ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:৩৯ পিএম
আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:০২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

যে সময়ে দোয়া করলে আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না, জানালেন বিশেষজ্ঞ আলেম

ছবি কোলাজ : কালবেলা
ছবি কোলাজ : কালবেলা

আল্লাহ সর্বশক্তিমান৷ তাঁর দয়া অফুরন্ত। তাঁর রহমত অগণিত। রব্বুল আলামিনের দয়ার সাগরে দুনিয়ার সব মানুষ, সব মহাশক্তি ডুব দিলেও বরকতে পরিপূর্ণ মণিমুক্তা পাবে, কিন্তু কূল পাবে না। কারণ, তাঁর দয়ার সাগরের গভীরতার কোনো সীমা নেই। সৃষ্টির প্রতি তাঁর মায়ার কোনো পরিমাপ নেই।

দুনিয়ার সব মালিকের কাছে তার শ্রমিকরা একটু বেশি মজুরি চাইলে, সুবিধা চাইলে তারা নাখোশ হন। কেউ কেউ ক্ষিপ্ত হন। অনেকে আবার অবিচারও করেন। কিন্তু দু’জাহানের মালিকের প্যাটার্ন ভিন্ন। তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের পাল্লা অতুলনীয়। তাঁর কাছে তাঁর গোলামরা যত বেশি চায়, তিনি তত বেশি দেন। খুশি হন। আল্লাহ ইরশাদ করেন, বান্দা তুই যত বেশি চাইবি, আমি তত বেশি খুশি হই। রহমতের দ্বার খুলে দিই। আমি পরম করুণাময়।

কোরআনের ভাষায়, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। আর যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে, তারা অচিরেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে।’ (সুরা মু’মিন, আয়াত : ৬০)।

আল্লাহর কাছে চাইতে হয় দোয়ার মাধ্যমে। নতচিত্তে। অবনত মস্তকে। রব্বেকা’বা ইরশাদ করেন, ‘আমি দোয়া কবুল করি, যখন সে আমার কাছে দোয়া করে। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৬)। হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, দোয়া সব ইবাদতের মূল।

কখন দোয়া করবেন?

দোয়া কবুলের নির্ধারিত কোনো মুহূর্ত নেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা, ইশা থেকে ফজর- বান্দা যখনই আল্লাহর দরবারে হাত পাতে, তিনি সাড়া দেন। তবে, কিছু বিশেষ মুহূর্তে আল্লাহ বান্দার মোনাজাত বিশেষভাবে কবুল করেন। রহমতের পেয়ালা ঢেলে দেন। বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, এই বিশেষ মুহূর্তগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো ভোররাত।

এ প্রসঙ্গে সিলেটের মুরব্বি আলেম ও দারুল উলুম কানাইঘাট মাদ্রাসার নায়েবে শায়খুল হাদিস মাওলানা শামছুদ্দীন দুর্লভপুরি কালবেলাকে বলেন, ২৪ ঘণ্টার ভেতরে দোয়া কবুলের যতগুলো সোনালি সময় আছে, এর মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান সময় হলো ভোররাত। অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সময়। রাতের শেষের দিকের এই সময়টা মুমিনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এই সময়ের দোয়া সাধারণত আল্লাহ তায়ালা ফিরিয়ে দেন না।

তিনি জানান, হাদিসে এসেছে, আল্লাহ তায়ালা প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকাকালে পৃথিবীর নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেন, ‘কে আছে এমন যে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দেব। কে আছে এমন যে আমার নিকট চাইবে? আমি তাকে তা দেব। কে আছে এমন আমার নিকট ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করব।’ (বোখারি : ১১৪৫)

উল্লিখিত হাদিসের আলোকে শায়খ শামছুদ্দীন পরামর্শ জানিয়ে আরও বলেন, যারা বিভিন্ন জটিল সমস্যায় ভুগছেন, উদ্ধারের পথ খুঁজে পাচ্ছেন না, আপনারা ভোররাতে জাগুন। দুই রাকাত-চার রাকাত সালাত আদায় করে কায়মনোবাক্যে আল্লাহর দরবারে হাত তুলে সব সমস্যার কথা বলুন, ইনশাআল্লাহ শিগগিরই সমাধান পেয়ে যাবেন। এটা পরীক্ষিত আমল।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দ্রুত ৬ লেনে উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

সরকারি ফান্ড কীভাবে অপচয় হচ্ছে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী নুর

রোববার হচ্ছে না ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি

কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ডাকছে ছোট্ট ওকেয়া, ‘মাকে এনে দাও’

মেধাবী প্রকৌশলীদের দেশের কাজে লাগানোর আহ্বান আইনমন্ত্রীর

সিলেটকে পরিবেশবান্ধব সবুজ নগরী গড়ে তুলব : সিসিক প্রশাসক

চট্টগ্রামে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে : মৎস্য ও কৃষিমন্ত্রী

বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

১০

ডেপুটি স্পিকার নেতৃত্বাধীন সংসদীয় দল ঢাকায় ফিরেছেন

১১

আবাসিক হোটেলের দরজা ভেঙে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

১২

‘বিয়ের আশ্বাসে’ কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার

১৩

শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৪

বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস উদযাপন / মহাত্মা গান্ধী ‘প্রবীণ সেবা পদক’ পেলেন জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়

১৫

প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কারও মধ‍্যে পরিবর্তনের ছাপ নেই : মঞ্জু 

১৬

বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের আনন্দ মিছিল

১৭

ব্রাজিলের আনন্দ মিছিলে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

১৮

সতীর্থদের দামি উপহার দেন রোনালদো, কেন জানেন?

১৯

ভারতে ৬ মাসের সন্তানকে নিয়ে ষষ্ঠ তলা থেকে নারীর লাফ

২০
X