দিনাজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০১ মে ২০২৪, ১২:২৬ পিএম
আপডেট : ০১ মে ২০২৪, ১২:৩৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কুকুর বিক্রি করে আয় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা

জাহিদ ইসলাম সোহাগের খামারের কয়েকটি কুকুর। ছবি : কালবেলা
জাহিদ ইসলাম সোহাগের খামারের কয়েকটি কুকুর। ছবি : কালবেলা

দিনাজপুর সদরে বাণিজ্যিকভাবে কুকুরের খামার দিয়েছেন জাহিদ ইসলাম সোহাগ নামে একজন যুবক। বিদেশি বিভিন্ন জাতের কুকুর পালন করে করে সাফল্য পেয়েছেন তিনি।

সেই খামার থেকে কুকুর বিক্রি করে মাসে আয় করছেন লাখ টাকারও বেশি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতারা কুকুর সংগ্রহ করছেন তার খামার থেকে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দিনাজপুর শহর থেকে দুই কিলেমিটার উত্তরে চেহেলগাজী ইউনিয়নের উত্তর নয়নপুর এলাকায় ‘ডগ হাউজ’ নামে এ কুকুরের খামার। খামারে রয়েছে বিভিন্ন জাতের কুকুর। সোহাগের কুকুরের খামার দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন ছুটে আসে অনেক মানুষ। কুকুরগুলো বেশ প্রভুভক্ত। খামারের শ্রমিকদের সঙ্গে বেশ ভাব এদের। তাদের নির্দেশ মতো খেলা করছে, ছোটাছুটি করছে।

জাহিদুল ইসলাম সোহাগ কালবেলাকে বলেন, বছরখানেক আগে শখের বশে সোহাগ প্রথমে একটি ও পরে দুটি বিদেশি কুকুর নিয়ে শুরু করি। প্রথমে তিনটি ও পরে সাতটি বাচ্চার মাধ্যমে ভাগ্য খুলে যায়। পরে অনলাইনের মাধ্যমে শুরু করি কুকুর বিক্রি। খামারে আমেরিকান লাসা, টয় কোরিয়ান, জাপানি লাসা, চায়না লাসা, জার্মান শেপার্ড, ব্লাক শেপার্ড, উল্ফ, এলসেশিয়ান, গোল্ডেন রিটাইভারসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৬৫টি কুকুর রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকারভেদে এসব কুকুর ৩০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছি। বাণিজ্যিকভাবে কুকুর বিক্রিতে প্রতিবছর ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা আয় হয়।

স্থানীয় যুবক রনি নামে একজন বলেন, কুকুরগুলো বেশ প্রভুভক্ত। সোহাগ ভাই এবং তার লোকজন যা বলে কুকুরগুলো তাই শুনে। চুপ থাকতে বললে কুকুরগুলো মাথা নিচু করে বসে বা শুয়ে পড়ে। কোনো লাফালাফি করে না।

দিনাজপুর সদর জেলা ভেটেরিনারি অফিসার ড. আশিকা আকবর তৃষা বলেন, সতর্কতা ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে খামারটি পরিচালিত হলে খামারি বেশ লাভবান হবেন। নিয়মিত ভ্যাকসিন করা, কৃমিনাশক ওষুধ দেওয়া, রুটিন চেকআপ করাতে হবে।

তিনি বলেন, কোনোভাবেই যেন রোগজীবাণু না ছড়ায় সেদিকে বেশি নজর দিতে হবে। খামারে হিংস্র কুকুরও রয়েছে তাই সতর্ক থাকতে হবে সবসময়।

কালবেলা/এসআই
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সিলেটে বিপৎসীমার কাছাকাছি নদ-নদীর পানি, আতঙ্কে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা

রোড রোলার প্রশিক্ষণে সুইডেন সফরের খবর ভিত্তিহীন: চসিক মেয়র

ফাহিমা হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ফের আদালত চত্বরে হামলার চেষ্টা

তদন্ত চলাকালেই বদলি চসিকের আলোচিত সেই প্রকৌশলী দম্পতি

রাতে স্টেডিয়ামে গাঁজা সেবন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের কারাদণ্ড

পরশুরামে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিডার উদ্যোগে বাস্তবায়নের পথে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ

কমনওয়েলথ গেমসে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা

রেল অবরোধে ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি, দুঃখ প্রকাশ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের

১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে নতুন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

১০

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা

১১

জোড়াতালি দিয়ে চলছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা

১২

চকরিয়ায় বন্যায় সড়ক বিধ্বস্ত, ক্ষতি প্রায় ৩২ কোটি টাকা

১৩

চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপকাণ্ডে’ বহিষ্কৃত সেই পুলিশ সদস্য

১৪

ইরানের বিরুদ্ধে ‘বৃহৎ সামরিক হামলা’ বিবেচনায়: ট্রাম্প

১৫

লেবাননে প্যারামেডিকদের ওপর ইসরায়েলের ড্রোন হামলা

১৬

ওমরাহ পালনে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহত ৩

১৭

নিরাপত্তার জেরে ইরান থেকে দূতাবাসকর্মীদের প্রত্যাহার করে নিল যুক্তরাজ্য

১৮

দেশে চাঁদাবাজি-দুর্নীতি আগের চেয়েও বেড়েছে: গাজী আতাউর

১৯

জলাবদ্ধ সড়কে হাঁস ছেড়ে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ 

২০
X