কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ মে ২০২৫, ০৫:১৪ পিএম
আপডেট : ০১ মে ২০২৫, ০৬:০৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সবার আগে বাংলাদেশ, এটিই হবে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য : তারেক রহমান 

তারেক রহমান। পুরোনো ছবি
তারেক রহমান। পুরোনো ছবি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সবার আগে বাংলাদেশ এটিই হতে হবে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার (১ মে) ঢাকার নয়াপল্টনে মহান মে দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, গত দেড় দশকে পরাধীনতার শেকলে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। সেই ফ্যাসিবাদের পতন হলেও জনগণের রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক অধিকার পরিপূর্ণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এ জন্য মানুষ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সরকারের কাছে দাবি পৌঁছে দিতে পারছে না।

তারেক রহমান বলেন, বিশেষ পরিস্থিতির সরকার অবৈধ না, কিন্তু জনগণের নির্বাচিত সরকারের বিকল্প নয়। কেউ যখন একক ব্যক্তিকে অপরিহার্য মনে করে তখনই স্বেচ্ছাচারিতা তৈরি হয়। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মনে যাতে ক্ষমতা ধরে রাখার ইচ্ছা না আসে, সে জন্যই নির্বাচন প্রয়োজন। সংস্কারে আপত্তি নেই, প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রকাশ করুন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, বিদেশি স্বার্থ রক্ষা নয়, সবার আগে জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই বাংলাদেশকে কেউ তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারবে না। সবার আগে বাংলাদেশ এটিই হতে হবে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

মিয়ানমার সীমান্তে করিডোর ইস্যুতে তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সঙ্গে জড়িত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জনগণকে জানানো হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনা করা হয়নি। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত কি না, সেই বিতর্ক তুলতে চাই না। তবে করিডোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত জনগণ ও নির্বাচিত সরকারের কাছে থেকে আসতে হবে।

এর আগে ‘মে দিবস দিচ্ছে ডাক, বৈষম্য নিপাত যাক’- এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে নয়া পল্টনে শুরু হয় জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের শ্রমিক সমাবেশ। দুপুর ২টা ১০ মিনিটে কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সমাবেশের কার্যক্রম। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের লম্বা সড়ক সেই ফকিরাপুল থেকে শুরু করে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত হাজারো শ্রমিকের উপস্থিতিতে সমাবেশটি রূপ নেয় জনসমুদ্রে।

জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ১২ দফা দাবিগুলো হচ্ছে-অবিলম্বে সংসদ নির্বাচন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিচার, সব প্রতিষ্ঠানে ডে-কেয়ার সেন্টার, বন্ধ শিল্প চালু, নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান, আউট সোর্সিং বন্ধ করে স্থায়ী পদ সৃষ্টি, অবাধ, গণতান্ত্রিক ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার, শ্রমিক হত্যার বিচার, শ্রমিক নির্যাতন বন্ধ, নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন সুরক্ষা নিশ্চিত করা, জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা, বৈষম্যহীন জাতীয় পে-স্কেল ও মজুরি হার ঘোষণা, জরুরি পরিষেবা আইনসহ সব কালাকানুন বাতিল এবং খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপির কোনো শঙ্কা নেই : নুরুদ্দিন অপু

চিনির বিকল্প হিসেবে মধু খাওয়া কি ভালো? যা বলছে বিজ্ঞান

পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি

খালেদা জিয়া ছিলেন জনগণের নেত্রী : খন্দকার আবু আশফাক

ত্রয়োদশ সূর্য সেন স্মারক বিতর্ক উৎসবে ইউআইইউ রানার্স আপ

বহিষ্কৃত খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টাকে দলে ফেরাল বিএনপি

আপিলে বহাল জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন, মিষ্টি বিতরণ

ডাবলু হত্যা আইনের প্রতি চরম অবমাননা : মির্জা ফখরুল

সুযোগ পেলেই আয়নায় চোখ রাখছেন? যে রোগের শিকার হতে পারেন

নাগরিক ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান

১০

গুলি করে ভাইরাল সেই সোহাগ গ্রেপ্তার

১১

জাপানে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সেন্টারের কমিটি গঠন

১২

বুধবার ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি

১৩

সংকটের মাঝেই বড় ধাক্কা, প্রধান কোচকে হারাল ঢাকা ক্যাপিটালস

১৪

ইরান ইস্যুতে মালালার স্ট্যাটাস, কার পক্ষ নিলেন

১৫

নোবেল বিজয়ীর দাবি / ইরানে লিথ্যাল উইপনের গুলিতে ১২ হাজার বিক্ষোভকারী নিহত

১৬

চট্টগ্রাম বন্দরে ৯ ‘জুলাই যোদ্ধার’ নিয়োগ নিয়ে সমালোচনা

১৭

ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের আড়ালে গণহত্যা চলছে : নোবেল বিজয়ীর অভিযোগ

১৮

একাত্তরের পরম বন্ধুদের কথা : ভালোবাসায় বাড়ানো হাত

১৯

অবশেষে মুখ খুললেন তাহসান

২০
X