর মেরামতের জন্য অতিরিক্ত টাকা ব্যয় হয় বলে জানান তিনি।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ৫শ মণ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন নৌকাগুলো সুন্দরবন থেকে গোলপাতা আহরণ করতে পারবে। সুন্দরবনের গোলপাতা ঘর ছাউনিতে ব্যবহার হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু রিসোর্ট ও বাংলো বাড়িতে শোভাবর্ধনের জন্যও গোলপাতার ছাউনি দেওয়া হয়। মৌসুমে প্রতি কুইন্টাল গোলপাতা আহরণে ভ্যাট ব্যতীত রাজস্ব নেওয়া হচ্ছে ৬০ টাকা।

দিন দিন গোলপাতার চাহিদা কমে যাওয়ায়, আগের তুলনায় গোলপাতা সংগ্রহকারীর সংখ্যা কমেছে। আগে যেখানে প্রতিবছর ১৫০ থেকে ২০০টি নৌকায় গোলপাতা সংগ্রহ হতো। বর্তমানে তা শতকের নিচে নেমে এসেছে বলে দাবি বন বিভাগের।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম বলেন, ২০২৩ সালে ৮৯টি নৌকায় ৪৪১ জন বাওয়ালি ১৬ হাজার কুইন্টাল গোলপাতা সংগ্রহ করেছিলেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই গ্রামের সংঘর্ষ, নিহত ১

বাংলাদেশ বুঝতে পেরেছে, ক্ষতিটা ওদেরই হয়েছে: দিলীপ ঘোষ

হাত বাঁধা, গলায় রশি পেঁচানো নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

হাবিপ্রবিতে তেঁভাগা আন্দোলনের জনক হাজী মোহাম্মদ দানেশের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

বিশ্বকাপের পরই বিয়ে করবেন রোনালদো

সিআইডি প্রধান হলেন মোশাররফ

ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্তা / ৩ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

ইন্টারনেট বিল দিতে দেরি, দুই নারীকে মারধর

চীনের সহায়তায় চলতি অর্থবছরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন: পানিসম্পদমন্ত্রী

জুনের আকাশে ‘স্ট্রবেরি মুন’, যখন-যেভাবে দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকে 

১০

কুড়িগ্রামে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

১১

‘পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ছাড়া ইরানের হাতে আর কোনো বিকল্প নেই’

১২

বাসের ধাক্কায় আহত মাসুদকে বাঁচানো গেল না

১৩

বিকেএসপি পরিচালনা বোর্ডের ৪০তম সভা অনুষ্ঠিত

১৪

নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হতে হবে শিক্ষার্থীদের: মিফতাহ্ সিদ্দিকী

১৫

ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে

১৬

ভারতে মহররমের তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, ‘মাস্টারমাইন্ড’ গ্রেপ্তার 

১৭

ইসলামের নামে মিথ্যাচারের রাজনীতি করে জামায়াত : সরোয়ার আলমগীর

১৮

হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্বে ফারুক

১৯

বড়লেখায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী / সংস্কার বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারেরও পতন হবে

২০
X