সমকামিতা, লিভটুগেদার ও পরোকীয়া প্রমোটকারী চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকীকে উপদেষ্টার পদ থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। চিন্তাভ্রষ্ট কোনো মানুষকে দেশবাসী উপদেষ্টা দেখতে চায় না বলে বিবৃতি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ও সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।
সোমবার (১১ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর উত্তর প্রচার ও দাওয়াহবিষয়ক সম্পাদক মুফতি মো. মাছউদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ফারুকীর মতো অসুস্থ মানসিকতার লোককে উপদেষ্টা বনানোর জন্য হাজার হাজার ছাত্র-জনতা জীবন দেয়নি। জীবন দিয়েছে দেশপ্রেমিক আদর্শ নাগরিকদের মাধ্যমে একটি নতুন কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য। সেই আদর্শ নাগরিকদের মাধ্যমেই পরিচালিত হবে বাংলাদেশ। আওয়ামী সুবিধাভোগী, দোসর ফারুকী দেশের নাগরিক হলেও উচ্ছিষ্টভোগী বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের ব্যস্ত থেকেছে। চলচ্চিত্র নির্মাতা হয়েও জাতীয় চেতনা, বোধ, বিশ্বাস ও জাতিসত্তাকে ধারণ করে নাটক-সিনেমার মাধ্যমে সুস্থ ধারার বিনোদন দিতে যে ব্যর্থ হয়েছে সে কীভাবে উপদেষ্টা হয়, তা আমাদের বোধগম্য নয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবো অতিসত্বর মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে উপদেষ্টা থেকে প্রত্যাহার করুন। যাকে তাকে ধরে এনে উপদেষ্টা বানাবেন না। উপদেষ্টা বানানোর আগে দেখবেন- দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য তার কী অবদান রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অশ্লীলতা প্রসারকারী মোস্তফা সরয়ার ফারুকী কোন বিবেচনায় উপদেষ্টা হলেন? জুলাই-বিপ্লবের সময়ে উনি ফ্যাসিবাদ বিরোধী স্টাটাস দিছিলেন? তাহলে যারা ফ্যাসিবাদের আমলে নির্যাতিত, দেশান্তরী হয়েছেন তাদেরও ধরে এনে উপদেষ্টা বানান!
একই প্রশ্ন সেখ বশির উদ্দিনের ক্ষেত্রেও। সেও আওয়ামী লীগ আমলে সুবিদাভোগী। তাকে কোন বিবেচনায় উপদেষ্টা করা হলো?
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আরও বলেন, যাকে আপনার ভালো লাগে, যার সঙ্গে আপনাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক আছে, তাকে রাষ্ট্রীয় পদে পদায়িত করার জন্য জনতা রাজপথে লড়াই করেনি। উপদেষ্টা নিয়োগে লোক বাছাই করে কারা? কে কোন বিবেচনায় উপদেষ্টা হলেন তা দেশবাসী জানতে চায়।
মন্তব্য করুন