বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৪, ০২:৩৪ পিএম
আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২৪, ০৩:০৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আদালতে ড. ইউনূসের রায় পড়া চলছে

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি : সংগৃহীত
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি : সংগৃহীত

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের তিন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়ের করা শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলার রায় পড়া চলছে। এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে পৌঁছান ড. ইউনূস।

সোমবার (১ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ১২ মিনিটে ঢাকার শ্রম আদালতের বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানা এজলাসে আসন গ্রহণ করেন। দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে মোট ৮৪ পৃষ্ঠার রায়ের মূল অংশ পড়া শুরু করেন।

আদালতে উপস্থিত রয়েছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, তার স্ত্রী অ্যাক্টিভিস্ট রেহনুমা আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আসিফ নজরুল, সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন।

এর আগে ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, গত ২৪ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের শেষ যুক্তিতর্ক শোনার পর রায় ঘোষণার জন্য আজকের তারিখ ধার্য করেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান শেখ মেরিনা সুলতানা।

গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূস এবং শীর্ষ কর্মকর্তা আশরাফুল হাসান, নুরজাহান বেগম ও মোহাম্মদ শাহজাহানের নামে এই মামলা করা হয়।

গত ১৬ নভেম্বর এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে।

এর আগে, গত ৬ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের চার সাক্ষীর জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়।

২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে মামলাটি করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) এসএম আরিফুজ্জামান।

মামলার নথি অনুসারে, আইএফইডি কর্মকর্তারা ২০২১ সালের ১৬ আগস্ট ঢাকার মিরপুরে গ্রামীণ টেলিকমের অফিস পরিদর্শন করে শ্রম আইনের বেশকিছু লঙ্ঘন খুঁজে পান।

সেই বছরের ১৯ আগস্ট গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠিয়ে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটির ৬৭ কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা ছিল, কিন্তু তা করা হয়নি।

এ ছাড়া, কর্মচারীদের পার্টিসিপেশন ও কল্যাণ তহবিল এখনো গঠন করা হয়নি এবং কোম্পানির যে লভ্যাংশ শ্রমিকদের দেওয়ার কথা ছিল তার পাঁচ শতাংশও পরিশোধ করা হয়নি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশের জ্বালানি খাতে তুর্কি বিনিয়োগের আগ্রহ, স্বাগত জানাল বাংলাদেশ 

পর্তুগাল ও আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ে টিকিটের দামে ধস

ফিফা বিশ্বকাপ নিয়ে এবার মুখ খুললেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

সুস্থ মানুষকে ‘ক্যানসার রোগী’ সাজিয়ে সরকারি সহায়তা আত্মসাৎ

কোরআন বুকে জড়িয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন মা

বিখ্যাত সাহাবি হজরত আলীর (রা.) ১৫টি অনুপ্রেরণামূলক বাণী

দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত, হাইকোর্টের স্থগিতাদেশে আবারও দায়িত্বে কুবি রেজিস্ট্রার

হাওরে নৌকায় তরুণীকে যৌন নিপীড়ন, গ্রেপ্তার যুবক

প্রাথমিক শিক্ষকদের ধাপে ধাপে বেতন বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

রেলপথ ৫ ফুট উঁচু করার আশ্বাস রেল প্রতিমন্ত্রীর

১০

পরিস্থিতি যেমনই হোক ইরান আত্মসমর্পণ করবে না: গালিবাফ

১১

শয়তানকে পরাজিত করতে যে ১০ কাজ থেকে দূরে থাকা উচিত

১২

স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের তাগিদ

১৩

সারাদেশে যুবদলের ৩০০ নেতা-কর্মী বহিষ্কার

১৪

মেঘনায় ডুবল ৫২০০ বস্তা চালবোঝাই ট্রলার

১৫

অবিশ্বাস্য জয়ের পরও কেন রেগে গিয়েছিলেন মেসি?

১৬

শেষ আটের আগে বিশ্বকাপ জয়ের গাণিতিক সম্ভাবনায় এগিয়ে যারা

১৭

সাড়ে আট ঘণ্টায় ১৭৪ মিমি বৃষ্টি, পানির নিচে ময়মনসিংহ নগরী

১৮

এক দশকের পথচলার ইতি, ভেঙে যাচ্ছে কে-পপ ব্যান্ড কার্ড

১৯

পাল্টাপাল্টি হামলার পর ট্রাম্প বললেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ

২০
X