কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৪, ১২:৪৫ পিএম
আপডেট : ০৮ মে ২০২৪, ০১:০১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সড়কে যানবাহনের গতিসীমা নির্ধারণ

দেশব্যাপী সড়ক-মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে ও মহানগরীর সড়কে সব যানবাহনের গতিসীমা নির্দিষ্ট করে বিধিমালা অনুমোদন করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। ছবি : সংগৃহীত
দেশব্যাপী সড়ক-মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে ও মহানগরীর সড়কে সব যানবাহনের গতিসীমা নির্দিষ্ট করে বিধিমালা অনুমোদন করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। ছবি : সংগৃহীত

দেশব্যাপী সড়ক-মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে ও মহানগরীর সড়কে সব যানবাহনের গতিসীমা নির্দিষ্ট করে বিধিমালা অনুমোদন করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি এ বিধিমালা অনুমোদন হলেও আজ বুধবার থেকে এটি কার্যকর হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেট কার, বাস ও মিনিবাসের গতিসীমা হবে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার, মোটরসাইকেল ৬০ কিলোমিটার এবং ট্রাক চলবে ৫০ কিলোমিটার গতিতে।

সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং জেলা শহরের মধ্যে মোটরসাইকেল ও ট্রাক ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারবে। অন্যান্য যানবাহনের জন্য এই গতিসীমা ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার।

যদি কেউ গতিসীমা লঙ্ঘন করে তার বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন অমান্যকারীকে তিন মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।

এগুলো হচ্ছে- মোটর ভেহিক্যাল স্পিড লিমিট গাইডলাইন-২০২৪ এর কয়েকটি ধারা। যা সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে বিআরটিএ প্রথমবারের মতো জারি করেছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) এর চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার বুধবার (০৮ মে) সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিভিন্ন ধরনের সড়ক ও যানবাহনের জন্য বিভিন্ন গতির সীমা নির্ধারণকারী এই বিধিমালা আজ থেকে কার্যকর হবে।

বিআরটিএ বলছে, এখনো সারা দেশে রাস্তাভেদে গতিসীমা নির্ধারণ করা আছে। তবে সব ক্ষেত্রে সেই গতিসীমা মানা হয় না। জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে গতিসীমা থাকলেও অন্যান্য সড়কে থাকে না।

সড়ক-মহাসড়কে ও মহানগরীর সড়কে মোটরযানের গতিসীমা নিয়ে গত সপ্তাহে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে একাধিক সভা হয়েছে অংশীজনদের সঙ্গে। তবে বিআরটিএ কর্মকর্তারা জানান, যদিও গতিসীমা নীতিমালা ছয় মাস আগেই মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে সেটি নিয়ে বিভিন্ন সময় কাজ করাতে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করতে সময় লেগে গেছে।

এর আগে সব শ্রেণির সড়কে মোটরযানের গতিসীমা নির্ধারণের জন্য গতিসীমা ম্যাপ তৈরি করা হয়। এ ম্যাপে মহাসড়কের কোন অংশে গাড়ির সর্বোচ্চ গতি কত হবে, তা ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

তার আগে ২০১৫ সালে দেশের মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার নির্ধারণ করে দিয়েছিল জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল। ২০১৫ সালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কাউন্সিল সভায় অতিরিক্ত গতিতে যানবাহন চলাচল ঠেকাতে গাড়িতে ‘স্পিড গভর্নর’ নামের একটি যন্ত্রও বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সব বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

কাঁঠাল থেকে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, পুষ্টিগুণও অনেক বেশি : কৃষিমন্ত্রী

গুম-নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে শেখ হাসিনার বিচার চাইলেন হেফাজতকর্মী

প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নে বিশ্বাসী : সেতু প্রতিমন্ত্রী

‘গুপ্তধন’ ভেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মর্টারশেল বাসায় নিয়েছিলেন শ্রমিকরা

আধুনিক স্বাদে দেশি টুইস্ট, কেএফসি নিয়ে এলো ‘কারি ক্রাঞ্চ’

যে ৩ কারণে ভেস্তে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা

আইসক্রিমপ্রেমীদের জন্য ‘সেভয়’র নতুন চমক 

ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই খুন

টেবিলে চিরকুট, কক্ষে ঝুলছিল শিক্ষকের দেহ

১০

অবশেষে স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে ভোজিনহার, মাঠ থেকে সরাসরি দেখবেন মা

১১

মুখে মাস্ক ও হেলমেট পরে মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল

১২

হাওরে বিলুপ্তির পথে দেশি প্রজাতির মাছ

১৩

নেত্রকোনার বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

১৪

জামায়াত আমিরের সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের বৈঠক

১৫

অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে 

১৬

‘বিএনপি সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ’

১৭

অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা, আটক ৩

১৮

ইউএনওর আইডি জটিলতায় জন্মনিবন্ধন সেবা বন্ধ, চরম ভোগান্তি

১৯

ফুটবলে বাংলাদেশের পাশে থাকবে আর্জেন্টিনা

২০
X