কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৪, ০৬:৩৩ পিএম
আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৪, ০৬:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

নিজেদের কর্মকাণ্ড ঢাকতেই নির্বিচারে গ্রেপ্তার করছে সরকার : ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পুরোনো ছবি
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পুরোনো ছবি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার নিজেদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও ব্যর্থতা আড়াল করতে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার করে যাচ্ছে।

শুক্রবার (২৬ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার ন্যায়সংগত আন্দোলনকে দমন করার জন্য সেনাবাহিনীকে ব্যবহার কখনই গ্রহণযোগ্য নয়। অবিলম্বে সান্ধ্য আইন প্রত্যাহার এবং সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

সাধারণ মানুষকে গ্রেপ্তার ও জুলুম-নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর সরকারদলীয় সন্ত্রাসী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে হামলা চালিয়ে ইতিহাসে হতাহতের বর্বরোচিত নজির স্থাপন করেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, অবৈধ সরকার নিজেদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও ব্যর্থতা আড়াল করতে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন সিকদার, নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রহিম নেওয়াজকে গ্রেপ্তার এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ মোশাররফ হোসেন খোকনকে তিন দিন পর আদালতে তোলা হয়েছে। অব্যাহত গতিতে দেশব্যাপী বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি হচ্ছে, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুর বাসাসহ অনেক সিনিয়র নেতার বাসায় তল্লাশি চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, গ্রেপ্তার নেতাদের গুম করে নির্যাতন চালিয়ে তিন/চার কিংবা পাঁচ দিন পর আদালতে হাজির করা হচ্ছে, যা আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। দেশের নাগরিকদের গুম করে রাখার ভয়াবহ সংস্কৃতি চালু রেখে মানুষের মনে ভীতি সঞ্চার করা হচ্ছে। সরকারকে এ ধরনের লোমহর্ষক কর্মকাণ্ড পরিহারের আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, একটি স্বাধীন দেশে সরকারের দায়িত্ব হলো- রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া। গত কিছুদিন যাবত কোটা সংস্কার আন্দোলনে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা যখন যৌক্তিক দাবি নিয়ে আন্দোলন করছিল তখন সরকারপ্রধানসহ সরকারি দলের নেতা-মন্ত্রীরা তাদের তাচ্ছিল্য করে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নির্দেশ দেয় তাদের নির্মূল করার।

এ গণহত্যা, নির্যাতন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে সব দেশপ্রেমিক মানুষ, রাজনৈতিক দল, ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক, শ্রমিক ও পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে শাসকগোষ্ঠীকে পরাজিত করে জনগণের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের দুর্বার সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

যাত্রীবাহী গাড়ি থেকে উদ্ধার ২১ মণ জাটকা গেল এতিমখানায়

প্রেমের টানে আসা কিশোরীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’

গাজা পরিচালনায় নতুন নির্দলীয় টেকনোক্র্যাট সরকার

২৬৮ আসনে একক প্রার্থী দেবে ইসলামী আন্দোলন

‘বাঁশের লাঠি’ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে বিপাকে জামায়াত প্রার্থী

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ

জোটে যাচ্ছে না, নতুন সিদ্ধান্ত জানাল ইসলামী আন্দোলন

এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

ইসলামী আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন শুরু

১০

রাজধানীর জিগাতলায় আবাসিক ভবনে আগুন

১১

উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চরমোনাই পীরের উদ্বেগ ও শোক

১২

মুখে টেপ ও হাতবাঁধা শিশুর লাশ উদ্ধার

১৩

উত্তরায় অগ্নিকাণ্ড, মা-বাবার সঙ্গে প্রাণ গেল নিষ্পাপ রিশানের

১৪

ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহিম ভূঁইয়ার পদ আবারও স্থগিত

১৫

কুমিল্লায় গুলিতে ২ জন নিহত

১৬

ছাত্রদল কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

১৭

ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

১৮

একজন খালেদা জিয়া ছিলেন বলেই সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত ছিল : রিজভী

১৯

উত্তরায় আগুনের ঘটনায় জামায়াতে আমিরের স্ট্যাটাস 

২০
X