কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম
অনলাইন সংস্করণ

কুকুর কামড়ানোর পর প্রথম ১৫ মিনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক কী কী করবেন

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

প্রায়ই দেখা যায়, হঠাৎ রাস্তায় বা আশপাশে কুকুরের আক্রমণের শিকার হন অনেকে। এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে দেরি করলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, কুকুরে কামড়ানোর পরপরই সঠিক পদক্ষেপ না নিলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে, টিস্যুর ক্ষয় হতে পারে এমনকি র‌্যাবিসের মতো প্রাণঘাতী রোগও দেখা দিতে পারে।

তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কামড়ানোর পর প্রথম ১৫ মিনিটই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে জটিলতা এড়ানো যায়। চলুন জেনে নিই, প্রথম অবস্থায় কী কী করতে হবে—

রক্তপাত নিয়ন্ত্রণ করুন

যদি কামড়ে প্রচুর রক্তপাত হয়, তাহলে পরিষ্কার কাপড় বা ব্যান্ডেজ দিয়ে আলতো চাপ দিন। তবে খুব বেশি জোরে চাপ দেবেন না, কারণ এতে ব্যাকটেরিয়া আরও ভেতরে প্রবেশ করতে পারে।

ক্ষত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন

কামড়ানোর জায়গায় অন্তত ৫-১০ মিনিট ধরে পরিষ্কার পানি ঢালুন এবং হালকা সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চিকিৎসকদের মতে, এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এতে কুকুরের মুখের লালা, মাটি ও ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে যায়।

অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহার করুন

ক্ষত ধোয়ার পর পোভিডোন-আইডিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড বা অ্যালকোহলভিত্তিক জীবাণুনাশক লাগান। এটি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা দ্রুত কমিয়ে দেয় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করে।

ক্ষত ঢেকে রাখুন

স্টেরাইল গজ বা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ক্ষত আলতো করে ঢেকে দিন। এতে বাইরের সংস্পর্শ থেকে ক্ষত সুরক্ষিত থাকবে। তবে গভীর ক্ষতের ক্ষেত্রে ব্যান্ডেজ খুব টাইট করে বাঁধবেন না, যতক্ষণ না চিকিৎসা পাচ্ছেন ততক্ষণ শুধু সুরক্ষিত রাখুন।

চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন

ক্ষত ছোট মনে হলেও দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। কারণ কুকুরের কামড়ে র‌্যাবিস, টিটেনাস এবং বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। ডাক্তার প্রয়োজনে র‌্যাবিসের ভ্যাকসিন (PEP), টিটেনাস শট বা অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করবেন।

কেন সচেতনতা জরুরি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাথমিক সচেতনতা ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিলে কুকুরের কামড়ের পর গুরুতর জটিলতার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। তাই আতঙ্কিত না হয়ে প্রথম ১৫ মিনিটেই সঠিক পদক্ষেপ নিন, এটাই জীবন রক্ষার মূল চাবিকাঠি।

সূত্র : কন্টিনেন্টাল হসপিটালদ্য ওয়াল

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তিতর্ক শুনানির আগে অসুস্থ রামিসা হত্যার আসামি স্বপ্না

১০ বছর পর আবারও ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত

থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে বেধড়ক মারধর, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার

যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

ঋতুপর্ণার জাদুকরী সেই গোলের নাম কেন ‘অলিম্পিক গোল’?

আর্থিক লেনদেনের জেরে প্রেমিকাকে শ্বাসরোধে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ১১১৮ জন

মহাসড়কে আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ১২

বিহারের হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৪

এবার জেমস বন্ড সাজে ডোনাল্ড ট্রাম্প

১০

স্ত্রীর গর্ভে ৫ সন্তান, উন্নত চিকিৎসার খরচ জোগাতে পারছেন না দরিদ্র রংমিস্ত্রি

১১

সীমান্তে পুশইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি

১২

বজ্রপাতে মা-ছেলের করুণ মৃত্যু

১৩

দিল্লির হোটেলে আগুন : মৃত্যুপথযাত্রী বাবাকে দেখতে এসে পুড়ে মরলেন ৮ স্বজন

১৪

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

১৫

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ আজ

১৬

আ.লীগ ও জামায়াত একই জিনিস, আমাদের সতর্ক থাকতে হবে : ইশরাক

১৭

আজও নেই বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৮

দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

আর্জেন্টিনাকে ‘সতর্কবার্তা’ দিল আলজেরিয়া

২০
X