কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৪, ০২:৩৪ পিএম
আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২৪, ০৩:০৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আদালতে ড. ইউনূসের রায় পড়া চলছে

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি : সংগৃহীত
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি : সংগৃহীত

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের তিন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়ের করা শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলার রায় পড়া চলছে। এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে পৌঁছান ড. ইউনূস।

সোমবার (১ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ১২ মিনিটে ঢাকার শ্রম আদালতের বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানা এজলাসে আসন গ্রহণ করেন। দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে মোট ৮৪ পৃষ্ঠার রায়ের মূল অংশ পড়া শুরু করেন।

আদালতে উপস্থিত রয়েছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, তার স্ত্রী অ্যাক্টিভিস্ট রেহনুমা আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আসিফ নজরুল, সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন।

এর আগে ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, গত ২৪ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের শেষ যুক্তিতর্ক শোনার পর রায় ঘোষণার জন্য আজকের তারিখ ধার্য করেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান শেখ মেরিনা সুলতানা।

গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূস এবং শীর্ষ কর্মকর্তা আশরাফুল হাসান, নুরজাহান বেগম ও মোহাম্মদ শাহজাহানের নামে এই মামলা করা হয়।

গত ১৬ নভেম্বর এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে।

এর আগে, গত ৬ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের চার সাক্ষীর জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়।

২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে মামলাটি করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) এসএম আরিফুজ্জামান।

মামলার নথি অনুসারে, আইএফইডি কর্মকর্তারা ২০২১ সালের ১৬ আগস্ট ঢাকার মিরপুরে গ্রামীণ টেলিকমের অফিস পরিদর্শন করে শ্রম আইনের বেশকিছু লঙ্ঘন খুঁজে পান।

সেই বছরের ১৯ আগস্ট গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠিয়ে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটির ৬৭ কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা ছিল, কিন্তু তা করা হয়নি।

এ ছাড়া, কর্মচারীদের পার্টিসিপেশন ও কল্যাণ তহবিল এখনো গঠন করা হয়নি এবং কোম্পানির যে লভ্যাংশ শ্রমিকদের দেওয়ার কথা ছিল তার পাঁচ শতাংশও পরিশোধ করা হয়নি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে সেরা খেলোয়াড়কে হারাল সুইজারল্যান্ড

শাহজালালের মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে জাগপা’র দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে দুই ছাত্রী খোয়ালেন গয়না-প্রবেশপত্র, দেওয়া হলো না পরীক্ষা  

কারাগার থেকে পালানোর ২৩ মাস পর গ্রেপ্তার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৪৪, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি

রয়টার্সের চোখে বাংলাদেশের বন্যা, নিহত ৪৪, পানিবন্দি ১০ লাখের বেশি মানুষ 

বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব: মিল্টন ভুঁইয়া

ফরিদপুরে সড়কে ঝরল ৫ প্রাণ

আগের সরকার চুরি করত ভোট, বর্তমান সরকার চুরি করে ফলাফল: হাসনাত আবদুল্লাহ

২০২৬ বিশ্বকাপে খেলা ফুটবলারের মৃত্যু

১০

‘জাতির সঙ্গে বেইমানি করব না, গণভোট বাস্তবায়নে বাধ্য করব’

১১

চাকরির বয়সসীমা ৩৫-৪০ করার দাবি, এক সপ্তাহের আলটিমেটাম

১২

সিলেটে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

১৩

৩ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে এমবাপ্পের!

১৪

কাভার্ডভ্যান কেড়ে নিল স্বামী-স্ত্রীর প্রাণ

১৫

খোরশেদা বানু'র দোয়া মাহফিল / মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করে সুষম সমাজ গড়তে চাই: মঈন খান

১৬

বিএনপির ইতিহাস প্রতারণার, প্রতিটি গণঅভ্যুত্থানের সুবিধাভোগী তারা: নাহিদ ইসলাম

১৭

যেখানে মুসলিম ফুটবলারদের অনুসরণ করেন এমবাপ্পে

১৮

কমে গেল আর্জেন্টিনা ম্যাচের টিকিটের দাম

১৯

টানা বৃষ্টি আর কতদিন থাকবে, জানাল আবহাওয়া অফিস

২০
X