

সুন্দরবনের পর্যটনবাহী নৌযান মালিকদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে সুন্দরবনের করমজলসহ কাছাকাছি স্পটগুলোতে যেতে শুরু করেছে পর্যটকরা।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি, মোংলা-রামপাল সার্কেলের পুলিশ সুপার রিফাতুল ইসলাম ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে নৌযান মালিকরা তাদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন।
এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরে ডিজি শিপিংয়ের (নৌপরিবহন অধিদপ্তর) হয়রানির প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেন নৌযান মালিকরা। সেই স্মারকলিপির পরিপ্রেক্ষিতে ডিজি শিপিংয়ে কর্মকর্তারা নৌযান মালিকদের পূর্ব থেকে নোটিশ ছাড়া কোনো অভিযান পরিচালনা ও হয়রানি করবে না বলে আশ্বস্ত করেন স্থানীয় প্রশাসন। যার ফলে নৌযান মালিকরা তাদের চলমান ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়।
মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়া গত রোববার ডিজি শিপিংয়ের কর্মকর্তারা মোংলার ফেরিঘাট এলাকায় অন্তত ৩০টি জালিবোটের ওপরের অংশের (ছাদ) অবকাঠামো ভেঙে ও কেটে আসবাবপত্র নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি জরিমানা করেন। এর প্রতিবাদে নৌযান মালিকরা সোমবার ভোর থেকে ধর্মঘটের ডাক দেয় এবং এর প্রতিকার চেয়ে বোট মালিকপক্ষ মঙ্গলবার স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, পূর্ব নোটিশ ছাড়া অভিযান ও কোনো ধরনের হয়রানি করবে না ডিজি শিপিং—স্থানীয় প্রশাসনের এমন আশ্বাসে মঙ্গলবার রাত ৯টা নৌযান ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন