ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৪, ০৭:৪১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মৌলিক গবেষণায় বৃত্তি পেলেন ঢাবির ৭ গবেষক

‘মির্জা বানু অ্যান্ড সিরাজুল ইসলাম এন্ডাউমেন্ট ফান্ড’ বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান। ছবি : কালবেলা
‘মির্জা বানু অ্যান্ড সিরাজুল ইসলাম এন্ডাউমেন্ট ফান্ড’ বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান। ছবি : কালবেলা

মৌলিক গবেষণায় অসাধারণ অবদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইতিহাস বিভাগের সাতজন গবেষককে ‘মির্জা বানু এন্ড সিরাজুল ইসলাম এন্ডাউমেন্ট ফান্ড’ বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (২০ নভেম্বর) সিরাজুল ইসলাম লেকচার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গবেষকদের হাতে এই বৃত্তির চেক তুলে দেন।

ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আশফাক হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়ন স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিসটিংগুইশড প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ অনুষ্ঠানে ‘স্বৈরশাসকদের উত্থানের পথরেখা’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন। অধ্যাপক ড. এম সিরাজুল ইসলামসহ বিভাগীয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম ও প্রয়াত মির্জা বানুর মেয়ে এবং ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আশা ইসলাম নাঈম অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বৃত্তিপ্রাপ্ত গবেষকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও আমাদের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছেন। এ ধরনের বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম গবেষকদের মেধা ও মননের স্বীকৃতি দেয় ও উৎসাহ প্রদান করে।

ন্যায্যতা ও সাম্যের ভিত্তিতে বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও গবেষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য তিনি শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

স্মারক বক্তৃতায় অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বিভিন্ন তত্ত্ব, দার্শনিকদের মতামত এবং গবেষণার ভিত্তিতে স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার স্বরূপ এবং স্বৈরাচারী শাসকদের উত্থান প্রক্রিয়ার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা যখন আগামীতে আর স্বৈরশাসক দেখতে চাননা বলে সংকল্পবদ্ধ, সেই সময়ে স্বৈরশাসক কীভাবে তৈরি হয়, কীভাবে তৈরি হয়েছিল, সেই প্রেক্ষাপট এবং পথরেখা বোঝা দরকার। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই সেই কৌশল তৈরি করতে হবে। সেই শিক্ষা হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা তৈরি করা।

তিনি আরও বলেন, এখন যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, তার উদ্দেশ্য হলো এই প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া তৈরি করা, ক্ষমতার এককেন্দ্রিকরণের পথ বন্ধ করা। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোই যথেষ্ট নয়। আদর্শিকভাবে এই ধরনের চিন্তা ও কাজ এবং আদর্শকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করা জরুরি।’

বৃত্তিপ্রাপ্ত চারজন পিএইচডি গবেষক হলেন, তপন কুমার পালিত, এ এস এম মোহসীন, খাদিজা খাতুন এবং শহিদুল হাসান।

এ ছাড়া ৩জন এমফিল গবেষক হলেন, ইদ্রিস আলী, লাবনী ইসলাম চুমকী এবং সুরাইয়া আক্তার।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ক্ষমতায় গেলে আন্দোলন লাগবে না, দোরগোড়ায় পৌঁছাবে সেবা : জামায়াত আমির

সচিবালয়ে আগুন

বিজয়ের মাসের কর্মসূচি স্থগিত করেছে বিএনপি

৫টি বিদেশি পিস্তলসহ যুবক আটক

আইপিএল থেকে অবসর নিলেন আন্দ্রে রাসেল, থাকছেন অন্য ভূমিকায়

ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

ব্রণ দূর করতে অ্যালোভেরা যেভাবে ব্যবহার করবেন

কর্মবিরতি ঘোষণা / সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ

বিএনপি নেতা ফজলুকে ট্রাইব্যুনালে তলব

আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসী রুবেলের মৃত্যু

১০

বিসিএসের সহযোগী অধ্যাপকরা একই পদে বছরের পর বছর

১১

‘সুখবর’ পেলেন বিএনপির আরও ৬ নেতা

১২

মাদক রাখার দায়ে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

১৩

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেছেন ঢাকাস্থ রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল পুলিশ সদস্যের

১৫

সংকটের মুহূর্তে দায়িত্বশীলতার পরিচয়ই আমাদের পথপ্রদর্শক

১৬

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৭

মোবাইলে বিপিএলের নিলাম দেখবেন যেভাবে

১৮

শেষ ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ, আছেন যারা

১৯

প্রোটিয়াদের কাছে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা ভুলতে চায় ভারত

২০
X